আনোয়ার পাশা রচিত 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসে উল্লিখিত সুদীপ্ত শাহীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। তিনি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতের ভয়াবহতায় আতঙ্কগ্রস্ত একজন মানুষ। তাঁর যাপিত জীবন আতঙ্ক আর ভয়ের মধ্য দিয়ে কাটে। কারণ সে রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকার নিরস্ত্র মানুষের ওপর নৃশংস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। সেই হত্যাযজ্ঞ থেকে নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ এমনকি মসজিদের মুয়াজ্জিন পর্যন্ত রেহাই পায়নি। সুদীপ্ত শাহীন এর মাঝে বেঁচে আছেন এটা বিশ্বাস করতে তাঁর বিস্ময় লাগে। ২৬ মার্চের সূর্যোদয় দেখবার কথা তিনি ভাবতেও পারে না।
'রেইনকোট' গল্পের মূলভাব উদ্দীপকে অনেকটাই প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'ক্লাক-ডাউনের রাত' বলতে কী বোঝায়?
- “রেইনকোট'' গল্পে অধ্যক্ষ মহােদয়ের পিয়নের নাম কী?
- লেফাফা দুরস্ত' বাগধারাটির অর্থ কী ?
- "দুধেভাতে উৎপাত' গল্পগ্রন্থের রচয়িতা কে?
- কালরাত ঢাকা ছিল প্রেতের নগরীসবাই ফিরেছে ঘরে সাত তাড়াতাড়ি। চতুর্দিকেনিস্তব্ধতা ওঁৎ পেতে থাকে,ছায়ার ভিতরে ছায়া, আতঙ্ক একটিকৃষ্ণাজা চাদরে মুড়ে দিয়েছে শহরটিকে আপাদমস্তক"উদ্দীপকের পরিস্থিতি 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদা শ্যালকের পোশাক পরে 'অবলোকনের কারণেই তার পরিবর্তন ঘটে" মূল্যায়ন করো।
- ‘রেইনকোট’ গল্পে প্রিন্সিপালের নাম কী?
- ‘রেইনকোট’ গল্পে পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা' কী?
- জেলে বন্দি থাকাকালে ভগৎ সিং ভারতীয় বন্দিদের সমানাধিকারের দাবিতে ৬৩ দিন অনশন করেন। ভগৎ সিং ও বটুকেশ্বর দত্ত দুজনই ছিলেন অনশন ধর্মঘটে। তাদের স্ট্রেচারে করে যখন আদালতে আনা হয়, অন্য কারাবন্দিরা অনশনের কথা জানতে পেরে যোগ দেন। ৬৩ দিন অনশনের পর ব্রিটিশশক্তি নতি স্বীকার করে। নিজের দেশকে মুক্ত করার জন্য জীবন বাজি রেখে ভগৎ সিং নানা সংগ্রামে অংশ নেন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে। পরে হাসিমুখে ব্রিটিশদের দেওয়া ফাঁসির দড়ি তিনি বরণ করে নেন।"উদ্দীপকে বর্ণিত অনশন ধর্মঘটের সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় প্রতিফলিত অনশন ধর্মঘটের সাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা করো।
- মেডিকেলের সামনে দিয়ে প্রতিদিনের মতো কর্মস্থলেযাচ্ছিল সদাগরি অফিসের কনিষ্ঠ কেরানি মঞ্জু; হঠাৎ মিছিলআর গুলির শব্দ। ভাষা আন্দোলনকারীদের সাথে মঞ্জুরওপরও বেধড়ক লাঠিচার্জ করে পুলিশ বাহিনী। তারপরথেকে মঞ্জুও হয়ে ওঠে ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী |উদ্দীপকের মঞ্জু ও 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদার চারিত্রিক ঐক্য—
- 'প্রিনসিপালের কালো মুখ বেগুনি হয়'- কেন?
- "রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুন"- ব্যাখ্যা করো।
- ডক্টর আফাজ আহমদ ‘পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা' বলতে বুঝিয়েছেন -
- কোন শব্দগুচ্ছে অশুদ্ধ বানান আছে?
- সাদবীন একটি স্কুলে মালীর কাজ করে। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় সারা দেশে থমথমে অবস্থা বিরাজমান। হঠাৎ রাতে তার বাড়িতে আশ্রয় নেয় দূরসম্পর্কের এক আত্মীয়। পরে জানতে পারে সে ছিল একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা। ভুলক্রমে তার একটি অস্ত্র ফেলে ভোররাতে সে চলে যায়। মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্রটি হাতে নিলে সাদবীনের ভিতরে দ্রোহের ভাব লক্ষ করে। কাউকে কিছু না জানিয়ে সে যুদ্ধে চলে যায় দেশ স্বাধীন করার জন্য।উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- দেশমাতৃকার মুক্তির শপথ নিয়ে মুক্তি বাহিনীতে যোগ দেয় হুমায়ূন সাহেবের পাঁচ ছেলে। রাজাকারের মাধ্যমে এই খবর জানতে পেরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী হুমায়ুন সাহেবের ঘর- বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। অবশেষে ক্যাম্পে ধরেও নিয়ে যায় তাকে, বারবার জানতে চায় তাঁর -ছেলেদের ঠিকানা। হুমায়ুন সাহেব চুপ করে করে থাকলে তাঁর পিঠের ওপর প্রচন্ড জোরে চাবুকের আঘাত করে। যন্ত্রণায় কাতর হয়ে পড়েন তিনি। রক্তাক্ত ও ক্ষত-বিক্ষত হয় তাঁর শরীর। তবু তিনি মুক্তিবাহিনীর কোনো খবর দেননা হানাদার বাহিনীকে।"দেশকে মুক্ত করার জন্য বাঙালি জনসাধারণের আত্মত্যাগই উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের মূল প্রতিপাদ্য।"-মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- 'রেইনকোট' গল্পে কে এপ্রিলের শুরু থেকে বাংলা বলাছেড়েছে?
- মহাকাব্য 'রামায়ণ'-এ বর্ণিত হয়েছে-রাবণ যখন রাম-লক্ষ্মণের আক্রমণ থেকে লঙ্কা রাজ্য রক্ষায় সবংশে প্রাণপাত করে চলেছেন, তখন তাঁরই সহোদর বিভীষণ রামের পক্ষ অবলম্বন করে দেশের গোপন খবর ও নগরে প্রবেশের গোপন পথের সন্ধান রামকে জানিয়ে দিচ্ছে। শেষ পর্যন্ত রামের নিকট রাবণ পরাজিত হয়।"পরিণতি বিচারে উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পে পার্থক্য বিদ্যমান।"-উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- রেইনকোট' গল্পে কে দরজায় প্রবল কড়া নাড়ছিল?
- 'রেইনকোট' গল্পে ইসহাক ট্যাক্সি ক্যাবে কার বাড়ির দিকে রওনা হয়?
- মিলিটারি পান্ডা কোথায় বসেছিল?