জিকা ভাইরাস মানুষের দেহে সংক্রমিত হয় কোন বাহকের মাধ্যমে?
Dentalজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবভাইরাসঘটিত রোগসমূহ (Topic Practice)Dental - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
এডিস মশকী
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
জিকা ভাইরাস সংক্রমণ: এডিস মশা 🦟 এর ভূমিকা
জিকা ভাইরাস একটি মশাবাহিত রোগ। এটি মূলত এডিস মশা দ্বারা ছড়ায়। এই মশাগুলো ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া এবং ইয়েলো ফিভারও ছড়াতে পারে। জিকা ভাইরাস সংক্রমণের ফলে জ্বর, র্যাশ, জয়েন্টে ব্যথা এবং চোখ লাল হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। গর্ভবতী মহিলাদের জন্য এই ভাইরাস মারাত্মক হতে পারে, কারণ এটি শিশুদের মধ্যে মাইক্রোসেফালি (ছোট মাথা) নামক জন্মগত ত্রুটি সৃষ্টি করতে পারে। 👶
এডিস মশা: জিকা ভাইরাসের প্রধান বাহক 🦟
- বৈশিষ্ট্য: এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। এদের পায়ে সাদা-কালো ডোরাকাটা দাগ থাকে। 🦓
- বিস্তার: এরা সাধারণত বাড়ির আশেপাশে জমে থাকা পানিতে ডিম পাড়ে, যেমন - ফুলের টবে, টায়ারে, বালতিতে ইত্যাদি। 💐
- জীবনচক্র: এডিস মশার জীবনচক্রে চারটি পর্যায় বিদ্যমান: ডিম, লার্ভা, পিউপা এবং পূর্ণাঙ্গ মশা। 🥚🐛
জিকা ভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণসমূহ 🤒
- জ্বর 🌡️
- র্যাশ (skin rash)
- জয়েন্টে ব্যথা 🤕
- চোখ লাল হওয়া (conjunctivitis) 👁️
- মাথাব্যথা 🤯
- মাংসপেশীতে ব্যথা 💪
জিকা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় 🛡️
- মশার কামড় থেকে বাঁচতে লম্বা হাতাযুক্ত পোশাক পরিধান করুন। 👕
- মশা তাড়ানোর স্প্রে ব্যবহার করুন। 🧴
- ঘর এবং আশেপাশে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন, যাতে মশা ডিম পাড়তে না পারে। 🧹
- জমে থাকা পানি সরিয়ে ফেলুন। 💧
- জানালা এবং দরজায় মশার জাল ব্যবহার করুন। 🚪
জিকা ভাইরাস এবং গর্ভাবস্থা 🤰
গর্ভবতী মহিল??দের জন্য জিকা ভাইরাস একটি উদ্বেগের কারণ। এই ভাইরাস শিশুদের মধ্যে মাইক্রোসেফালি (Microcephaly) নামক জন্মগত ত্রুটি সৃষ্টি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় জিকা ভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। ❤️
জিকা ভাইরাস: একটি সংক্ষিপ্ত টেবিল 📊
| বিষয় | বর্ণনা |
|---|---|
| ভাইরাসের নাম | জিকা ভাইরাস (Zika virus) |
| বাহক | এডিস মশা (Aedes mosquito) |
| লক্ষণ | জ্বর, র্যাশ, জয়েন্টে ব্যথা, চোখ লাল হওয়া ইত্যাদি। |
| ঝুঁকি | গর্ভবতী মহিলাদের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। 🤰 |
| প্রতিরোধ | মশার কামড় থেকে বাঁচা এবং পরিচ্ছন্নতা বজা?? রাখা। 🧼 |
সচেতন থাকুন, নিরাপদে থাকুন। 🙏
```Option A Explanation:
- এডিস মশক: এটি একটি প্রজাতির মশক যা সাধারণত উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে পাওয়া যায়।
- এডিস মশক মানুষের রক্তের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও পরজীবী সংক্রমিত করে থাকেঃ যেমন জিকা ভাইরাস, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, জর্দি ইত্যাদি।
- এডিস মশক খুবই ক্ষুদ্র, প্রায় 4-7 মিলিমিটার আকারের এবং এর কালো রঙের দেহে সাদা দাগ থাকে।
- এডিস মশক সাধারণত দিন সময় সক্রিয় থাকে এবং মানুষকে আক্রমণ করে, বিশেষ করে সকাল ও বিকেলে।
- সংক্রমণের জন্য এডিস মশকের কামড় গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ভাইরাসের বাহক হিসেবে কাজ করে।
Option B Explanation:
- এডিস মশকী: এটি হলো একটি প্রজাতির মশক যা সাধারণত উপসর্গযুক্ত বা উপসর্গবিহীন জিকা ভাইরাসের সংক্রমণের বাহক।
- এডিস মশকী সাধারণত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এবং উষ্ণ অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- এটি মানুষের রক্তে সঞ্চারিত হয়ে ভাইরাসটি ছড়ায়।
- মশকটি দিনের বেলায় সক্রিয় থাকে এবং জলাশয়ে ডিম পাড়ে, যেখানে এর অপ্রত্যাশিত বৃদ্ধি ঘটে।
- সংক্রমণের জন্য এই মশকের মাধ্যমে ভাইরাসটি মানুষের দেহে প্রবেশ করে।
Option C Explanation:
- অ্যানোফিলিস মশক: এটি সাধারণত মালেরিয়া, ডেঙ্গু, জিকা ইত্যাদি রোগের বাহক হিসেবে পরিচিত।
- অ্যানোফিলিস মশক সাধারণত ঝোপঝাড়, জলাভূমি এবং পানির স্তূপে বাস করে।
- এটি মানুষের রক্তের মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়ায়, বিশেষ করে রাতে সক্রিয় হয়।
- অ্যানোফিলিস মশক প্রজনন করে পানির গভীর স্থানে যেখানে তারা ডিম দেয়।
- উচ্চ সংক্রমণ ঝুঁকির কারণে এটি রোগের বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
Option D Explanation:
- অ্যানোফিলিস মশকী: এটি একটি প্রজাতির মশক, যা সাধারণত অ্যানোফিলিস genus এর সদস্য।
- প্রধানত: এটি মানসিক রোগ দমন ও ম্যালেরিয়া সংক্রমণের জন্য পরিচিত।
- সংক্রমণের মাধ্যম: এই মশকটি মানবদেহে ম্যালেরিয়া জীবাণু সরবরাহ করে, তবে জিকা ভাইরাসের জন্য এটি সাধারণ বাহক নয়।
- বৈশিষ্ট্য: অ্যানোফিলিস মশক সাধারণত গভীর রাতে সক্রিয় থাকে এবং জলাশয়ে ডিম দেয়।
- নোট: জিকা ভাইরাসের প্রধান বাহক হলো এডিস মশক, আর অ্যানোফিলিস মশকী এই ভাইরাসের জন্য প্রাথমিক বাহক নয়।