'আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে।'- বুঝিয়ে দাও।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- সিরাজউদ্দৌলার পিতার নাম-
- বৃটিশ শাসকদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ভারতবাসী। ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে এগিয়ে আসেন তার অনেক অনুসারী। এদেরই একজন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন কিন্তু আত্মসমর্পণ করেননি।'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল উপজীব্য দেশপ্রেম, যা উদ্দীপকে বিদ্যমান- তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে চতুর্থ অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের স্থানিক পট কোথায়?
- ইংল্যান্ডের বীর সন্তান বলে কে নিজের পরিচয় দেয়?
- ওয়ার্ল্ড গার্ডেন নেটওয়ার্ক নামে একটি বেসরকারি কোম্পানি রাতারাতি সারা দেশ ব্যাপী প্রসার লাভ করে। স্বল্প বিনিয়োগে মোটা অংকের মুনাফা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা দেশের সাধারণ মানুষের নিকট হতে টাকা তোলা শুরু করে। কয়েক মাসের মধ্যে কোম্পানিটির জনপ্রিয়তা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। প্রচুর পরিমাণে টাকা হাতিয়ে নিয়ে কোম্পানিটি এক রাতের মধ্যে সারা দেশ হতে গায়েব হয়ে যায়। এই ভুয়া কোম্পানির নিকট দেশের সাধারণ মানুষগুলো তাদের সর্বস্ব খুইয়ে দারুণভাবে প্রতারিত হয়।উদ্দীপকের কোম্পানির উদ্দেশ্যে এবং 'সিরাজউদ্দৌলা ' নাটকে বর্ণিত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্দেশ্য একই সূত্রে গাঁথা'- তোমার মতামত দাও।
- 'বিসর্জন' নাটকে সন্তানতুল্য ছাগশিশুকে দেবীর মন্দিরে বলি দেওয়ার কারণে শোকার্ত ভিখারি অপর্ণা। সে রাজা গোবিন্দ মাণিক্যের কাছে বিচারপ্রার্থী হয়। সন্তানহারা ভিখারির দুঃখ রাজচিত্তকে আহত করে। রাজা রাজ্যে পশুবলি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন কিন্তু তাঁর এ আদেশ মেনে নিতে পারে না রাজ-পুরোহিত রঘুপতি। তিনি রাজার অনুজ নক্ষত্র রায়কে রাজ্যলোভে বশ করে রাজাকে হত্যা করতে রাজি করান।উদ্দীপকের নক্ষত্র রায়ের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগমের সাদৃশ্য দেখাও।
- "আপনাকে আমরা মায়ের মত ভালবাসি।" ঘসেটি বেগমকে উদ্দেশ্য করে একথা বলেছিল-
- গোলকচন্দ্র বসু ও তাঁর রাইয়ত সাধুচরণের আলাপ-চারিতায় ফুটে ওঠে ইংরেজ কর্তৃক সাধারণ চাষিদের নীল চাষে বাধ্য করা, নীল চাষে অস্বীকৃতি জানালে জেল-জুলুম, নিরীহ বৌ-ঝির সম্ভ্রমহানি প্রভৃতি দৈনন্দিন কর্মকান্ডের অংশ। প্রজা পীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য গোলক বসুর পুত্র নবীন মাধব প্রতিবাদী হয়ে ওঠে এবং নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে মামলা করে। একবার এক নীলকরকে বাগে পেয়েও চারিত্রিক ঔদার্যের কারণে সেই নীলকরকে কঠিন শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দেয়। অথচ পরবর্তী সময়ে সেই নীলকরদের লাঠিয়াল বাহিনীর নির্মম প্রহারে নবীন মাধব মৃত্যুবরণ করে। উদ্দীপকের নীলকরদের অত্যাচারের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কে বর্ণিত ইংরেজদের অত্যাচারের তুলনা করো।
- "শওকত জঙ্গ নবাব হলে সকলের উদ্দেশ্য হাসিল হবে।"- কেন?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাব কোথায় গিয়ে বন্দিদেরবিচার করবেন?
- ‘ভীরু প্রতারকের দল চিরকালী পালায়’- এটি কার সংলাপ?
