নিম্নের কোনটি সরীসৃপ শ্রেণির প্রাণী নয়?
Dentalজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসChordata পর্বের শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)Dental - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
সোনাব্যাঙ
Explanation:

Another Explanation (5):
সোনাব্যাঙ কেন সরীসৃপ নয়: একটি ব্যাখ্যা 🐸
প্রশ্নটি ছিল: নিচের কোনটি সরীসৃপ শ্রেণির প্রাণী নয়? এবং উত্তরটি হলো: সোনাব্যাঙ। এখন আমরা দেখবো সোনাব্যাঙ কেন সরীসৃপ নয়।
সরীসৃপ শ্রেণি (Reptilia) সম্পর্কে ধারণা 🦎
সরীসৃপ হলো মেরুদণ্ডী প্রাণীদের একটি দল। এদের কিছু বৈশিষ্ট্য আছে, যা অন্য প্রাণীদের থেকে আলাদা করে। নিচে কয়েকটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো:
- ত্বক: এদের ত্বক শুষ্ক এবং আঁশযুক্ত। 🐍
- শ্বাস-প্রশ্বাস: এরা ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস নেয়। 💨
- ডিম: এরা সাধারণত শক্ত খোলসযুক্ত ডিম পাড়ে। 🥚
- চলন: এদের অনেকেরই পা আছে, যা দিয়ে তারা হাঁটাচলা করে। আবার কারো পা নেই, যেমন সাপ। 🚶♀️/🚫🚶♀️
- শারীরিক তাপমাত্রা: এরা শীতল রক্তের প্রাণী (cold-blooded)। অর্থাৎ, পরিবেশের তাপমাত্রার সাথে এদের দেহের তাপমাত্রা পরিবর্তিত হয়। 🌡️
সোনাব্যাঙ (Golden frog) কি? 🐸
সোনাব্যাঙ হলো উভচর শ্রেণির প্রাণী। উভচর (Amphibian) বলতে বোঝায় যারা জীবনের প্রথম পর্যায়ে জলে এবং পরিণত বয়সে স্থলে বাস করে।
উভচর শ্রেণির বৈশিষ্ট্য:
- ত্বক: এদের ত্বক নরম, ভেজা এবং গ্রন্থিযুক্ত। 💧
- শ্বাস-প্রশ্বাস: এরা ত্বক, ফুলকা (larval stage) এবং ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস নিতে পারে। 😮💨
- ডিম: এরা ডিম পাড়ে, কিন্তু সরীসৃপের মতো শক্ত খোলসযুক্ত ডিম নয়। এদের ডিম নরম এবং জেলি জাতীয় আবরণে ঢাকা থাকে। 🥚
- জীবনচক্র: এদের জীবনচক্রে সাধারণত লার্ভা দশা (যেমন: ব্যাঙাচি) দেখা যায়। 🐛➡️🐸
- শারীরিক তাপমাত্রা: এরাও শীতল রক্তের প্রাণী। 🌡️
তুলনামূলক আলোচনা: সরীসৃপ বনাম সোনাব্যাঙ 🆚
| বৈশিষ্ট্য | সরীসৃপ | সোনাব্যাঙ |
|---|---|---|
| ত্বক | শুষ্ক ও আঁশযুক্ত 🐍 | নরম ও ভেজা 🐸💧 |
| ডিম | শক্ত খোলসযুক্ত 🥚 | নরম, জেলিযুক্ত 🥚 |
| জীবনচক্র | লার্ভা দশা নেই 🚫🐛 | লার্ভা দশা আছে (ব্যাঙাচি) 🐛 |
| বাসস্থান | স্থলজ, জলজ উভয়ই 🌍🌊 | জল ও স্থল উভয় স্থানেই প্রয়োজন 🌍🌊 |
সিদ্ধান্ত 🎯
উপরের আলোচনা থেকে এটা স্পষ্ট যে, সোনাব্যাঙ সরীসৃপের বৈশিষ্ট্যগুলো ধারণ করে না। এটি উভচর শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। উভচর প্রাণীদের ত্বক, ডিম এবং জীবনচক্র সরীসৃপদের থেকে ভিন্ন। 🤔
সুতরাং, সোনাব্যাঙ সরীসৃপ নয়। ✅
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে। 📚😊
