নাট্যকার সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক 'কীত্তনখোলা।' এ নাটকের চরিত্র হিসেবে পাই কৃষক, খুদে ব্যবসায়ী, যাত্রাপালার কলা-কুশলীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। এরা সকলেই সমাজের নিম্ন-মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধি। এসব মানুষের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার আড়ালে জীবনের যে অপ্রাপ্তি আর স্বপ্নভঙ্গের বেদনা তারই বিশ্বস্ত চিত্র উপস্থাপন। করেছেন নাট্যকার। নাটকে প্রাধান্য পেয়েছে চরিত্রগুলোর সচেতন ও অবচেতন মনের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো। 'কীত্তনখোলা' হয়ে উঠেছে প্রান্তিক মানুষের কৃত্রিম-অকৃত্রিম আচরণের ধারা বর্ণনা।
"উদ্দীপকে বিধৃত 'কীত্তনখোলা' নাটকে নাট্যকারের যে কীর্তি তা-ই অন্বিষ্ট ছিল 'ঐকতান' কবিতার কবির।"- আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- বিড়াল কমলাকান্তকে কতদিন উপোস করতে বলেছে?
- 'মৃত্যুক্ষুধা' কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের গ্রন্থ?
- বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর কখন ও কীভাবে গড়ে ওঠে?
- কোনটি ‘পদ্মা নদীর মাঝি’র চরিত্র?
- ‘চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে কোন অঞ্চলের প্রসঙ্গ অধিক গুরুত্ব পেয়েছে?
- প্রাচীনকালে কোনো এক রাজ্যে নাকি মানুষ গাছপালা কেটে উজাড় করে দিত। রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা মানুষের এ ধরনের অবিবেচনা-প্রসূত নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে উদবিগ্ন হয়ে পড়েন। সবুজ নিধনের এই ভয়ংকর বাজে অভ্যাস বন্ধে তখন দেশে এক কঠোর আইন প্রণীত হয়। এ আইনে ব্যক্তিগত গাছসহ যেকোনো ধরনের গাছপালা কাটার ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। বর্তমান সময়ে পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সবুজ বৃক্ষরাজি সংরক্ষণের আন্দোলন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু, মানুষের গাছপালা নিধনের প্রবণতা এখনো রয়েই গেছে।উদ্দীপকের সঙ্গে 'সেই অস্ত্র' কবিতার কোন প্রসঙ্গটির সাদৃশ্য রয়েছে এবং কীভাবে?
- সক্রেটিস ছিলেন বিশ্বখ্যাত দার্শনিক। তাঁর প্রচারিত'নিজেকে জানো' বক্তব্যটি সারা বিশ্বে আলোড়ন তুলেছে।তাঁর আপন সত্তাকে চেনার দর্শন আজও অমলিন।. উদ্দীপকের 'নিজেকে জানো' বক্তব্যটির সঙ্গে‘সাম্যবাদী' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিক কোনটি?
- 'অনবরত ধেয়ে চলা মানুষের সাধনা হওয়া উচিত নয়'- বুঝিয়ে দাও।
- কোন রচনাটি সামাজিক -রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত নয়-
- "চাষার দুক্ষু" প্রবন্ধে কোন অঞ্চলের প্রসঙ্গ অধিক গুরুত্ব পেয়েছে?
- "এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে" কবিতায় সন্ধ্যার বাতাসে কি উড়ে যায়?
- 'পাখিরা নীড়ে ঘুমোবে।'— 'সেই অস্ত্র' কবিতারএই চরণ দ্বারা যে বিষয়টি প্রকাশিত তা হলো—
- গৌরী শৃংঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার উল্লেখ আছে যে রচনায়?
- মাভৈঃ! মাভৈঃ এতদিনে বুঝি জাগিল ভারতপ্রাণ,সজীব হইয়া উঠিয়াছে আজ শ্মশান-গোরস্থান।ছিল যারা চির মরণ আহত,উঠিয়াছে জাগি ব্যথা জাগ্রত,'খালেদ' আবার ধরিয়াছে অসি, 'অর্জুন' ছোঁড়ে বাণ। জেগেছে ভারত ধরিয়াছে লাঠি হিন্দু-মুসলমান।………………………………………………………………………………………………প্রভাতে হবে না ভায়ে ভায়ে রণ, চিনিবে শত্রু, চিনিবে স্বজন।উদ্দীপকের খালেদ ও অর্জুনের বর্ণনা পাঠ্যপুস্তকের 'সাম্যবাদী' কবিতার কোন কোন প্রসঙ্গের কথা মনে করিয়ে দেয়? কেন?
- “সেইখানে শঙ্খচিল পানের বনের মত হাওয়ায় চঞ্চল” কোন কবিতার পঙক্তি?
- 'নক্ষত্রখচিত আকাশ থেকে আগুন ঝরবে না'- বিষয়টি বুঝিয়ে দাও।
- কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে। পাতাগুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ। কচি ডালগুলো ভেঙে চিবোয় কত লোক..... দাঁত ভাল থাকে। কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কাটে না, কিন্তু যত্নও করে না। হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এল। মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইল নিমগাছের দিকে। ছাল তুললে না, পাতা ছিঁড়লে না, ডাল ভাঙলে না, মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইলে শুধু।উদ্দীপকের নিমগাছটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের ক্ষেত্রে কতটা প্রাসঙ্গিক আলোচনা করো।
- ' হৈমন্তী চুপ করিয়া রহিল' - বাক্যটির জটিল রূপ কি ?
- কোনটি ইসমাইল হোসেন সিরাজীর রচনা নয়-
- জীবনানন্দ দাশকে 'নির্জনতম কবি' বলে আখ্যায়িতকরেছেন—