‘রক্তদানের পুণ্য' বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
A.
তারুণ্যের অগ্রগতি
B.
বিপদ মোকাবিলার ঝুঁকি
C.
মুক্তি ও কল্যাণের সংগ্রাম
D.
স্বাধীনভাবে চলার ঝুঁকি
সঠিক উত্তরঃ
C.
মুক্তি ও কল্যাণের সংগ্রাম
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- আমরা নূতন যৌবনের দূতআমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভুত।আমরা বেড়াভাঙি।আমরা অশোকবনেররাঙা নেশায় রাঙি।ঝঞ্ঝার বন্ধন ছিন্ন করে দেই-আমরা বিদ্যুৎ।আমরা করি ভুলঅগাধ জলে ঝাঁপ দিয়েযুঝিয়ে পাই কূল।যেখানে ডাক পড়েজীবন মরণ ঝড়েআমরা প্রস্তুত।উদ্দীপকের 'আমরা করি ভুল' পংক্তির সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন বিষয়ের সঙ্গতি রয়েছে? বর্ণনা কর।
- পাড়ার সকলের প্রিয় পল্টু। অদ্ভুত তার চরিত্র। এখনই কারো গাছের ফল চুরি করে খেলো, তো পরক্ষণেই শীতার্তকে নিজের গায়ের জামা খুলে দিয়ে দিলো। কখনো গৃহস্থের গরুর গলার রশি খুলে দিয়ে মজা করছে, কখনো মহিলাদের আড্ডায় রাবারের সাপ ছেড়ে দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে, কখনো পথচারীর গায়ে সাইকেল তুলে দিয়ে খিলখিল করে হাসছে। সেই পল্টই আবার প্রতিবেশীর বাড়িতে হামলা করা ডাকাত দলকে একাই রুখে দিতে লড়াই করছে। কারো বাচ্চাটাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, কারো অসুস্থ আত্মীয়কে হাসপাতালে নিতে হবে, কোনো কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার বিয়ের সব ব্যবস্থাপনা করে দিতে হবে, কারো অন্ন-বস্ত্রের সংস্থান করতে হবে—এ সবে পল্টুই সর্বাগ্রে ।'তবু আঠারোর শুনেছি জয় ধ্বনি'-পঙক্তিটির আলোকে উদ্দীপকটিকে মূল্যায়ন করো।
- 'ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর?- প্রলয় নূতন সৃজন-বেদন!আসছে নবীন-জীবন-হারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন!তাই সে এমন কেশে বেশেপ্রলয় বয়েও আসছে হেসে-মধুর হেসে!ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চির-সুন্দর!'"ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চির-সুন্দর!'- এ চরণে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে।" তুমি কী মনে করো? বিশ্লেষণ করো।
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন রবিন স্বৈরাচারী শাসকের নিপীড়ন ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে জীবন যেতে পারে জেনেও সুন্দর আগামীর ভবিষ্যতে এগিয়ে যায়.।উদ্দীপকের রবিনের মনোভাবটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন চরণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই যাহার শক্তি অপরমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ড প্রায়; বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে।"এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'-পাঠ্য কবিতায় এ সুর থাকলেও উদ্দীপকে তা প্রতিধ্বনিত হয়নি।"- যুক্তি দিয়ে বিচার করো।
- রফিক মার্চের উত্তাল সময়ে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসে। গ্রামে এসে সে সমবয়সিদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা যুদ্ধের ট্রেনিং নিতে ভারতে যাবে। পরিবারের উদ্দেশ্যে চিরকুট লিখে সবাই রাতের আঁধারে ঘর ছাড়ে।'তরুণ মানেই দেশমাতৃকার দুঃসময়ের শক্তি।'- মন্তব্যটি উদ্দীপক ও কবিতার আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই যাহার শক্তি অপরমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ড প্রায়; বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে।উদ্দীপকের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্যমূলক আলোচনা করো।
- আঠারো বছর বয়সের ইতিবাচক দিক প্রতিফলিত হয়েছে নিচের কোন চরণে?
- আমি গাই তারি গান-
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- আঠারো বছর বয়স দুঃসহ কেন?
- আঠারো বছর বয়সীদের তাজা প্রাণে কেমন যন্ত্রণারসৃষ্টি হয়?
- আঠারো বছর বয়স' কোন ছন্দে রচিত?
- মালিহা আর নীলা সহপাঠী। দুজনই লেখাপাড়ায় বেশ ভালো। স্কুলজীবন পার হতে না হতেই নীলা মিশে যায় কিছু বখাটে বন্ধুর সাথে। এখানে তার শিক্ষাজীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে। তার নাম শুনলে মেয়েরা আঁতকে ওঠে। অপরদিকে মালিহা কলেজ পেরিয়ে মেডিকেল কলেজে পড়ে। বাংলাদেশের অবহেলিত নারীদের অধিকার আদায়ে সে এখন কাজ করে। আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়। সংগঠিত করে সহপাঠী মেয়ে বন্ধুদের, আর প্রতিজ্ঞা করে জীবন দিয়ে হলেও নারীদের যথাযথ অধিকার প্রতিষ্ঠা করবেই।'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা'-উক্তিটি উদ্দীপকের নীলার ক্ষেত্রে কীভাবে প্রযোজ্য? বুঝিয়ে দাও।
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- "ছাড়পত্র " কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- আঠারো বছর বয়স কীসে বাঁচে?
- 'কিশোর সভা' সুকান্ত ভট্টচার্য সম্পাদিত কোন পত্রিকার অংশ ছিল?