আরও জানতে, গুগল করুন! 🔍
Option A Explanation:
গোখরা
- প্রজাতি: গোখরা (Indian Cobra) সাধারণত সরীসৃপ শ্রেণির প্রাণী নয়, বরং এটি একটি বিষধর সাপ।
- অবস্থান: এটি সাধারণত ভারতীয় উপমহাদেশে পাওয়া যায়।
- অবস্থা: সরীসৃপের মধ্যে কচ্ছপ, টিকটিকি এবং সোনাব্যাঙের মতো প্রাণীর মতো নয়, বরং এটি সাপের একটি প্রজাতি।
- বিশেষত্ব: গোখরা তার বিষের জন্য পরিচিত এবং এটি বিষাক্ত সাপের মধ্যে অন্যতম।
- প্রকার: এটি সরীসৃপ শ্রেণির প্রাণী নয়, বরং সর্প (Snake) শ্রেণির অন্তর্গত।
Option B Explanation: ```html
- প্রাণীর শ্রেণীবিভাগ: টিকটিকি (Lizard) সাধারণত রেপটাইলিয়ার (Reptilia) শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।
- হৃৎপিণ্ডের গঠন: টিকটিকির হৃৎপিণ্ড সাধারণত চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট, যার মধ্যে দুটি অ্যাট্রিয়াম (অর্থাৎ ঊর্বরক্ষার অংশ) ও দুটি ভেন্ট্রিকুলার (প্রবাহের অংশ) থাকে।
- উপস্থিতি: এই চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হৃৎপিণ্ড টিকটিকির মতো কিছু রেপটাইল প্রাণীতে দেখা যায়, যা তাদের রক্তচাপ ও অক্সিজেনের সরবরাহ উন্নত করে।
- অন্য প্রাণীদের সাথে তুলনা: কিছু অন্যান্য রেপটাইল যেমন কুমির ও কচ্ছপের হৃৎপিণ্ডও চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট, তবে সাধারণত টিকটিকির হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কার্যকারিতা ভিন্ন।
Option C Explanation:
কচ্ছপের হৃৎপিণ্ডের বৈশিষ্ট্য
- সম্পূর্ণ চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হৃৎপিণ্ড: কচ্ছপের হৃৎপিণ্ড পুরোপুরি চার প্রকোষ্ঠে বিভক্ত, যা রক্তের সঠিক বিভাজন ও অক্সিজেনযুক্ত ও অক্সিজেনবিহীন রক্তের বিভাজন নিশ্চিত করে।
- বৈশিষ্ট্য: এই বৈশিষ্ট্যটি কচ্ছপকে অন্যান্য কিছু রিপটাইলের থেকে আলাদা করে, কারণ বেশিরভাগ রিপটাইলের হৃৎপিণ্ডের বিভাজন সম্পূর্ণ নয় বা আংশিক।
- উপকারিতা: এই সম্পূর্ণ বিভাজন রক্তের প্রবাহে উন্নততা আনে, যার ফলে তাদের শারীরিক কার্যকলাপ ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
- উপস্থাপন: কচ্ছপের এই হৃৎপিণ্ডের বৈশিষ্ট্য তাদের জন্য বিশেষ উপকারী, কারণ এটি তাদের জীবনযাত্রার বিভিন্ন পরিবেশে অভিযোজন সহজ করে।
Option D Explanation:
- সোনাব্যাঙ (Goldfish):
- প্রধানতঃ একটি জলজ মাছ যা সাধারণতঃ অ্যাকুরিয়ামে দেখা যায়।
- এটি সরীসৃপ নয়; বরং এটি একটি মাছ, যা আঁশযুক্ত কাঁধ ও পাখনা দিয়ে জলজ পরিবেশে জীবিত হয়।
- এটির শরীরের গঠন ও জীবনচক্র সম্পূর্ণ আলাদা সরীসৃপ প্রাণীদের থেকে।
- সোনাব্যাঙের বৈশিষ্ট্যসমূহের মধ্যে রয়েছে উজ্জ্বল রঙ, জলের মধ্যে জীবনযাপন এবং গুল্মের মতো গঠন।