'উঁকি দিয়ে দিগন্ত' কোন ধরনের সাহিত্য?
A. প্রবন্ধের সংকলন
B. আত্নজীবনীমূলক রচনা
C. কাব্যগ্রন্থের নাম
D. মুক্তিযুদ্ধের স্মারকলিপি
সঠিক উত্তরঃ
B.
আত্নজীবনীমূলক রচনা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- “বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি” কোন কবিতার চরণ?
- ‘রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় কবি নিজেরপরিচয় জ্ঞাপন করেছেন-
- 'সেই অস্ত্র উত্তোলিত হলেঅরণ্য হবে আরও সবুজনদী আরও কল্লোলিতপাখিরা নীড়ে ঘুমোবে' এখানে 'সেই অস্ত্র' বলতেবোঝানো হয়েছে—
- 'সেই অস্ত্র' কবিতায় 'ভালোবাসা' কাকে বারবার পরাজিত করে?
- ১৯১০ সালে প্রতিষ??ঠিত বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত জাদুঘরেনানা ধরনের মূল্যবান ভাস্কর্য ও শিলালিপি দেখে সিমি খুববিস্মিত হলো। রাতে সে বাংলার প্রাচীন ও মধ্যযুগেরস্থাপত্য শিল্পের ওপর একটি নিবন্ধ লিখে ফেলল ।জাদুঘর দর্শনের যে উদ্দেশ্যটি সিমির মধ্যে অধিকফলপ্রসূ হয়েছে, তা হলো-
- একটি আংটির মতো তোমাকে পরেছি স্বদেশ আমারকনিষ্ঠ আঙুলে, কখনো উদ্ধত তলোয়ারের মতো দীপ্তমানঘাসের ভিতরে, দেখেছি তোমায় ডোরাকাটা জ্বলজ্বলে রূপজ্যোৎস্নায়।উদ্দীপকে 'আংটির মতো স্বদেশ' আল মাহমুদের'লোক-লোকান্তর' কবিতায় কোন ধরনের তাৎপর্য বহনকরে?
- সাত ভাই চম্পা কবিতাটির রচয়িতা-
- "চোর দোষী বটে, কিন্তু কৃপণ ধনী তদপেক্ষা শতগুণ দোষী।"- এ কথার তাৎপর্য কী?
- "মানব-বন্দনা" কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত
- বাল্মীকির পরিচয় কী?
- “যেথা পাই ______ বর্ণনার বাণী” - ‘ঐকতান’ কবিতার এ পংক্তিতে শূন্যস্থানে কী হবে?
- হৈমন্তীর ষোল বছর বয়সটি ছিল -
- ব্রিটিশ শাসনামলে নীলকর সাহেবরা কৃষকদের অগ্রিম টাকা (দাদন) প্রদান করে নীল চাষ করতে বাধ্য করত। নগদ টাকা পেয়ে কৃষকরা কিছুদিন আরাম আয়েশে কাটাত। উৎপাদিত নীল যখন ইংরেজরা অতি স্বল্প মূল্যে নিয়ে যেতো তখন খাদ্যাভাব প্রকট হয়ে উঠত। ক্ষুধায় কাতর মানুষগুলো আর দাদন নেবে না বলে প্রতিজ্ঞা করলেও নগদ টাকার লোভ সামলাতে পারত না। বাধ্য হয়ে তারা অল্প অল্প জমি বিক্রি করত। ক্রমশ জমি কমতে থাকায় অভাব আরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠত। এভাবেই তারা অভাব-চক্রের মাঝে আবর্তিত হত।উদ্দীপকের কৃষকের সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের চাষার যাপিত-জীবনের কতটুকু মিল রয়েছে- আলোচনা কর।
- লক্ষ্মীপেঁচা যার মতো করুন-
- বিড়াল প্রবন্ধের রচয়িতা কে?
- আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের এমএ ক্লাসের ছাত্র। সমাজের কল্যাণ করতে সে পছন্দ করে। একবার তার এলাকায় ব্যাপক বন্যা দেখা দেয়। গ্রামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। খাদ্য আর চিকিৎসার অভাবে সাধারণ মানুষ নানা রকম দুর্ভোগে পড়ে। সাধারণ মানুষের কষ্টে আজিজের প্রাণ কেঁদে উঠে। মানুষের এমন পরিণতি সে মেনে নিতে পারেনি। তাই সে বন্ধুদের নিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়।উদ্দীপকের আজিজের পরোপকারের মাঝে 'বিড়াল' রচনায় প্রতিফলিত দিকটি ব্যাখ্যা কর।
- 'সে জন্মেছে নীল বাংলার ঘাস আর ধানের ভিতর।'—কে জন্মেছে?
- ‘কাঁকর মণি’ নাটকটি কে লিখেছেন?
- মাৎস্যন্যায় (Malsyanayam) বলা হয়-
- স্বল্পপ্রাণ, স্থূলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষে কোনটিপরিপূর্ণ?
- কোন রচনায় খরগোশের গল্পের উল্লেখ আছে?
- বুকের রক্ত দিয়া আমাকে যে একদিন দ্বিতীয় সীতাবিসর্জনের কাহিনী লিখতে হইবে সে কথা কে জানিত ।' এ বাক্যটি কোন প্রবন্ধে লেখায় আছে ?
- নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের প্রবল আকাঙ্ক্ষায় ভয়ভীতি দেখিয়ে, অত্যাচারনির্যাতন করেও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে এলাকাবাসীরসমর্থন পায়নি মির্জা সাহেব; অথচ তারই ছেলে দুঃখে সুখে জনগণেরপাশে থেকে, গ্রামে বিদ্যালয় হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে এখন সকলেরইপ্রিয় ব্যক্তি।'সেই অস্ত্র' কবিতায় প্রত্যাশিত অস্ত্রের উত্তোলনে ওউদ্দীপকে মির্জা সাহেবের ছেলের কর্মকাণ্ডে প্রকাশপেয়েছে— সভ্যতার প্রতিশ্রুতি ইতিবাচক কর্মনিষ্ঠামানুষের সামষ্টিকতানিচের কোনটি সঠিক?
- ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
- তাহার হাসিতে গান, তাহার কান্নায় গান।' 'যৌবনের গান ' প্রবন্ধের এ বাক্যে 'তাহার' বলতে কাকে বুঝানো হয়েছে ?
- ??দী, মাঠ, কৃষক, লতা, পাখি, গনি মিয়া ও আসমানিকেনিয়ে কল্পনা ও স্বপ্নের মাধুরী দিয়ে চিত্ররূপময় কবিতাউপহার দিয়েছেন জসীমউদ্দীন। গনি মিয়া, আসমানি ওপ্রকৃতিকে নিয়েই জসীমউদ্দীন চিরকাল বেঁচে থাকতেচান। যা কবির কল্পলোকে সম্ভব হলেও বাস্তবে সম্ভব নয়।উদ্দীপকের শেষ অংশ ও 'লোক-লোকান্তর' কবিতায়প্রকাশিত মূল চেতনা—
- রাজা যায় রাজা আসে’ কাব্যগ্রন্থটি কার রচনা?
- আবুল মনসুর আহমদের রচনা কোনটি?
- সুন্দরপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে হালদা নদী। নদী বিধৌত গ্রামটি যেন সবুজ প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর সজীবতা। জাম, জারুল, কড়ই, ডুমুর, শিমুলসহ নানা জাতের গাছ- গাছালি, পাখির কলতান, ফল-ফুলের মাধুর্য, দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠ যেন দৃশ্যমান ছবি।নদীর জলে নানা প্রজাতির মাছ ও দুকূলে হরেক রকমের লতা-গুল্মের সমাহার।উদ্দীপকে 'দৃশ্যমান ছবি' 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার কোন প্রসঙ্গের সাথে, কোন বিবেচনায় তুলনীয়?
- শাক্যমুনি কে?
- এই পদ্মা এই মেঘনা, এই হাজার নদীর অববাহিকায়এখানে রমণীগুলো নদীর মতো, নদী ও নারীর মতো কথা কয়।এই অবারিত সবুজের প্রান্ত ছুঁয়েনির্ভয়ে নীলাকাশ রয়েছে নুয়ে।যেন হৃদয়ের ভালোবাসা হৃদয়ে ফোটেআনন্দ বেদনায় মিলন বিরহ সংকটে।'উদ্দীপকটি সমগ্র কবিতার মূলভাব ধারণ করেনি'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ’কবর’ কবিতায় বৃদ্ধ কাকে ‘ঘুম-ভোলা মোর যাদু’ বলেছেন?
- আব্দুল গাফ্ফার গ্রামের আদর্শ কৃষক। দু-চার গাঁয়ের মানুষ তাকে এক নামে চেনে। সে সমন্বিত পদ্ধতিতে চাষ করে অল্প স্থানে অধিক উৎপাদনের নজির স্থাপন করে কৃষিক্ষেত্রে বৈপ্লবিক সাফল্য অর্জন করে। সরকারি-বেসরকারি পুরস্কারও পায়। সরকারি ব্যবস্থাপনায় বিদেশ ভ্রমণে গিয়ে দেখেন সেখানে শীতকালীন ফসল ফলানো হচ্ছে গ্রীষ্মকালে। তিনি উপলব্ধি করেন যে কৃষির অনেক কিছু জানলেও তিনি সবকিছু জানেন না।উদ্দীপকের আব্দুল গাফফার ও 'ঐকতান' কবিতার কবির উপলব্ধি একই- ব্যাখ্যা করো।
- সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের জন্মস্থান কোথায়?
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পে কাকে প্রাণিজগতে পিছিয়েপড়া প্রাণী বলা হয়েছে?
- 'সকল অমঙ্গল থেকে পরিত্রাণের পথ বাতলে দেয়।'-
- ’দুর্ভাগা ওদের; সবে ভরা কলসী কাঁখে আর্দ্র বস্ত্রে নদীর ভাঙ্গুনতি ভেঙ্গে ওপরে উঠে বাড়ির পথ ধরেছে ঠিক সে সময়টাতেই পাঁচজন যমদূতের চোখে পড়ে ওরা - মা মেয়ে।’ এ যমদূত কারা?
- ‘প্রেম একটি লাল গােলাপ’ উপন্যাসের লেখক কে?
- "গাহি সাম্যের গান-মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়াননাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্ম জাতি,সব দেশে, সব কালে, ঘরে ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি।""সাম্যবাদী' কবিতার মূলভাবের সাথে উদ্দীপকে প্রকাশিত ভাব হৃদয়ে লালন করে আমরা সুখী- সমৃদ্ধ সম্প্রীতির সমাজ গড়তে পারব।"- তোমার মতামত তুলে ধরো।
- কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে। পাতাগুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ। কচি ডালগুলো ভেঙে চিবোয় কত লোক..... দাঁত ভাল থাকে। কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কাটে না, কিন্তু যত্নও করে না। হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এল। মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইল নিমগাছের দিকে। ছাল তুললে না, পাতা ছিঁড়লে না, ডাল ভাঙলে না, মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইলে শুধু।উদ্দীপকের নিমগাছটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের ক্ষেত্রে কতটা প্রাসঙ্গিক আলোচনা করো।