'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কার চোখে আজ
আলোচিত ঢাকা?
A.
রফিকের
B.
জব্বারের
C.
বরকতের
D.
সালামের
সঠিক উত্তরঃ
D.
সালামের
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- শামসুর রাহমান রচিত কাব্যগ্রন্হ কোনটি?
- শামসুর রাহমান রচিত 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় 'মানবিক বাগান' বলতে কী বুঝিয়েছেন?
- ব্রিটিশ শাসনামলে ইংরেজরা এদেশের চাষিদের দিয়ে জোর করে নীল চাষ করাত। চাষিদেরকে নামেমাত্র দাদন দিয়ে নীল চাষ করানো হতো। নীল চাষে বাধ্য হওয়ায় চাষিরা তাদের প্রয়োজনীয় শস্য যেমন- ধান, পাট, সরিষা ইত্যাদি উৎপাদন করতে পারতেন না। নীল চাষ করতে অপারগ হলে চাষিদের ওপর নেমে আসত নির্মম অত্যাচার। এ কারণে গড়ে ওঠে নীল বিদ্রোহ। নদীয়ার বিষ্ণুচরণ ও পাবনার কাদের মোল্লার মতো অসংখ্য মানুষ কৃষক আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ধীরে ধীরে এ আন্দোলন সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে।উদ্দীপকে বিষ্ণু ও কাদের মোল্লা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কাদের কথা স্মরণ করিয়ে দেন? এ সাদৃশ্যের কারণ ব্যাখ্যা করো।
- 'কমলবন' শব্দটিকে কবি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কী হিসেবে ব্যবহার করেছেন?
- "ওরা কারা বুনোদল ঢোকেঅস্ত্র হাতে নামে সান্ত্রী কাপুরুষকোটি মানুষের সমবায়ী সভ্যতার ভাষা এরা রদ করবেভাবে?”উদ্দীপকের 'বুনোদল', “ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯” কবিতায়কাদের প্রতিনিধি?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা সালামের হাতে কীসেরমতো বর্ণমালা ঝরে?
- ক-অংশযুবকের বুকে নিয়ে বুলেটের অংশপড়িল মাটির 'পরেফোঁটায় ফোঁটায় লহুধারারাজপথে বিছাইল রক্ত জবা ফুল।শেষ নিশ্বাসের আগে তারাগেয়ে গেল রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই।খ-অংশতোমাদের রক্তঝণ, অম্লান আহুতিবেঁকে যাওয়া আমাদের মেরুদণ্ড টান টান সোজা করে উদ্যত দাঁড়াতে।দরকারি ক্রোধ, প্রেম প্রকাশ, শক্তি দেয়।উদ্দীপকের ক-অংশ দ্বারা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণিত কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?- আলোচনা করো।
- সালামের চোখ আজ কী?
- থরে থরে কৃষ্ণচূড়া কোথায় ফুটেছে?
- একা হেঁটে যেতে যেতে মনে হয় ফুল নয়, ওরা' এখানে কোন ফুলের কথা রোঝানো হয়েছে-
- একুশ মানে চেতনায় শানিত ধারাএকুশ মানে মাথা নত না করা ।উদ্দীপকের ভাবের মিল পাওয়া যায় নিচের কোনচরণে ?
- কবিভক্ত কবির কাছে কী শুনতে চেয়েছেন?
- "ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯" কবিতায় শামসুর রাহমান বর্ণমালাকে কিসের প্রতীক হিসেবে তুলনা করেছে-
- বায়ান্নর একদিন জেগেছিলো সব। আবার আসেনি কি মহাজাগরণসমহান একাত্তরে?ইতিহাসের প্রগতি রুদ্ধ করে শক্তি আছে কারমানুষের অগ্রযাত্রা বন্ধ করে শক্তি আছে কার।'ইতিহাসের প্রগতি রুদ্ধ করে শক্তি আছে কার' উদ্দীপকের এই উক্তিটিই 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মূলভাব- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- সুন্দর সকাল। কূজনে মুখরিত চারপাশ। আকাশটা যেন আজ ধুপছায়া শাড়িতে নিজেকে জড়িয়েছে। এমনি মনোরম নৈসর্গিক নান্দনিকতা ভেদ করে চিৎকার করে উঠল ভিনদেশি যন্ত্রদানব। ছুটল গুলি! ঝরল রক্ত! বিনিময়ে বায়ান্নতে আমরা পেলাম কথা বলবার অধিকার। চুয়ান্ন, ছেষট্টি, 'উনসত্তর পেরিয়ে একান্তরে আমরা পেলাম লাল-সবুজের পতাকা, পবিত্র মানচিত্র আর প্রিয় স্বদেশ।উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সঙ্গে কোন কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ- তুলে ধরো।
- "শাবাশ বাংলাদেশএ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়জ্বলে পুড়ে মরে ছারখারতবু মাথা নোয়াবার নয়।""উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মর্মবাণীকে পুরোপুরি ধারণ করে না"- মন্তব্যটি নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা করো।
- বাঙালি চেতনার বীজ অঙ্কুরিত হয়েছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। বাঙালির স্বাধিকার অর্জনের পরবর্তী সব আন্দোলন ও চেতনা থেকে প্রেরণা পেয়েছে।উদ্দীপকে বর্ণিত ভাষা আন্দোলন 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণিত কোন আন্দোলনকে প্রেরণা জুগিয়েছিল?
- কোন ভাষা শহীদের হাত থেকে 'নক্ষত্রের মতো ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা'?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখ রয়েছে?
- ' উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ' কাব্যগ্রন্থটি কার রচন?