- ইতিহাস পথ নিল কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদের জোয়ার লাগে,পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জ বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়'- এ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনির আলোকে কতটা সত্য? মূল্যায়ন করো।
- 'ইনি কি নবাব না ফকির?'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- উমিচাঁদ কোথা থেকে বাংলাদেশে এসেছে?
- প্রাচীন গ্রিস প্রজাতন্ত্রী নগররাষ্ট্র ছিল। 'জুলিয়াস সিজার একজন সফল সেনাপ্রধান ছিলেন। কালক্রমে জুলিয়াস সিজার একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। তাঁর এ নীতির সমর্থন দেন তাঁর স্নেহভাজন ব্রুটাস। পরবর্তীতে সিনেটররা রাষ্ট্রের কল্যাণার্থে সিজারকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেন। ব্রুটাস তখন ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে যোগ দেন। নিরস্ত্র সিজারকে সিনেটররা একের পর এক ছুরিকাঘাত করতে থাকে। যখন ত??ঁর প্রিয় ব্রুটাস তাঁকে ছুরিকাঘাত করেন তখন সিজার হতবাক হয়ে বলে, Et tu, Brue অর্থ: ও ব্রুটাস তুমিও?উদ্দীপকে জুলিয়াস সিজারের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে এবং কিভাবে? আলোচনা করো।
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়'---কোন ধরনের গ্রন্থ?
- নতুন বাইকে চেপে রাশেদ একদিন বিকেলে তার মামার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথিমধ্যে নির্জন স্থানে লাঠিতে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একজন লোক হাত তুলে তাকে থামতে বলে। রাশেদ কাছে গিয়ে বাইক থামালে লোকটি তাকে অনুরোধ করে বলে- "ভাই, আমি একজন পঙ্গু মানুষ, দয়া করে আমাকে সামনের মোড়ে নামিয়ে দিবেন?" রাশেদ তাকে বাইকের পিছনে নিয়ে কিছুদূর যেতেই লোকটি কৌশলে তার হাতের লাঠি ফেলে দেয় এবং তাকে লাঠিটা আনতে অনুরোধ করে। রাশেদ বাইক থেকে নেমে লাঠি আনতে গেলে লোকটি নিমিষেই বাইক নিয়ে উধাও হয়ে যায়।সরল বিশ্বাসের কারণে মানুষ প্রতারণার শিকার হয়- উদ্দীপকের আলোকে মন্তব্যটি 'সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ক্ষেত্রে কতটুকু সত্য তা বিশ্লেষণ করো।
- কাকে ঘুষ খাইয়ে চন্দন নগর ধ্বংস করা হয়েছে?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন?
- মোহাম্মদী বেগ কত টাকার বিনিময়ে সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করতে রাজি হয়েছিল?
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়।'- ব্যাখ্যা করো।
- কে নবাব সিরাজউদ্দৌলা'র আত্মীয় ছিলেন?
- 'ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে । বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব।'- ব্যাখ্যা করো।
- ‘ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়' এটি কার সংলাপ?
- "এদেশে থেকে এ দেশকে ভালোবেসেছি"-সংলাপটি কার?
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়'- ব্যাখ্যা করো ।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে অঙ্ক সংখ্যা কত?
