মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

ক্যারোলাস লিনিয়াস কত সালে নামকরণ প্রবর্তন করেন?

A. 1870
B. 1678
C. 1753
D. 1668
Poster Download
HSTUUnit-Aজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসপ্রানীবৈচিত্র ও প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)HSTU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. 1753
Explanation:

Another Explanation (5):

ক্যারোলাস লিনিয়াসের নামকরণের প্রবর্তন

ক্যারোলাস লিনিয়াস, একজন সুপরিচিত সুইডিশ উদ্ভিদবিদ, চিকিৎসক এবং প্রাণিবিদ, যিনি আধুনিক দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির প্রবর্তক হিসেবে বিখ্যাত। তিনি ১৭৫৩ সালে এই পদ্ধতি প্রবর্তন করেন।

দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি

  • এটি একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি।
  • এই পদ্ধতিতে প্রতিটি জীবের দুটি অংশ বিশিষ্ট একটি বিজ্ঞানসম্মত নাম থাকে:
    1. গণ (Genus) - প্রথম অংশ
    2. প্রজাতি (Species) - দ্বিতীয় অংশ
  • উদাহরণ: Homo sapiens (মানুষ)

লিনিয়াসের অবদান

লিনিয়াসের নামকরণের পূর্বে, জীবের নামকরণ জটিল এবং অস্পষ্ট ছিল। লিনিয়াসের পদ্ধতি এই সমস্যা দূর করে শ্রেণীবিন্যাসকে সুসংহত করে। 🥳

১৭৫৩ সালের তাৎপর্য

১৭৫৩ সালটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ??ারণ এই বছর লিনিয়াসের "Species Plantarum" প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি তার প্রস্তাবিত নামকরণের নিয়মাবলী বিশদভাবে বর্ণনা করেন। 🎉

নামকরণের নিয়মাবলী

  1. নামের প্রথম অংশটি গণ (Genus) নির্দেশ করে এবং বড় হাতের অক্ষর দিয়ে শুরু হয়।
  2. নামের দ্বিতীয় অংশটি প্রজাতি (Species) নির্দেশ করে এবং ছোট হাতের অক্ষর দিয়ে শুরু হয়।
  3. সম্পূর্ণ নামটি সাধারণত ইটালিক হরফে লেখা হয়।
  4. একই গণের অন্তর্ভুক্ত প্রজাতিগুলোর মধ্যে সাদৃশ্য থাকতে পারে। 🤔

লিনিয়াসের কাজের গুরুত্ব

লিনিয়াসের কাজ জীববিজ্ঞানের শ্রেণীবিন্যাস ও নামকরণের ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে। তার পদ্ধতি অনুসরণ করে বিজ্ঞানীরা আজও নতুন প্রজাতি শনাক্ত করছেন এবং তাদের নামকরণ করছেন। 👍

সারাংশ

বিষয় তথ্য
নামকরণের প্রবর্তন ১৭৫৩ সাল
প্রবর্তক ক্যারোলাস লিনিয়াস
পদ্ধতির নাম দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি
গুরুত্ব শ্রেণীবিন্যাসে সুস্পষ্টতা এনেছে

ক্যারোলাস লিনিয়াসের প্রতি কৃতজ্ঞতা। 💐

আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া