মিলিটারি পান্ডা কোথায় বসেছিল?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'রেইনকোট' গল্পে ‘রেইনকোট' বহন করছে-
- যে লেখক অন্যের ভাব, ভাষা প্রভৃতি চুরি করে নিজের নামে চালায় তাকে বলা হয় -
- নূরুল হুদার নিকট কোন বিষয়টিকে স্রেফ উৎপাত বলে মনে হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
- ‘জঙ্গম’ শব্দটি দিয়ে বোঝায়-
- 'অপ' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
- . রেইনকোটটা খুলে ফেললেও নুরুল হুদার শরীরে কী অনুভূত হয়েছে-
- 'ইন্দ্রজাল' শব্দের সমার্থক শব্দ- জোড় কোনটি?
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রতনপুর গ্রামের মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে পরিণত হয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাতেম আলী হয়ে ওঠেন হানাদার বাহিনীর আশ্রয়দাঁতা ও সাহায্যকারী। তিনি এ কাজে সহকর্মীদেরও বাধ্য করেন এবং কেউ সম্মত না হলে তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন। অধিকাংশ শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের এ ধরনের কাজকে ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখেন কিন্তু ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পান না। সহকারী প্রধান শিক্ষক বাছেদ মিয়া ভীরু প্রকৃতির মানুষ হলেও তিনি ছিলেন মনে-প্রাণে একজন দেশপ্রেমিক মানুষ। তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতেন। তাঁর পরামর্শে মুক্তিযোদ্ধারা রাতের অন্ধকারে হাতেম আলীকে ধরে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করেন।উদ্দীপকের হাতেম আলী 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং কেন?
- ১৯৭১ সালে সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে নান্দিনা গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সদস্যরা আশ্রয় নেয়। তাদের নানাভাবে সাহায্য করতে থাকে ঐ গ্রামের আবুল মন্ডল। একদিন তার দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে পাকিস্তানি হাদানার বাহিনীর সদস্যরা অধ্যাপক সাজেদুল ইসলামকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করতে থাকে। তাঁর কাছ থেকে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে জানতে চাইলেও তিনি তা জানাতে অস্বীকৃতি জানান।উদ্দীপকের আবুল মন্ডলের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি ব্যাখ্যা কর।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় আওয়ালপুরের, মাতব্বর খিজির আলি পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে হাত মেলায়। মুক্তিবাহিনীর সূদস্যদের জীবন সে বিপর্যস্ত করে তোলে। গৃহস্থের হাঁস-মুরগি, গোরু-ছাগল লুট করে পাকিস্তানি সেনাদের ক্যাম্পে দিয়ে আসে। পাকিস্তানি সেনারাও তার পরামর্শ আমলে নিয়ে অভিযান চালায়।"উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের সমগ্র ভাব ধারণ করেনি।"- তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- সাদবীন একটি স্কুলে মালীর কাজ করে। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় সারা দেশে থমথমে অবস্থা বিরাজমান। হঠাৎ রাতে তার বাড়িতে আশ্রয় নেয় দূরসম্পর্কের এক আত্মীয়। পরে জানতে পারে সে ছিল একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা। ভুলক্রমে তার একটি অস্ত্র ফেলে ভোররাতে সে চলে যায়। মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্রটি হাতে নিলে সাদবীনের ভিতরে দ্রোহের ভাব লক্ষ করে। কাউকে কিছু না জানিয়ে সে যুদ্ধে চলে যায় দেশ স্বাধীন করার জন্য।'সাদবীনদের 'দ্রোহ চেতনা স্বাধীনতা অর্জনের অন্যতম কারণ।'- উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- ১০ মার্চ, ১৯৭১। রাস্তায় রাস্তায় পাকিস্তানি মিলিটারি। গুয়াতলী গ্রামের হিন্দু জনগোষ্ঠী ভয়ে ভারতে পাড়ি জমায়। শুধু ভিটে আঁকড়ে পড়ে থাকে কেষ্টবাবু। পাশের গ্রামে, ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প। স্থানীয় রাজাকার কাশেম মোড়ল কেষ্টবাবুকে সন্দেহের চোখে দেখে। সে মনে করে কেষ্টবাবু মুক্তি বাহিনীর লোক। এক বৃষ্টিমুখর দিনে গুয়াতলী গ্রামে মিলিটারি প্রবেশ করে এবং কাশেম মোড়লের ইশারায় হানাদার বাহিনী তাকে ধরে নিয়ে পার্শ্ববর্তী রাস্তার পাশে জীবন্ত পুঁতে রেখে চলে যায়।"উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের একটি খণ্ডচিত্র মাত্র।"-উক্তিটির সত্যতা যাচাই করো।
- ‘একটা জিপ উড়াইয়া দিছে, কমপক্ষে পাঁচটা খানসেনাখতম।' তথ্যটি 'রেইনকোট গল্পের কোন চরিত্রেরমাধ্যমে জানা যায়?
- 'ভালোই হলো। তোমার গোড়ালি পর্যন্ত ঢাকা পড়েছে। পায়েও বৃষ্টি লাগবে না।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- "রেডিও টেলিভিশনে হরদম বলছে সিচুয়েশন নর্ম্যাল" ব্যাখ্যা কর।
- 'রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুন।'- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- 'টুপির তেজ কী পানিতেও লাগল নাকি?' ব্যাখ্যা করো।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা নিশ্চিন্তে দেশেই অবস্থান করেছিলেন। তাঁদের ধারণা ছিল, পাকিস্তান সেনাবাহিনী অকারণে মানুষ হত্যা করবে না। অন্তত যুদ্ধের নিয়ম, জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী এমনই হওয়ার কথা। কিন্তু পরাজয় নিশ্চিত জেনে ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনীর সাহায্যে অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। যাদের কেউ আর ফিরে আসেননি; লাশও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবুও বাংলার স্বাধীনতাকে রুদ্ধ করতে পারেনি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী।উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের কোন বিষয়টিকে উপস্থাপন করেছে? আলোচনা করো।
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস জন্মগ্রহণ করেন কোথায়?
- 'মিসক্রিয়ান্ট' শব্দের অর্থ কী?