- আঠারো বছর বয়সে অহরহ উঁকি দেয়?
- দেশ ও জাতির কল্যাণে তারুণ্যশক্তি এগিয়ে যায় কেন?
- আকাল কোন ধরনের গ্রন্থ?
- ঋতু প্রিয়জনের মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন। জীবন-জগতের কোনো সৌন্দর্য তাকে আকৃষ্ট করে না। যে চাঁদের আলো দেখে একসময় তার মনে আনন্দে ভরে উঠত, সেই আলো এখন তার কাছে আঁধারের অধিক।ঋতুর মন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন প্রতীককে ধারণ করেছে?
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোথায় ছিল?
- 'একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনার রং' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- 'আঠারো বছর বয়স ' কবিতাটির স্তবকসংখ্যা -
- "আঠারো বছর বয়স" কবিতা কোন ছন্দে রচিত?
- আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর কেন?
- 'আঠারাে বছর বয়স' কবিতার মূলসুর-
- সুকান্ত ভট্টাচার্য আমৃত্যু কোন পত্রিকার সম্পাদকছিলেন?
- করোনা মহামারিতে মানুষ যখন খুব ভীত ও আত্মকেন্দ্রিক জীবন যাপন করছিল বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তিশা তখন ভয়ভীতি ত্যাগ করে অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। করোনা আক্রান্ত মানুষের বাড়িতে ওষুধ ও খাবার নিয়ে গেছে দিন রাত। তিশাকে অনেকেই এসব থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিলেও তিশার কাছে মনে হয়েছে তারুণ্যই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উপযুক্ত সময়। আর এ জন্যই সে সমস্ত সমালোচনা অগ্রাহ্য করে মানবতার সেবায় অংশগ্রহণ করেছে সানন্দে।উদ্দীপকের তিশার সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই-যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যরে মার্তণ্ডপ্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে। তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদায়ী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং ছড়াইতে ছড়াইতে তাহার অন্ত। যৌবন-সূর্য যেথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমির-কুন্তলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি।উদ্দীপকের বক্তব্যের সঙ্গে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্য নির্দেশ করো।
- বাপের বাড়িতে যাইবার কালে কহিত ধরিয়া পা ‘আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান-তলীর গাঁ।’ পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
- মাদক গ্রহণের অপর???ধ মাথায় নিয়ে পুলিশ ভ্যানে উঠে বসল সাজিদ। মা-বাবা, পাড়া- প্রতিবেশী কেউ কল্পনা করতে পারেনি এমন দৃশ্য তাদের দেখতে হবে। শুধু ভালো ছাত্র হিসেবে নয়, তার মতো সাহসী, প্রতিবাদী, পরোপকারী সর্বগুণের অধিকারী একটি ছেলেও খুঁজে পাবে না কেউ। বয়স্করা বলতেন, 'আহা' এমন সোনার টুকরা যদি সবার ঘরে জন্মাত।" কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাজিদের মা বলেন, 'কিছুদিন ধরে অচেনা একটা ছেলে ওর সাথে দেখা করতে আসত। ভাবতে পারিনি এত বড় সর্বনাশ হবে আমার ছেলের।''আহা! এমন সোনার টুকরা যদি সবার ঘরে জন্মাত - 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার শেষ পঙক্তিটির আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'- ব্যাখ্যা করো।
- 'দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'দুর্যোগ হাল, ঠিকমতো রাখা ভার'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- যেন গতিহীন, প্রাণহীন, সৃজনবিরাগী ও অন্ধকারাচ্ছন্ন প্রতিটি প্রাত্যহিক আজ। এ দেশের তরুপসমাজ এক অনিবার্য স্থবিরতায় ক্রমে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। মোবাইল ও মাদক তাদের এই অধঃপাতের প্রধান দুটি কারণ বলে মনে হয়। মানবজীবনে শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য যে আত্মমর্যাদা, ব্যক্তিত্ব, স্বনির্ভরতা, দুরন্ত গতিবেগ, সৃজন, নির্ভীকতা, পরোপকার, অসাম্প্রদায়িকতা, সংস্কৃতিবোধ ও স্বদেশপ্রেম তা থেকে এ দেশের যুবসমাজ নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে। পক্ষান্তরে গেমিং, টিকটক করা বা দেখা, অনলাইন আসক্তি এবং নানা রকম নেশা গ্রহণে তারা এখন ডুবে আছে। আসুন এর থেকে মুক্তির পথ খুঁজি।উদ্দীপকের বর্তমান যুবসমাজ এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- তমাল ও পিয়াল দুই বন্ধু মেধাবী ছাত্র হিসেবে প্রশংসিত হয়েছিল পরিচিতজনের কাছে। কৃতিত্বের সাথে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশের পর তমাল ঢাকা মেডিকেল কলেজে আর পিয়াল রাজধানীর একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। লেখাপড়ার পাশাপাশি তমাল খেলাধুলা, বিতর্ক ইত্যাদিতেও অংশগ্রহণ করে বেশ সুনাম অর্জন করেছে। অন্যদিকে পিয়াল খারাপ বন্ধুদের সংস্পর্শে পড়ে মাদকসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েছে। দুই বন্ধুর জীবন আজ দুটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত।উদ্দীপকের আঠারো বছর বয়সের কোন কোন প্রবণতা ফুটে উঠেছে তা বুঝিয়ে লেখ।
- ফ্যাসিবাদবিরোধী কাব্যগ্রন্থ 'আকাল' সম্পাদনা করেন কে?
- আঠারো বছর বয়সে অহরহ কী উঁকি দেয়?