মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

মেন্ডেল কোন জীব???র উপর গবেষণা করে বংশগতির সূত্র আবিষ্কার করেছিলেন?

A. ড্রসফিলা মাছি
B. গিনিপিগ
C. মটরশুটি উদ্ভিদ
D. ভুট্টা
Poster Download
CVASUজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজিনতত্ত্ব ও বিবর্তনমেন্ডেলের সূত্র ও ব্যতিক্রম (Topic Practice)CVASU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. মটরশুটি উদ্ভিদ
Explanation: ম্যান্ডেল বিপরীত বৈশিষ্ট্য যুক্ত দুই ধরনের মটরশুঁটি গাছ নিয়ে পরীক্ষা করেছিলেন । কারণ ১.মটরশুটি গাছ একবর্ষজীবী । ২.এদের আয়ুষ্কাল স্বল্প । ৩.মটরফুল উভলিঙ্গ হওয়ায় সহজে স্ব পরাগায়ন ঘটে। ৪. মটর ফুল স্বপরাগী হওয়ায় বাইরে থেকে আসা অন্য কোন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সহজে মিশে যেতে পারে না। ফলে বংশ-পরম্পরায় নির্দিষ্ট চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শুদ্ধ সন্তান উৎপাদন সম্ভব হয় । ৫.মটর গাছের সুস্পষ্ট তুলনামূলক বংশগতি বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। এজন্য মটর গাছের বহু প্রকরণ উপস্থিত। ফলে সৃষ্ট বংশধরগুলো উর্বর হয়।
Another Explanation (5):

মেন্ডেলের বংশগতির সূত্র: মটরশুঁটি উদ্ভিদের অবদান 🌱

গ্রেগর জোহান মেন্ডেল, একজন অস্ট্রিয়ান ধর্মযাজক ও বিজ্ঞানী, বংশগতির মৌলিক সূত্রগুলো আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত। তিনি মটরশুঁটি উদ্ভিদ (Pisum sativum) নিয়ে গবেষণা করে এই যুগান্তকারী সূত্রগুলো প্রণয়ন করেন।

মেন্ডেলের মটরশুঁটি নির্বাচন: কারণ 🤔

মেন্ডেল মটরশুঁটি উদ্ভিদকে বেছে নেওয়ার পেছনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল:

  • সহজলভ্যতা: মটরশুঁটি সহজেই পাওয়া যায়। 🛒
  • জীবনচক্র: এদের জীবনচক্র সংক্ষিপ্ত হওয়ায় দ্রুত বংশবৃদ্ধি করা যায়। ⏱️
  • বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতা: মটরশুঁটিতে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য (যেমন - ফুলের রঙ, বীজের আকার) বিদ্যমান। 🌈
  • স্ব-পরাগায়ন: সাধারণত স্ব-পরাগায়ন ঘটে, তাই বিশুদ্ধ বংশ তৈরি করা সহজ। 🌸
  • বিপরীত বৈশিষ্ট্য: মটরশুঁটির মধ্যে অনেক বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান, যা বংশগতির ধারা বুঝতে সাহায্য করে। ↔️

মেন্ডেলের পরীক্ষা: পদ্ধতি 🧪

মেন্ডেল তাঁর গবেষণায় মটরশুঁটির সাতটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্য নিয়ে কাজ করেন। তিনি প্রথমে বিশুদ্ধ বংশ তৈরি করেন এবং তারপর সেগুলোর মধ্যে সংকরায়ণ ঘটান।

  1. বিশুদ্ধ বংশ তৈরি: মেন্ডেল প্রথমে স্ব-পরাগায়নের মাধ্যমে বিশুদ্ধ বংশ তৈরি করেন। 🧬
  2. সংকরায়ণ: এরপর তিনি বিপরীত বৈশিষ্ট্যের মধ্যে পরাগায়ন ঘটান। 💐
  3. ফলাফল পর্যবেক্ষণ: প্রথম বংশ (F1) এবং দ্বিতীয় বংশের (F2) বৈশিষ্ট্যগুলো পর্যবেক্ষণ করেন। 👀
  4. তথ্য বিশ্লেষণ: প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে বংশগতির সূত্র প্রণয়ন করেন। 📊

মেন্ডেলের সূত্রসমূহ: সংক্ষিপ্ত বিবরণ 📝

মেন্ডেল তাঁর গবেষণা থেকে বংশগতির তিনটি মূল সূত্র আবিষ্কার করেন:

