মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

বনির মাথাব্যাথা, হাড়ের জোড়ায় জোড়ায় ব্যাথা ও বমি বমি ভাব। হঠাৎ উচ্চ তাপমাত্রায় (১০৩°F - ১০৫°F) জ্বর আসে,শরীরে লালচে ফুসকুড়ি উঠেছে।

মনির মাথাব্যাথা,পেশী ব্যাথা,বমি বমি ভাব। প্রচন্ড কাপুনিসহ ৪৮ ঘণ্টা অন্তর জ্বর আসে এবং ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে যায়।

উদ্দীপকে বনির রোগের নাম কী?

A. ডেঙ্গু
B. ম্যালেরিয়া
C. ইনফ্লুয়েঞ্জা
D. হেপাটাইটিস
Poster Download
জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবভাইরাসঘটিত রোগসমূহ (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. ডেঙ্গু
Explanation:

Another Explanation (5):

বনির রোগের নাম নির্ণয়: ডেঙ্গু

উপরোক্ত উপসর্গ ও লক্ষণসমূহ দেখে মনে হয় যে, বনির রোগের নাম ডেঙ্গু। নিচে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

উপসর্গসমূহের বিশ্লেষণ:

  • 🩺 মাথাব্যাথা ও পেশী ব্যাথা: ডেঙ্গু রোগে সাধারণত প্রচুর ব্যাথা হয়, বিশেষ করে পেশী ও হাড়ে।
  • 🤢 বমি বমি ভাব: এটি ডেঙ্গুর অন্যতম লক্ষণ।
  • 🌡️ উচ্চ তাপমাত্রা: ১০৩°F থেকে ১০৫°F পর্যন্ত জ্বর দেখা যায়।
  • 🟥 শরীরে লালচে ফুসকুড়ি: ডেঙ্গুতে কখনো কখনো ত্বকে ফুসকুড়ি হতে পারে।
  • 🌀 জ্বরের সময়সূচী: ৪৮ ঘণ্টা অন্তর জ্বর আসে এবং জ্বর কমে গেলে ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে যায়, যা ডেঙ্গুর মূল বৈশিষ্ট্য।

ডেঙ্গুর বৈশিষ্ট্যসমূহ:

লক্ষণ বর্ণনা
জ্বরের ধরণ প্রচণ্ড তাপমাত্রা, ২-৭ দিন স্থায়ী, প্রচন্ড কাপুনি ও জ্বরের সময় ৪৮ ঘণ্টা অন্তর ওঠানামা করে।
শারীরিক লক্ষণ মাথা ব্যাথা, চোখের পেছনে ব্যাথা, পেশী ও হাড়ের ব্যাথা, ফুসকুড়ি।
অতিরিক্ত লক্ষণ বমি বমি ভাব, অরুচি, ক্লান্তি, শরীরে লালচে ফুসকুড়ি।

উপসংহার:

উপরোক্ত লক্ষণ ও উপসর্গের ভিত্তিতে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, এটি ডেঙ্গু রোগ। দ্রুত চিকিৎসা নেয়া ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

Option A Explanation:
  • প্রকার: ভাইরাসজনিত রোগ
  • কার্যকারিতা: ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে ঘটে, যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
  • প্রধান লক্ষণ: জ্বর, শরীরের ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, চামড়ায় ফুসকুড়ি, ওষুধ বা চিকিৎসা ছাড়াই স্বাভাবিক হতে পারে।
  • প্রতিরোধ: মশার কামড় থেকে রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশারি ব্যবহার এবং আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখা।
  • চিকিৎসা: কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ নেই; উপসর্গের উপশমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, হাইড্রেশন এবং প্রয়োজনীয় ব্যথানাশক ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
  • প্রজনন পদ্ধতি: ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু, Plasmodium, মূলত ছত্রাকের মতো পরজীবী, যা মশার মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে।
  • অন্তঃকোষীয় জীবাণু: এটি অন্তঃকোষীয় পরজীবী, অর্থাৎ এটি উষ্ণ, আর্দ্র পরিবেশে কোষের ভিতরে বাস করে।
  • অভিশাপের মাধ্যমে ছড়ানো: ম্যালেরিয়া মূলত এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়, যা আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মধ্যে থাকা পরজীবু নিয়ে অন্যদের মধ্যে সংক্রমিত করে।
  • প্রকৃতি: এটি এক ধরনের পরজীবী জীবাণু, যা মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকা আক্রমণ করে, ফলে জ্বর ও অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয়।
  • সংক্রমণের লক্ষণ: জ্বর, ঠান্ডা লাগা, মাথাব্যাথা, শরীরের দুর্বলতা ইত্যাদি প্রধান লক্ষণ।
Option C Explanation:

ইনফ্লুয়েঞ্জা (Influenza)

  • সংক্ষিপ্ত বিবরণ: ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু একটি সংক্রামক ভাইরাল রোগ যা সাধারণত শুষ্ক ও ঠাণ্ডা মৌসুমে বেশি দেখা যায়।
  • প্রধান উপসর্গ: জ্বর, কাশি, গলা ব্যথা, মাথা ব্যথা, অস্থি ও শরীর ব্যথা, ক্লান্তি ও দুর্বলতা।
  • পায়খানা ও বমির সমস্যা: সাধারণত ইনফ্লুয়েঞ্জায় টানা বমি ও পাতলা পায়খানা হয় না। তবে কিছু ক্ষেত্রে শিশু ও কিছু ব্যক্তির মধ্যে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
  • প্রতিরোধ: বার্ষিক টিকা, হস্তে হাত ধোয়া, রেস্পিরেটরি সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা।
  • সংক্রমণ: হাঁচি, কাশি ও সংস্পর্শের মাধ্যমে সহজে ছড়িয়ে পড়ে।
Option D Explanation:

হেপাটাইটিস

  • একটি লিভার সংক্রমণ রোগ, যা হেপাটাইটিস ভাইরাস দ্বারা হয়ে থাকে।
  • প্রধানত তিনটি ধরনের হেপাটাইটিস ভাইরাস পাওয়া যায়: হেপাটাইটিস A, B, ও C।
  • এর লক্ষণসমূহের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত: ক্লান্তি, বমি, বমি বমি ভাব, পেট ব্যথা, অরঞ্জিত চোখ ও ত্বক, এবং গা darkening।
  • প্রতিরোধের জন্য টিকাদান ও সংক্রমণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এড়ানো জরুরি।
  • চিকিৎসার মাধ্যমে রোগের প্রতিকার সম্ভব, বিশেষ করে ভাইরাসের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত ওষুধ ও যত্ন নেওয়া।