মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

রক্ত জমাট বাঁধার জন্য কোনটির প্রয়োজন নেই?

A. ক্যালসিয়াম আয়ন
B. প্রোথ্রোম্বিন
C. ফিব্রিনোজেন
D. হরমোন
Poster Download
RUUnit-Gজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্ররক্ত ও সঞ্চালনরক্ত জমাট বাঁধা বা রক্ত তঞ্চন (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. হরমোন
Explanation:

Another Explanation (5):

রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া: প্রয়োজনীয় নয় হরমোন 🩸

রক্ত জমাট বাঁধা একটি জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে বিভিন্ন উপাদান অংশ নেয়। এই প্রক্রিয়ায় হরমোনের কোনো প্রত্যক্ষ ভূমিকা নেই। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

রক্ত জমাট বাঁধার প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহ:

  • প্লেটলেট (Platlets):🩸🩸🩸 এগুলো ক্ষুদ্র রক্ত কণিকা, যা রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হলে জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
  • রক্ত জমাট বাঁধার প্রোটিন (Clotting factors):🩸🩸🩸🩸🩸 Factor I (Fibrinogen), Factor II (Prothrombin) সহ একাধিক প্রোটিন লিভারে তৈরি হয় এবং জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়।
  • ভিটামিন কে (Vitamin K): 🥬🥦🥗 রক্ত জমাট বাঁধার প্রোটিন তৈরিতে এটি অত্যাবশ্যকীয়।
  • ক্যালসিয়াম (Calcium): 🥛🧀🦴 জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

রক্ত জমাট বাঁধার ধাপসমূহ:

  1. প্রাথমিক পর্যায়: রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্লেটলেটগুলো সেখানে জমা হয় এবং একটি অস্থায়ী প্লাগ তৈরি করে।🩹
  2. দ্বিতীয় পর্যায়: ক্লটিং ফ্যাক্টরগুলো একটি ধারাবাহিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সক্রিয় হয় এবং ফাইব্রিন তৈরি করে।
  3. তৃতীয় পর্যায়: ফাইব্রিন জালকের মতো তৈরি করে, যা প্লেটলেট এবং অন্যান্য রক্ত কণিকাগুলোকে আটকে ফেলে এবং জমাট বাঁধে।🕸️
  4. চতুর্থ পর্যায়: জমাট বাঁধা রক্ত ধীরে ধীরে সংকুচিত হয় এবং ক্ষতস্থান সেরে যায়।

হরমোনের ভূমিকা:

হরমোন শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখে না। কিছু হরমোন, যেমন ইস্ট্রোজেন, রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি সামান্য বাড়াতে পারে, কিন্তু এটি সরাসরি জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া নয়। 🤷‍♀️

উপসংহার:

রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্লেটলেট, ক্লটিং ফ্যাক্টর, ভিটামিন কে এবং ক্যালসিয়াম অপরিহার্য। হরমোনের প্রত্যক্ষ কোনো ভূমিকা নেই। ✅

উপাদান ভূমিকা প্রয়োজনীয়তা
প্লেটলেট জমাট বাঁধতে সাহায্য করে অত্যাবশ্যকীয়
ক্লটিং ফ্যাক্টর ফাইব্রিন তৈরি করে অত্যাবশ্যকীয়
ভিটামিন কে ক্লটিং ফ্যাক্টর তৈরি করে অত্যাবশ্যকীয়
ক্যালসিয়াম জমাট বাঁধার বিক্রিয়ায় সাহায্য করে অত্যাবশ্যকীয়
হরমোন নেই প্রয়োজনীয় নয়
Option A Explanation:

ক্যালসিয়াম আয়ন

  • রক্ত জমাট বাঁধার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি খনিজ উপাদান।
  • এটি ব্যাকটেরিয়ার প্রজনন ও বিভিন্ন কোষের কার্যকলাপের জন্য অপরিহার্য।
  • রক্তের ক্লটিং প্রক্রিয়ায় ক্যালসিয়াম আয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে, কারণ এটি ফাইব্রিন জেনেসিসে সহায়তা করে।
  • শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে ক্যালসিয়াম আয়ন সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয়, বিশেষ করে হাড় ও দাঁতের গঠনে।
  • অতিরিক্ত বা কম মানে ক্যালসিয়ামের সমস্যা হতে পারে, যা রক্তের জমাট বাঁধার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।
Option B Explanation:

প্রোথ্রোম্বিন (Prothrombin)

প্রোথ্রোম্বিন হল এক ধরণের প্রোটিন যা রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি একটি প্রো-অ্যাংগাইম যা লিভার দ্বারা উৎপাদিত হয় এবং এটি ফাইব্রিনোজেনের সাথে কাজ করে ফাইব্রিন তৈরি করতে, যা রক্তের জমাট বাঁধার জন্য আবশ্যক।

  • মূল কাজ: প্রোথ্রোম্বিন মূলত থром্বিনে রূপান্তরিত হয়, যা ফাইব্রিন জেনের উপর কাজ করে ফাইব্রিনের উৎপাদন বাড়ায়।
  • রক্ত জমাট বাঁধার জন্য অপরিহার্য: এটি রক্তের জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ কপার হিসেবে কাজ করে।
  • অর্থ: যদি প্রোথ্রোম্বিনের মাত্রা কম থাকে, তাহলে রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা হতে পারে।
Option C Explanation:
  • ফিব্রিনোজেন: এটি একটি প্রোটিন যা রক্তের জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি লিভার দ্বারা উৎপন্ন হয় এবং রক্তের মধ্যে অপ্রতিবন্ধক অবস্থায় থাকে। যখন রক্ত জমাট বাঁধার প্রয়োজন হয়, তখন ফিব্রিনোজেন ফিব্রিনে রূপান্তরিত হয়, যা রক্তের জমাট তৈরি করতে সাহায্য করে।
Option D Explanation:
  • হরমোন: এটি রক্তের মাধ্যমে পরিবহন হয় এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও টিস্যুকে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করতে সাহায্য করে।
  • শরীরের বিভিন্ন কার্যকলাপ যেমন বৃদ্ধি, বিপাক, প্রজনন, এবং মেজাজ নিয়ন্ত্রণে হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • এটি সাধারণত গ্রন্থি থেকে নিঃসরণ হয়, যেমন থাইরয়েড গ্রন্থি, অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি, পিটিউটারি গ্রন্থি ইত্যাদি।
  • হরমোনে??? কার্যকলাপ ধীরগতি সম্পন্ন হলেও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
  • উদাহরণস্বরূপ: ইনসুলিন, অ্যাড্রেনালিন, এস্ট্রোজেন, টেষ্টোস্টেরোন ইত্যাদি।