”বিধ্বস্তনীলিমা” কাব রচনা ?
A. বুন্ধুদেব বসু
B. শামসুর রাহমান
C. উৎপল দত্ত
D. সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তরঃ
B.
শামসুর রাহমান
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ওরা চল্লিশজন কিংবা আরও বেশিযারা প্রাণ দিয়েছে ওখানে-রমনার রৌদ্রদগ্ধকৃষ্ণচূড়ার গাছের তলায়,ভাষার জন্য, মাতৃভাষার জন্য-বাংলার জন্যযারা প্রাণ দিয়েছে ওখানেএকটি দেশের মহান সংস্কৃতির মর্যাদার জন্য।"উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সম্পূর্ণ ভাবকে ধারণ করতে পারেনি।"- আলোচনা করো।
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় একুশের কৃষ্ণচূড়াকেআমাদের কীসের রং বলা হয়েছে?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া?
- 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কলেজের 'যেমন খুশিতেমন সাজ' অনুষ্ঠানে সজীব সেজেছে ভাস্কর্যরূপে তারসমস্ত শরীরে জড়ানো বাংলা বর্ণমালা।' কবিতায় বর্ণিত ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে বলা যায়-- তিনি ভাষাশহিদ তার চোখে আলোচিত ঢাকাতিনি রাজপথে নেমে এসেছেননিচের কোনটি সঠিক?
- 'একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং'- ব্যাখ্যা করো।
- "অন্তহীন মিছিলের দেশ,সারি সারি মানুষের আকারে হলে মূর্তিময়ীসমস্ত স্বদেশ আজ রাঙা রাজপথে।দিবালোক হয়ে ফোটে প্রাঞ্জল বিপ্লবসাত কোটি মুখ হাসে মৃত্যুর রঙিন তীর হাতে নিয়ে।শ্রেণিবদ্ধ এই ভিড়ে সকলেই সবার আগেএকবার শত্রুকে শেষ দেখা দেখে নিতে চায়।"উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে দিকটিকে আলোকপাত করে তা তুলে ধর।
- 'সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ,'- বুঝিয়ে দাও।
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণমালাকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- 'তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা' কার রচনা?
- 'যখন শকুন নেমে আসে এই সোনার বাংলায়' -চরণটিতে বাংলার কোন সংগ্রামের চেতনাকে উন্মোচনকরা হয়েছে?
- সুন্দর সকাল। কূজনে মুখরিত চারপাশ। আকাশটা যেন আজ ধুপছায়া শাড়িতে নিজেকে জড়িয়েছে। এমনি মনোরম নৈসর্গিক নান্দনিকতা ভেদ করে চিৎকার করে উঠল ভিনদেশি যন্ত্রদানব। ছুটল গুলি! ঝরল রক্ত! বিনিময়ে বায়ান্নতে আমরা পেলাম কথা বলবার অধিকার। চুয়ান্ন, ছেষট্টি, 'উনসত্তর পেরিয়ে একান্তরে আমরা পেলাম লাল-সবুজের পতাকা, পবিত্র মানচিত্র আর প্রিয় স্বদেশ।উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সঙ্গে কোন কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ- তুলে ধরো।
- 'হরিৎ উপত্যকা' অর্থ কী?
- “ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯" কবিতায় 'রক্তের বুদ্বুদ' বলতে বোঝানো হয়েছে-
- কবি শামসুর রহমান 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় সালামের চোখে কী দেখেছেন?
- “মাগো ওরা বলে,সবা কথা কেড়ে নেবেতোমার কোলে শুয়েগল্প শুনতে দেবে না।'উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোন ভাবপ্রকাশিত হয়েছে?
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখআছে?
- "দেখি নাই যারে, চিনি নাই যারে/শুনি নাই নাম কভু তিনিই আজিকে দেবতা আমার/তিনিই আমার প্রভু!!"উদ্দীপকের ভাববৈশিষ্ট্য 'অনুযায়ী 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় উল্লিখিত 'মানবিক বাগান' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ঊনসত্তরের গণ অভ্যুত্থানে কোন চেতনা কাজ করেছে?
