মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

আলার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া গ্রহণ ও তার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে কোন রক্তকণিকা?

A. নিউট্রোফিল
B. ইউসিনোফিল
C. মনোসাইট
D. লিম্ফোসাইট
Poster Download
JUUnit-DSet-7জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্ররক্ত ও সঞ্চালনরক্তকণিকা (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. ইউসিনোফিল
Explanation: ইউসিনোফিল অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর মাত্রা সঠিকভাবে স্থির রাখে। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে নিউট্রোফিল ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ প্রতিরোধ করে, মনোসাইট ফ্যাগোসাইটোসিসে সহায়তা করে এবং লিম্ফোসাইট প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। নোট: অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া মানবদেহের ইমিউন সিস্টেমের একটি জটিল প্রক্রি???া।
Another Explanation (5):

অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে ইউসিনোফিলের ভূমিকা 🤧

ইউসিনোফিল একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্বেত রক্তকণিকা যা অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া এবং পরজীবী সংক্রমণের বিরুদ্ধে আমাদের শরীরকে রক্ষা করে। এটি মূলত ইমিউন সিস্টেমের অংশ হিসেবে কাজ করে।

ইউসিনোফিল কিভাবে কাজ করে? 🤔

  • অ্যালার্জেন সনাক্তকরণ: ইউসিনোফিল IgE অ্যান্টিবডির মাধ্যমে অ্যালার্জেন (যেমন: পরাগ, ধুলা) সনাক্ত করতে পারে।
  • রাসায়নিক নিঃসরণ: অ্যালার্জেন সনাক্ত করার পর ইউসিনোফিল হিস্টামিন, লিউকোট্রিন এবং অন্যান্য প্রদাহ সৃষ্টিকারী রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে।
  • প্রদাহ সৃষ্টি: এই রাসায়নিক পদার্থগুলো স্থানীয় টিস্যুতে প্রদাহ সৃষ্টি করে, যা অ্যালার্জির লক্ষণগুলির জন্য দায়ী।
  • পরজীবী ধ্বংস: ইউসিনোফিল কিছু রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণের মাধ্যমে পরজীবী কৃমিকে ধ্বংস করতে পারে। 🪱

ইউসিনোফিলের মাত্রা এবং অ্যালার্জি 📊

রক্তে ইউসিনোফিলের স্বাভাবিক মাত্রা সাধারণত 1% থেকে 6% পর্যন্ত থাকে। এর মাত্রা বৃদ্ধি পেলে তাকে ইউসিনোফিলিয়া বলা হয়, যা অ্যালার্জি বা অন্য কোনো স্বাস্থ্য সমস্যার নির্দেশক হতে পারে।

বিভিন্ন অবস্থায় ইউসিনোফিলের মাত্রা
অবস্থা ইউসিনোফিলের মাত্রা (কোষ/µL) কারণ
স্বাভাবিক 0 - 500 -
হালকা ইউসিনোফিলিয়া 500 - 1500 অ্যালার্জি, হাঁপানি, চর্মরোগ
মাঝারি ইউসিনোফিলিয়া 1500 - 5000 পরজীবী সংক্রমণ, ঔষধের প্রতিক্রিয়া
মারাত্মক ইউসিনোফিলিয়া > 5000 হাইপারইউসিনোফিলিক সিন্ড্রোম, কিছু ক্যান্সার

অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণে ইউসিনোফিলের ভূমিকা 🛡️

যদিও ইউসিনোফিল অ্যালার্জির লক্ষণ সৃষ্টি করে, এটি অ্যালার্জেনকে অপসারণ এবং প্রদাহ নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। এটি প্রদাহের স্থানে অন্যান্য ইমিউন কোষকে আকর্ষণ করে এবং টিস্যু মেরামতে সহায়তা করে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 📌

  • ইউসিনোফিলের মাত্রা পরীক্ষা করার জন্য রক্ত পরীক্ষা করা হয়।
  • অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া কমাতে অ্যান্টিহিস্টামিন এবং স্টেরয়েড ব্যবহার করা হয়। 💊
  • ইউসিনোফিল-সম্পর্কিত রোগের চিকিৎসায় ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 👨‍⚕️

আশা করি এই ব্যাখ্যাটি ইউসিনোফিল এবং অ্যালার্জি সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 🙏

Option A Explanation:
  • নিউট্রোফিল: নিউট্রোফিল হলো একটি ধরণের শ্বেত রক্তকণিকা যা মূলত ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস, ও অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করার জন্য দায়ী।
  • এটি ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, যেখানে এটি ক্ষতিকর জীবাণু বা মৃত কোষগুলোকে শোষণ করে এবং ধ্বংস করে।
  • নিউট্রোফিলের এই কার্যকলাপ ইমিউন সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
Option B Explanation:
  • ইউসিনোফিল: হেপারিন সংরক্ষণ করে এমন শ্বেত রক্তকণিকাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
  • এটি মূলত অ্যালার্জি প্রতিরোধ এবং পরজীবী সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
  • ইউসিনোফিলের মধ্যে হেপারিনের উপস্থিতি রক্তের ক্ষরণের সময় রক্ত জমাট বাঁধানো প্রতিরোধ করে।
  • এটি সাধারণত অ্যালার্জি রিয়্যাকশন এবং অ্যানাফাইল্যাক্সিসের সময় সক্রিয় হয়।
Option C Explanation:
  • মনোসাইট: মনোসাইট হলো একটি শ্বেত রক্তকণিকা যা দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • এটি মূলত লোহিত রক্তকণিকা ও অন্যান্য শ্বেত রক্তকণিকার মধ্যে বৃহত্তম আকারের হয়।
  • মনোসাইটগুলো সাধারণত রক্তে কিছু সময়ের জন্য থাকে, এরপর টিস্যুতে প্রবেশ করে ম্যাকрофেজে রূপান্তরিত হয়।
  • এগুলি ব্যাকটেরিয়া, ধ্বংসপ্রাপ্ত কোষ, ও অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদানসমূহ শোষণ করে ও ধ্বংস করে, ফলে দেহের সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
  • অতএব, মনোসাইটের মাধ্যমে হেপারিন সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপাদান উৎপন্ন হয় বা সংরক্ষিত হয়।
Option D Explanation:
  • লিম্ফোসাইট: এটি একটি ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা যা মূলত অ্যান্টিবডি উৎপাদন করে এবং দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • লিম্ফোসাইটের প্রধান কাজ হলো ইনফেকশন ও রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা প্রদান করা।
  • এই কোষগুলো প্রধানত লিম্ফ নোড, স্প্লিন, থাইমাস গ্ল্যান্ড এবং রক্তে পাওয়া যায়।
  • তাদের মধ্যে দুটি প্রধান ধরনের হলো B-লিম্ফোসাইট এবং T-লিম্ফোসাইট, যারা ভিন্ন ভিন্ন প্রতিরক্ষা কার্য সম্পাদন করে।
  • লিম্ফোসাইটের মধ্যে হেপারিন উপস্থিত থাকলেও, এটি প্রধানত অন্য কোষে বেশি দেখা যায়।