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে।' ব্যাখ্যা কর।
- অবিসংবাদিত নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে দেশের জনমানুষ সুসংহত হতে থাকে। সকলে পরাশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার শপথ নেয়। এ সময় কিছু রাষ্ট্রদ্রোহী ব্যক্তিবর্গ প্রতিপক্ষের সাথে শলাপরামর্শ করে স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য। অথচ দেশবিরোধীরা ধর্মগ্রন্থ নিয়ে শপথ করে যে তারা দেশের স্বার্থে ও নেতার পক্ষে কাজ করবে। তাদের মধ্যে আবার কেউ বলে, বাইবেলের কসম আমার জীবন দেশের কল্যাণে উৎসর্গকৃত।
- 'রজার ড্রেক প্রাণভয়ে কুকুরের মতো ল্যাজ গুটিয়ে পালিয়েছে'- ব্যাখ্যা করো।
- পঁচিশে মার্চের রাতে হানাদার বাহিনী ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইনস আক্রমণ করলে মুমিনের বাবা প্রাণ হারান। বাবা মারা যাওয়ার পর মুমিনের দাদা ওদের পরিবারের সকলকে গ্রামে নিয়ে যান। তখন থেকেই মুমিন প্রতিজ্ঞা করে- তার বাবার হত্যার প্রতিশোধ নিতে হবে। খানদের তাড়াতে হবে এ দেশ থেকে।"উদ্দীপকটি 'সিরাজদ্দৌলা' নাটকের সামগ্রিক প্রতিফলন নয়।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- রহিম গাজীর খুব কাছের লোক ছিল শিহাব উদ্দীন। সে তাকে বিশ্বাস করে তার জমিজমা দেখাশোনার ভার দেয়। কিন্তু একদিন রহিম গাজী দেখে তার সম্পত্তি শিহাব উদ্দীনের নামে হয়ে আছে। সে ভাবল এত দিন সে ভুল মানুষকে বিশ্বাস করেছে। বিশ্বাস করা ভালো, কিন্তু অন্ধবিশ্বাস কখনো কখনো মানুষকে সর্বনাশ করে ফেলে।উদ্দীপকের শিহাব উদ্দীন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? যুক্তিসহ বুঝিয়ে লেখো।
- তামা-তুলসী গঙ্গাজল ছুঁয়ে ঈশ্বরের নাম শপথ করছি , আমার জীবন নবাবের কল্যাণে উৎসর্গীকৃত ।'সিরাজ-উ-দ্দৌলা নাটকে এ উক্তি কে করে ?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে প্রথ?? অঙ্কের প্রথমদৃশ্যটির স্থান কোনটি?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ক্ষমতায় আসার পর থেকে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তার আত্মীয়স্বজন, পর্যন্ত তার বিরুদ্ধাচরণ করে। অনেক ক্ষেত্রেই তিনি এই ষড়যন্ত্রের জাল ভেদ করতে পেরেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই পারেননি। পলাশির যুদ্ধে তিনি যেমন প্রতারিত হয়েছিলেন তেমনি ভাগ্য তার বিরুদ্ধে ছিল।উদ্দীপকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার যে সফলতার ইঙ্গিত রয়েছে তা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যের সাথে। মিলিয়ে ব্যাখ্যা করো।
- জোহরাঃ আর একদিন কি দু'দিন। তারপরই সে ঘোর সময় শুরু হবে। তুমি ফিরে এসো, আমার সঙ্গে ফিরে চলো। কার্দিঃ যে ফিরে যাবে সে আমি হবো না, সে হবে বিশ্বাসঘাতক। ... আমার সংকটের দিনে যারা আমাকে আশ্রয় দিয়েছে, কর্মে নিযুক্ত করেছে, ঐশ্বর্য দান করেছে সে মারাঠাদের বিপদের দিনে আমি চুপ করে বসে থাকব? পদত্যাগ করব/দলত্যাগ করব? সে হয় না, জোহরা। (রক্তাক্ত প্রান্তর- মুনীর চৌধুরী)উদ্দীপকের কার্দি চরিত্রের মাধ্যমে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি তুলে ধরা হয়েছে?
- ‘কবর’ নাটক কার রচনা?
- মিরজাফর অগ্নিগিরির মতো প্রচণ্ড গর্জনে ফেটে পড়বার জন্য তৈরি হন কেন?
- 'পলাশিতে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয়।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- আবেদ আলী এতিম জালালকে আদর, ভালোবাসা আর বিশ্বাস-ভরসা দিয়ে বড় করে তোলেন। তাকে বিশ্বাস করে হাটে বাজারে পাঠান বিকিকিনি করতে। প্রতিবেশীরা সাবধান করলেও আবেদ আলী তা কানে তোলেননি। ১৯৭১ সালে যুদ্ধ শুরু হলে আবেদ আলী বাড়ির ভিতরে থেকে জালালকে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে চলে যেতে বলেন। কিন্তু জালাল প্রতিশ্রুতি দিয়েও লোভে পড়ে আবেদ আলীকে ধরিয়ে দেয় রাজাকার আর পাক হানাদারদের হাতে।"উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পুরো ভাব প্রকাশিত না হলেও একটি দিক মাত্র প্রকাশিত হয়েছে"- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।