নিচের কোনটি পেন্টোজ স্যুগার ?
DUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ রসায়নকার্বোহাইড্রেট বা শর্করা (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
রাইবোজ
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: পেন্টোজ সুগার পাঁচটি কার্বন পরমাণু বিশিষ্ট মনোস্যাকারাইড। অপশন বিশ্লেষণ: A. ইরিথ্রোজ: ভুল, এটি টেট্রোজ সুগার। B. রাইবোজ: সঠিক, এটি পেন্টোজ সুগার। C. গ্লুকোজ: ভুল, এটি হেক্সোজ সুগার। D. ফ্রুক্টোজ: ভুল, এটি হেক্সোজ সুগার। নোট: রাইবোজ DNA ও RNA গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Another Explanation (5):
পেন্টোজ স্যুগার কোনটি?
পেন্টোজ স্যুগার হল এমন একটি কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা যা পাঁচটি কার্বন পরমাণু দিয়ে গঠিত। এটি জীববিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি বিভিন্ন শর্করার মৌলিক কাঠামো।
উত্তর: রাইবোজ
রাইবোজ হলো একটি পেন্টোজ (পাঁচ কার্বন পরমাণু যুক্ত শর্করা) যা ডিএনএ, আরএনএ ইত্যাদির মৌলিক উপাদান। নিচে এর বৈশিষ্ট্যসমূহ দেওয়া হলো:
| বৈশিষ্ট্য | বর্ণনা |
|---|---|
| নাম | রাইবোজ (Ribose) 🧬 |
| প্রকার | পেন্টোজ শর্করা (Pentose Sugar) 🌟 |
| উৎপত্তি | প্রথমিকভাবে জীবের কোষে পাওয়া যায় |
| কার্যকারিতা | DNA ও RNA এর গঠনমূলক উপাদান, শক্তির উৎস |
নিম্নলিখিত তালিকা দ্বারা পেন্টোজ শর্করাগুলোর উদাহরণ দেওয়া হলো:
- রাইবোজ (Ribose) 🧬
- ডক্সিরাইবোজ (Deoxyribose) 🧪
অতএব, প্রশ্নের উত্তর অনুযায়ী, রাইবোজ হলো পেন্টোজ স্যুগার??? 😊
Option A Explanation:
- ইরিথ্রোজ (Erythrose): ইরিথ্রোজ একটি ক্ষুদ্র অর্ধ-স্নেহযুক্ত কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা, যা টেট্রোজ নামে পরিচিত।
- রাসায়নিক গঠন: এটি একটি ৪ কার্বন পরমাণু সহ শর্করা, যার রাসায়নিক সূত্র C4H8O4।
- প্রকার: এটি একটি টেট্রোজ, অর্থাৎ এতে চারটি কার্বন পরমাণু রয়েছে।
- প্রকারভেদ: ইরিথ্রোজ সাধারণত ডাইহাইড্রোক্সি অ্যসিটোন বা ডায়হাইড্রক্সি অ্যাল্ডিহাইড হিসেবে পাওয়া যায়।
- ব্যবহার: ইরিথ্রোজ বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়, যেমন কার্বোহাইড্রেটের গঠন বিশ্লেষণে।
Option B Explanation:
- রাইবোজ হলো একটি পঞ্চকার্বন-অ্যামাইন অণু, যা সাধারণত অর্থের মধ্যে পাওয়া যায়।
- এটি সক্রিয় শর্করার একটি প্রকার হিসেবে বিবেচিত হয়।
- রাইবোজের প্রধান কাজ হলো ডিএনএ ও আরএনএ এর সিনথেসিসে সহায়তা করা।
- এটি অ্যামাইন গ্রুপ (NH₂) ধারণ করে, যা এটিকে একটি অ্যামিনো অ্যাসিডের মত করে তোলে।
- রাইবোজের অ্যামাইন গ্রুপের অবস্থান এবং অণুর গঠন এর উপর ভিত্তি করে এটি অন্য শর্করার থেকে আলাদা।
Option C Explanation:
- প্রবেশের প্রক্রিয়া: গ্লুকোজ সাধারণত কোষঝিল্লি দিয়ে প্রবেশ করে মূলত সক্রিয় এবং অর্ধসক্রিয় পরিবহনের মাধ্যমে।
- প্রধান পরিবহন পদ্ধতি: ফ্যাসিলিটেড ডিফিউজন (Facilitated Diffusion) দ্বারা গ্লুকোজ সহজে কোষের ভিতরে প্রবেশ করে।
- প্রয়োজনীয়তা: শরীরের শক্তির জন্য গ্লুকোজ গুরুত্বপূর্ণ উৎস, তবে এটি সহজে অতিক্রম করতে পারে না কারণ এটি জলদ্রবী এবং বড় আকারের পণ্য।
- কোষঝিল্লির সীমাবদ্ধতা: কোষঝিল্লি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবহন নিশ্চিত করে, তাই গ্লুকোজের মতো বড় বা জলদ্রবী molecules এর জন্য বিশেষ পরিবহন প্রোটিনের প্রয়োজন হয়।
Option D Explanation:
- প্রকার: Monosaccharide (একক শর্করা)
- সাধারণ নামে: ফ্রুকোজ বা ফ্রুক্টোজ
- গবেষণা: প্রাকৃতিক উৎসে পাওয়া যায় যেমন ফলমূল, মধু, শস্য ইত্যাদি।
- প্রধান বৈশিষ্ট্য: খুবই মিষ্টি স্বাদযুক্ত এবং সহজে শরীরে শোষিত হয়।
- রাসায়নিক গঠন: C₆H₁₂O₆, যা গ্লুকোজের সমান, তবে অণুর গঠন ভিন্ন।
- ব্যবহার: খাদ্য শিল্পে মিষ্টি স্বাদ বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, পাশাপাশি কিছু ওষুধে উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।