বৃত্তাকার প্রস্থচ্ছেদের কোনো পরিবাহীর ব্যাসার্ধ অর্ধেক করা হলে, রোধ হবে-
চারগুণ

বৃত্তাকার প্রস্থচ্ছেদের পরিবাহীর রোধ: ব্যাসার্ধের প্রভাব 📏
কোনো পরিবাহীর রোধ তার উপাদানেরResistivity (ρ), দৈর্ঘ্য (L) এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের (A) উপর নির্ভর করে। এদের মধ্যে সম্পর্কটি হলো:
R = ρL/A
এখানে:
- R = রোধ (Resistance) 💡
- ρ = উপাদানের আপেক্ষিক রোধ (Resistivity) 🧪
- L = পরিবাহীর দৈর্ঘ্য (Length) 📏
- A = প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল (Area) 📐
ব্যাসার্ধের পরিবর্তনের সাথে রোধের সম্পর্ক 🤔
বৃত্তাকার প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রে, ক্ষেত্রফল (A) = πr2, যেখানে r হলো ব্যাসার্ধ। সুতরাং, রোধের সূত্রটি দাঁড়ায়:
R = ρL/(πr2)
এখন, যদি ব্যাসার্ধ অর্ধেক (r/2) করা হয়, তাহলে নতুন ক্ষেত্রফল হবে:
A' = π(r/2)2 = πr2/4
এবং নতুন রোধ হবে:
R' = ρL/A' = ρL/(πr2/4) = 4ρL/(πr2) = 4R
সুতরাং, ব্যাসার্ধ অর্ধেক করা হলে রোধ চারগুণ ⬆️ হয়ে যাবে।
বিষয়টি একটি উদাহরণের সাহায্যে বোঝা যাক: 💡
ধরা যাক, একটি তারের আদি ব্যাসার্ধ 2mm এবং রোধ 10Ω। যদি ব্যাসার্ধ কমিয়ে 1mm করা হয়, তাহলে রোধ কত হবে?
| প্যারামিটার | আদি অবস্থা | পরিবর্তিত অবস্থা |
|---|---|---|
| ব্যাসার্ধ (r) | 2mm | 1mm (আধা) |
| ক্ষেত্রফল (A) | π(2mm)2 = 4π mm2 | π(1mm)2 = π mm2 |
| রোধ (R) | 10Ω | ? |
যেহেতু রোধ ক্ষেত্রফলের ব্যস্তানুপাতিক, তাই ক্ষেত্রফল এক-চতুর্থাংশ হলে রোধ চারগুণ হবে। সুতরাং, নতুন রোধ হবে 10Ω * 4 = 40Ω।
সারসংক্ষেপ 📝
- রোধ পরিবাহীর দৈর্ঘ্য এবং আপেক্ষিক রোধের সাথে সরাসরি সমানুপাতিক।
- রোধ প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের সাথে ব্যস্তানুপাতিক।
- বৃত্তাকার প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রে, রোধ ব্যাসার্ধের বর্গের সাথে ব্যস্তানুপাতিক।
- ব্যাসার্ধ অর্ধেক করা হলে রোধ চারগুণ হয়ে যায়। 💯
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি বোধগম্য হয়েছে! 😊🙏
আরও কিছু ইমোজি:
⚡🔥💥✨💫🌃