T2 ফায ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য-
সঠিক উত্তরঃ
A.
লাইসোজাইম নামক পোষক কোষের আবরণ বিনষ্টকারী উৎসেচক থাকে
Explanation:

Another Explanation (5):
T2 ফ্যাজ ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য: লাইসোজাইম উৎসেচক 🧬
T2 ফ্যাজ ভাইরাস একটি ব্যাকটেরিওফাজ, যা Escherichia coli (E. coli) ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে। এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো লাইসোজাইম নামক একটি বিশেষ উৎসেচক (Enzyme) এর উপস্থিতি।
লাইসোজাইম: কোষ প্রাচীর ধ্বংসকারী অস্ত্র 🔪
লাইসোজাইম একটি এনজাইম যা ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর ভেঙে দিতে সক্ষম। T2 ফ্যাজের ক্ষেত্রে, এটি নিম্নলিখিত ভূমিকা পালন করে:
- ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ: T2 ফ্যাজ যখন E. coli-কে আক্রমণ করে, তখন এটি প্রথমে ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের সাথে আবদ্ধ হয়।
- কোষ প্রাচীর দুর্বলকরণ: এরপর লাইসোজাইম উৎসেচক ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের পেপটিডোগ্লাইকান স্তরকে ভেঙে ফেলে, যা প্রাচীরকে দুর্বল করে দেয়। 🤕
- ডিএনএ অনুপ্রবেশ: কোষ প্রাচীর দুর্বল হয়ে গেলে, ভাইরাসের ডিএনএ ব্যাকটেরিয়ার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে। 🧬➡️🦠
- ভাইরাস তৈরি ও মুক্তি: ভাইরাসের ডিএনএ ব্যবহার করে নতুন ভাইরাস তৈরি হয়, এবং লাইসোজাইমের মাধ্যমে কোষ প্রাচীর সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে তারা মুক্ত হয়। 💥
লাইসোজাইমের কার্যকারিতা: টেবিল 📊
| বৈশিষ্ট্য | বর্ণনা |
|---|---|
| উৎসেচক (Enzyme) | লাইসোজাইম 🧪 |
| কার্যকারিতা | ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর ধ্বংস 🧱➡️💀 |
| লক্ষ্যবস্তু | পেপটিডোগ্লাইকান স্তর (কোষ প্রাচীরে) |
| ফলাফল | কোষের লাইসিস (ধ্বংস) এবং ভাইরাসের মুক্তি 🔓 |
T2 ফ্যাজের জীবনচক্রে লাইসোজাইমের ভূমিকা 🦠➡️💥
- ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার কোষে প্রবেশ করে বংশবৃদ্ধি করে।
- কোষের অভ্যন্তরে নতুন ভাইরাস কণা তৈরি হয়।
- লাইসোজাইম কোষ প্রাচীর ভেঙ্গে ভাইরাসগুলোকে মুক্ত করে। ➡️ মুক্তি ✅
- এই মুক্ত ভাইরাসগুলো নতুন ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে। 🎯
সুতরাং, লাইসোজাইম T2 ফ্যাজের জন্য অত্যাবশ্যকীয় একটি উপাদান, যা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ও বংশবৃদ্ধিতে সহায়ক। 👍
আরও জানতে চোখ রাখুন! 👀