  1. পৃথকীকরণ সূত্র (Law of Segregation): জননকোষ সৃষ্টির সময় অ্যাল??লগুলো পরস্পর থেকে আলাদা হয়ে যায়। ✂️
  2. স্বতন্ত্র বিন্যাস সূত্র (Law of Independent Assortment): বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের অ্যালিলগুলো জননকোষে স্বাধীনভাবে বিন্যস্ত হয়। 🔀
  3. প্রকটতার সূত্র (Law of Dominance): বিপরীত বৈশিষ্ট্যের মধ্যে একটি প্রকট (dominant) এবং অন্যটি প্রচ্ছন্ন (recessive) হয়। 👍/👎

ফলাফল: বংশগতিবিদ্যার ভিত্তি 💡

মেন্ডেলের এই গবেষণা বংশগতিবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন করে। তাঁর সূত্রগুলো উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের বংশগতির ধারা বুঝতে আজও ব্যবহৃত হয়। মেন্ডেলকে বংশগতিবিদ্যার জনক বলা হয়। 👨‍🔬

মটরশুঁটি উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য ছকে:

বৈশিষ্ট্য প্রকট রূপ প্রচ্ছন্ন রূপ
ফুলের রঙ বেগুনী 💜 সাদা 🤍
বীজের আকার গোল 🟢 কুঁচকানো wrinkled
বীজের বর্ণ হলুদ 💛 সবুজ 💚
ফলের আকার পূর্ণ inflated সংকীর্ণ constricted
ফলের বর্ণ সবুজ 🌿 হলুদ 🌻
কাণ্ডের দৈর্ঘ্য লম্বা ⬆️ বেঁটে ⬇️
ফুলের অবস্থান কাক্ষিক axial শীর্ষ terminal

মেন্ডেলের অবদান বিজ্ঞান জগতে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। 🙏

Option A Explanation:

ড্রসফিলা মাছি

  • বৈজ্ঞানিক নাম: Drosophila melanogaster
  • প্রকার: মাছির প্রজাতি
  • ব্যবহার: জেনেটিক্স গবেষণায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত
  • কারণ: সহজে প্রজনন হয়, স্বল্প সময়ে প্রজন্ম সৃষ্টি হয়, জেনেটিক বৈচিত্র্য বিশ্লেষণে সুবিধাজনক
  • গবেষণার ক্ষেত্র: বংশগতির সূত্র, জেনেটিক পরিবর্তন, ডি.এন.এ প্রক্রিয়া, জেনেটিক রোগের গবেষণা
  • অন্য বিশেষত্ব: সহজে ল্যাবের মধ্যে পালনযোগ্য, জেনেটিক লাইন তৈরি সহজ
Option B Explanation:
  • গিনিপিগের লিঙ্গ নির্ধারণের পদ্ধতি: গিনিপিগে, লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য XX-XO পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
  • XX-XO পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে, মহিলাদের জন্য দুটি X ক্রোমোজোম (XX) এবং পুরুষদের জন্য একটি X এবং একটি Y ক্রোমোজোম (XO বা XY) থাকে।
  • প্রজনন প্রক্রিয়া: পুরুষের Y ক্রোমোজোমের উপস্থিতি নির্ভর করে সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারিত হয়। যদি Y ক্রোমোজোম থাকে, তবে ছেলে (পুরুষ) হয়; যদি Y না থাকে, তবে মেয়ে (মহিলা) হয়।
  • উপকারিতা: এই পদ্ধতি দ্বারা লিঙ্গ নির্ধারণ সহজে বোঝা যায় এবং ব্যবস্থাপনা করা যায়।
Option C Explanation:
  • প্রকার: উদ্ভিদ
  • বৈশিষ্ট্য: বংশগতির বৈশিষ্ট্য সংক্রান্ত গবেষণার জন্য ব্যবহৃত
  • উপকারিতা: সহজে প্রজনন এবং দ্রুত প্রজনন চক্রের জন্য গবেষণায় সুবিধাজনক
  • অধিক ব্যবহৃত প্রজাতি: মটরশুটি (Pisum sativum)
  • গবেষণার ফলাফল: বংশগতির মৌলিক সূত্র, যেমন বিভাজন ও ডি-অ্যাক্টিভেশন প্রক্রিয়া আবিষ্কার
Option D Explanation:
  • ভুট্টা হলো একটি উদ্ভিদ যা প্রোক্যারিওটিক নয়।
  • এটি একটি উদ্ভিদ, যা ইউক্যারিওটিক কোষ দ্বারা গঠিত।
  • অর্থাৎ, এর কোষের মধ্যে নিউক্লিয়াস এবং অন্যান্য অঙ্গাণু (organelles) উপস্থিত থাকে।
  • প্রোক্যারিওটিক কোষের বৈশিষ্ট্য হলো, এদের মধ্যে নিউক্লিয়াস বা অঙ্গাণু সংযুক্ত থাকে না।
  • ভুট্টা একটি উদ্ভিদ হিসেবে, এটি ইউক্যারিওটিক প্রজাতির।