মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

' সাইনুসয়েড ' নীচের কোনটির সনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য?

A. ক্ষুদ্রান্ত
B. পাকস্থলি
C. যকৃত
D. বৃক্ক
Poster Download
RUUnit-GSet-2জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপরিপাক ও শোষণযকৃত ও পিত্তরস (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. যকৃত
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

সাইনাসয়েড: যকৃতের সনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য 🧐

সাইনাসয়েড (Sinusoid) হলো যকৃতের (Liver) একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং সনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য। এটি যকৃতের গঠন এবং কার্যাবলী বুঝতে সহায়ক। নিচে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

সাইনাসয়েড কী? 🤔

সাইনাসয়েড হলো যকৃতের মধ্যে অবস্থিত বিশেষ ধরনের রক্তনালী। এগুলো সাধারণ কৈশিক নালী (capillaries) থেকে ভিন্ন, কারণ এদের দেয়াল বেশ পাতলা এবং মাঝে মাঝে ছেঁড়া (fenestrated) থাকে। এই কারণে রক্ত এবং যকৃতের কোষগুলোর মধ্যে উপাদান বিনিময় খুব সহজে হতে পারে। 🩸🔄

বৈশিষ্ট্যসমূহ: ✅

  • পাতলা দেয়াল: সাইনাসয়েডের দেয়াল খুবই পাতলা হওয়ায় রক্তরস (plasma) এবং অন্যান্য উপাদান সহজে যকৃতের কোষে প্রবেশ করতে পারে।
  • ফেনেস্ট্রেশন (Fenestration): দেয়ালগুলোতে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে, যা বড় আকারের প্রোটিন এবং অন্যান্য কণাকেও প্রবেশ করতে দেয়।
  • কুপফার কোষ (Kupffer cells): সাইনাসয়েডের মধ্যে কুপফার কোষ নামক ম্যাক্রোফেজ (macrophages) থাকে, যা রক্ত থেকে ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থ সরিয়ে ফেলে। 🦠
  • কম রক্তচাপ: সাইনাসয়েডে রক্তের চাপ তুলনামূলকভাবে কম থাকে, যা উপাদান বিনিময়ে সাহায্য করে।

যকৃতের কার্যাবলী এবং সাইনাসয়েড: ⚙️

যকৃতের বিভিন্ন কার্যাবলী সম্পাদনে সাইনাসয়েডের ভূমিকা অপরিহার্য। নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলী উল্লেখ করা হলো:

  1. পরিপাকতন্ত্র থেকে আসা পুষ্টি শোষণ: পরিপাকতন্ত্র থেকে আসা রক্ত সরাসরি সাইনাসয়েডে প্রবেশ করে, যেখানে যকৃতের কোষগুলো পুষ্টি শোষণ করে নেয়। 🍎
  2. বিষাক্ত পদার্থ অপসারণ: সাইনাসয়েডের কুপফার কোষগুলো রক্ত থেকে বিষাক্ত পদার্থ এবং ব্যাকটেরিয়া সরিয়ে ফেলে, যা শরীরকে সুস্থ রাখে। 🛡️
  3. প্রোটিন সংশ্লেষণ: যকৃতের কোষগুলো সাইনাসয়েডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় উপাদান গ্রহণ করে প্রোটিন সংশ্লেষণ করে। 🧬
  4. পিত্ত উৎপাদন: পিত্ত (bile) উৎপাদনের পর তা সাইনাসয়েডের মাধ্যমে পিত্তনালীতে (bile ducts) যায়। 💚

সাইনাসয়েডের গঠন: 🧱

সাইনাসয়েডের গঠন বেশ জটিল। এটি এন্ডোথেলিয়াল কোষ (endothelial cells), কুপফার কোষ এবং যকৃতের কোষ (hepatocytes) দিয়ে গঠিত।

উপাদান কাজ
এন্ডোথেলিয়াল কোষ সাইনাসয়েডের দেয়াল গঠন করে এবং প্রবেশযোগ্যতা নিয়ন্ত্রণ করে।
কুপফার কোষ ক্ষতিকর পদার্থ অপসারণ করে এবং রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
হেপাটোসাইট পুষ্টি শোষণ, প্রোটিন সংশ্লেষণ এবং পিত্ত উৎপাদনে সাহায্য করে।

গুরুত্ব: 🌟

সাইনাসয়েড যকৃতের স্বাভাবিক কাজকর্মের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর গঠন বা কার্যাবলীতে কোনো সমস্যা হলে যকৃতের রোগ হতে পারে।

  • যকৃতের রোগ নির্ণয়ে সাইনাসয়েডের গঠন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।
  • বিভিন্ন ওষুধ এবং টক্সিনের প্রভাব সাইনাসয়েডের মাধ্যমে যকৃতে ছড়ায়।

পরিশেষে, সাইনাসয়েড যকৃতের একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান, যা এর গঠন, কার্যাবলী এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সহ সবকিছুতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 👍

```
Option A Explanation:
  • অঙ্গের নাম: ক্ষুদ্রান্ত (Small Intestine)
  • অঙ্গের কার্যাবলী: পচনপ্রক্রিয়া ও পুষ্টি শোষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • অঙ্গের অবস্থান: পাচনতন্ত্রের মধ্যে অবস্থিত, পাকস্থলীর পর ও বৃহদান্তের পূর্বে।
  • অঙ্গের গঠন: তিনটি অংশে বিভক্ত: ডুডেনাম, জেজুনাম, ও ইলিয়াম।
  • অঙ্গের গৌণ ফিচার: অঙ্গের ভিতরে মাইক্রো ভিলি ও মাইক্রো ফিলামেন্ট থাকায় শোষণ কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
Option B Explanation:
  • পাকস্থলি: সাধারণত ইনসুলিন নিঃসৃত হয় না।
  • অর্থাৎ, পাকস্থলির মধ্যে ইনসুলিনের উৎপাদন বা নিঃসরণ ঘটে না।
  • ইনসুলিন মূলত অগ্নাশয় থেকে নিঃসৃত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
Option C Explanation:
  • যকৃত হলো শরীরের প্রধান অঙ্গগুলোর একটি যা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্য সম্পাদন করে।
  • এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • যকৃত গ্লুকোজের সংরক্ষণ ও মুক্তির মাধ্যমে রক্তে গ্লুকোজের স্তর স্থিতিশীল রাখে।
  • গ্লুকোজের মান কমে গেলে এটি গ্লাইকোজেনের রূপে সংরক্ষণ করে এবং প্রয়োজন হলে সেটি মুক্ত করে রক্তে সরবরাহ করে।
  • এছাড়াও, যকৃতি বিভিন্ন হরমোনের মাধ্যমে গ্লুকোজের উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
Option D Explanation:
  • বৃক্ক: বৃক্ক বা কিডনি মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা রক্ত থেকে অপ্রয়োজনীয় ও বিষাক্ত পদার্থ, যেমন ইউরিয়া, শোষণ করে ফেলে এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়।