কোন পরজীবীটি মানুষের দেহে ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে না?
SylaUজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবম্যালেরিয়া পরজীবী (Topic Practice)SylaU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
Plasmodium cynomolgi
Explanation:

Another Explanation (5):
ম্যালেরিয়া সৃষ্টিকারী পরজীবী নয়: প্লাজমোডিয়াম সায়নোমলগি
ম্যালেরিয়া একটি মারাত্মক রোগ যা প্লাজমোডিয়াম (Plasmodium) গণের পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট। এই পরজীবী স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার মাধ্যমে মানুষের দেহে প্রবেশ করে। ম্যালেরিয়ার জন্য মূলত পাঁচ ধরনের প্লাজমোডিয়াম প্রজাতি দায়ী:
- প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম (Plasmodium falciparum) 💀
- প্লাজমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স (Plasmodium vivax)🤕
- প্লাজমোডিয়াম ম্যালেরি (Plasmodium malariae) 🤒
- প্লাজমোডিয়াম ওভালি (Plasmodium ovale) 🤧
- প্লাজমোডিয়াম নলেসি (Plasmodium knowlesi) 🥶
তবে, প্লাজমোডিয়াম সায়নোমলগি (Plasmodium cynomolgi) বানরের ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে। এটি সাধারণত মানুষের দেহে ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে না।🐒🚫
প্লাজমোডিয়াম প্রজাতি এবং তাদের প্রভাব: একটি টেবিল
| প্লাজমোডিয়াম প্রজাতি | সাধারণ প্রভাব | মানুষের ম্যালেরিয়া ঘটায়? | অন্যান্য তথ্য |
|---|---|---|---|
| প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম | সবচেয়ে মারাত্মক ম্যালেরিয়া, মস্তিষ্কে সংক্রমণ করতে পারে। | ✅ হ্যাঁ | আফ্রিকা মহাদেশে বেশি দেখা যায়।🌍 |
| প্লাজমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স | দ্বিতীয় সর্বাধিক распространен, সুপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে। | ✅ হ্যাঁ | এশিয়া ও ল্যাটিন আমেরিকাতে বেশি দেখা যায়।🌏 |
| প্লাজমোডিয়াম ম্যালেরি | দীর্ঘমেয়াদী সংক্রমণ ঘটায়। | ✅ হ্যাঁ | এটি কম ক্ষতিকর। |
| প্লাজমোডিয়াম ওভালি | কম ক্ষতিকর ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে। | ✅ হ্যাঁ | পশ্চিম আফ্রিকাতে বেশি দেখা যায়। |
| প্লাজমোডিয়াম নলেসি | জটিলতা তৈরি করতে পারে। | ✅ হ্যাঁ | দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে দেখা যায়। |
| প্লাজমোডিয়াম সায়নোমলগি | বানরের ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে। | ❌ না | গবেষণাগারে ম্যালেরিয়া নিয়ে গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়।🔬 |
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
- ম্যালেরিয়া একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ। 🛡️
- সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা জীবন বাঁচাতে পারে। 🏥
- মশা তাড়ানোর জন্য মশারী ব্যবহার করুন। 🛌
- আপনার চারপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। 🧹
আরও তথ্যের জন্য, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) ওয়েবসাইট দেখুন। 🌐
আশা করি এই তথ্য আপনার কাজে লাগবে! 👍
Option A Explanation:
- প্রকার: প্রোটোজোয়া (Protozoan)
- অবস্থান: মূলত বানর ও অন্যান্য প্রাইমেটের মধ্যে পাওয়া যায়।
- মানুষের দেহে: সাধারণত এটি মানুষের দেহে ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে না।
- প্রজনন: স্পোরোজোয়াইট ও গ্যামেটোসাইটের মাধ্যমে হয়।
- সংক্রমণের উৎস: বানরের রক্তের মধ্যে এটি পাওয়া যায় ও কিছু ক্ষেত্রে মানুষের সংস্পর্শে আসে, তবে সাধারণত রোগ সৃষ্টি করে না।
Option B Explanation:
- Plasmodium ovale একটি প্রোটজোয়া পরজীবী যা সাধারণত মানুষের দেহে ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে না।
- এটি মূলত অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- এটি মানুষের দেহে ইনফেকশন ঘটাতে সক্ষম হলেও, সাধারণত এটি খুব কম ক্ষেত্রে দেখা যায় এবং খুব বেশি গুরুতর রোগ সৃষ্টি করে না।
- ইনফেকশন হলে এর লক্ষণগুলি সাধারণত হালকা হয় এবং চিকিত্সার মাধ্যমে সহজে নিরাময় হয়।
- অন্য সাধারণ ম্যালেরিয়া পরজীবীদের মতো, এটি রক্তের লোহিত কণিকা আক্রমণ করে না বা মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করে না।
Option C Explanation:
- প্রকার: একপ্রকার পরজীবী (প্রোটোজোয়া)
- অবস্থান: মানবদেহে ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী
- বিশেষত্ব: এই পরজীবীটি সবচেয়ে গুরুতর ও মারাত্মক ধরনের ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে।
- সংক্রমণের মাধ্যম: ইঁদুর বা মাছি (Anopheles mosquito) এর মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমিত হয়।
- প্রজনন ও জীবনচক্র: মানুষের রক্তে বাস করে এবং লিভার কোষে প্রজনন করে।
- উপসর্গ: জ্বর, কাঁপুনি, মাথা ব্যথা, শরীরের দুর্বলতা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
- বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই পরজীবীটি অন্যান্য প্রজাতির তুলনায় বেশি মারাত্মক এবং দ্রুত সংক্রমণ ঘটায়।
Option D Explanation:
- নাম: Plasmodium malariae
- প্রকার: পরজীবী প্রোটোজোয়া (প্রোটোজোয়া পরজীবী)
- সংক্রান্ত রোগ: মালেরিয়া (Malaria)
- প্রভাব: রক্তের লোহিত রক্তকণিকা আক্রান্ত করে, জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা, অস্থিরতা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়
- প্রজনন: মানসিক মধ্যবর্তী পরজীবী (অ্যামাইবোসিস বা অন্য কিছু নয়, বরং মালেরিয়ার জন্য প্রজনন করে)
- আবাস: মানবদেহের রক্তপ্রবাহে থাকে এবং এদের মাধ্যমে রোগ ছড়ায়
- সংক্রমণ পদ্ধতি: এঁড়ে বা মাছি দ্বারা সংক্রমিত হয়, যখন তারা আক্রান্ত রক্তের সাথে যোগাযোগ করে