- রেডিওতে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে রূপনগর গ্রামের ছেলে রাসেল ও ফরিদ যুদ্ধে যাবার প্রস্তুতি নেয়। তারা বুঝতে পারে পাকিস্তানিদের দমন করতে না পারলে বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা করা সম্ভব হবে না। মাতৃভূমিকে স্বৈরাচারী শাসকদের কবল থেকে রক্ষার জন্য রাতের আঁধারে তারা পাড়ি জমায় ভারতে। প্রশিক্ষণ নেয়। প্রাণপণে লড়াই করতে করতে দুজনেই মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে শত্রুদের গুলির আঘাতে।উদ্দীপকে উল্লিখিত চরিত্রদ্বয় 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্পভাষ্য- বিশ্লেষণ কর।
- ‘সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ’- “ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯” কবিতার এই চরণে ‘ফুল’ হলো:
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোনো খড়গের।শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন- শস্য করেছি চাষ;একই হাসিমুখে বাজিয়েছি বাঁশি, গলায় পরেছি ফাঁস;উদ্দীপকে বর্ণিত ভাবনার সঙ্গে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার ঐতিহ্য চেতনার সাদৃশ্য নির্ণয় কর।
- ব্রিটিশ শাসনামলে ইংরেজরা এদেশের চাষিদের দিয়ে জোর করে নীল চাষ করাত। চাষিদেরকে নামেমাত্র দাদন দিয়ে নীল চাষ করানো হতো। নীল চাষে বাধ্য হওয়ায় চাষিরা তাদের প্রয়োজনীয় শস্য যেমন- ধান, পাট, সরিষা ইত্যাদি উৎপাদন করতে পারতেন না। নীল চাষ করতে অপারগ হলে চাষিদের ওপর নেমে আসত নির্মম অত্যাচার। এ কারণে গড়ে ওঠে নীল বিদ্রোহ। নদীয়ার বিষ্ণুচরণ ও পাবনার কাদের মোল্লার মতো অসংখ্য মানুষ কৃষক আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ধীরে ধীরে এ আন্দোলন সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে।উদ্দীপকে বিষ্ণু ও কাদের মোল্লা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কাদের কথা স্মরণ করিয়ে দেন? এ সাদৃশ্যের কারণ ব্যাখ্যা করো।
- ঘাতকের থাবার সম্মুখে বুক পাতে কে?
- 'তার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল' কার কবিতার পঙক্তি?
- শহিদের পুণ্য রক্তে সাত কোটিবাঙালির প্রাণের আবেগ আজপুষ্পিত সৌরভ। বাংলার নগর, বন্দরগঞ্জ, বাষট্টি হাজার গ্রামধ্বংসস্তূপ থেকে সাত কোটি ফুলহয়ে ফোটে। প্রাণময় মহৎ কবিতাআর কোথাও দেখি না এর চেয়ে।"উদ্দীপকের ভাবনা ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কবির চেতনা এক সূত্রে গাঁথা”- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- কোন ভাষা শহীদের হাত থেকে 'নক্ষত্রের মতো ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা'?
- কোন গ্রন্থটি শামসুর রহমানের?
- থরে থরে কৃষ্ণচূড়া কোথায় ফুটেছে?
- খোকারা সব জেগে ওঠে আঁতকে ওঠে মা লড়াই লড়াই লড়াই শুরু-শহর পাড়া গাঁ বীরের মত রুখে দাঁড়ায় বিজলি হয়ে ছোটে মারের চোটে বর্গিরা সব ধুলো কাদায় লোটে উদ্দীপকের বর্গিরা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোনটির সাথে সংগতিপূর্ণ?
- কোনটি শামসুর রাহমানের কাব্য?
- কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনার রং, কারণ এতে রয়েছে-
- একুশের কৃষ্ণচূড়াকে কবি কোন রঙের সাথে মেলাতে চান?
- ফ্রেব্রুয়ারি ১৯৬৯ ' কবিতায় কতজন ভাষাশহীদের নাম উল্লেখ আছে?
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়' কাব্যের রচয়িতা কে?
- বায়ান্নর একদিন জেগেছিলো সব। আবার আসেনি কি মহাজাগরণসমহান একাত্তরে?ইতিহাসের প্রগতি রুদ্ধ করে শক্তি আছে কারমানুষের অগ্রযাত্রা বন্ধ করে শক্তি আছে কার।'ইতিহাসের প্রগতি রুদ্ধ করে শক্তি আছে কার' উদ্দীপকের এই উক্তিটিই 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মূলভাব- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- ‘সাম্যবাদী’, ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' ও ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাগুলো যথাক্রমে কোন কোন ছন্দে রচিত?
- 'বাস্তবের, বিশাল চত্বরে, হৃদয়ের হরিৎ উপত্যাকায়'- কী হয়?
- বুকের অধীর ফিনকির ক্ষুরধারশহিদের ক্ষুর লেগেকিশোর তোমার দুই হাতে দুইসূর্য উঠেছে জেগে।উক্ত ভাবটি হলো-আত্মত্যাগআত্মজাগরণআত্ম অহমিকানিচের কোনটি সঠিক?
- কোনটি শামসুর রাহমানের রচনা নয়?
- 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কলেজের 'যেমন খুশিতেমন সাজ' অনুষ্ঠানে সজীব সেজেছে ভাস্কর্যরূপে তারসমস্ত শরীরে জড়ানো বাংলা বর্ণমালা।'উদ্দীপকের ভাস্কর্যটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায়বর্নিত কোন ব্যক্তিকে নির্দেশ করে?