মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

নিম্নের কোনটি সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশে ব্যবহৃত হয় না?

A. টিকাদান
B. উদ্বুদ্ধকরণ
C. এন্টিবডি
D. ডি ডি টি
Poster Download
NITORজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানবদেহের প্রতিরক্ষাপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় টিকার ভূমিকা (Topic Practice)NITOR - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. ডি ডি টি
Another Explanation (5): নিম্নের কোনটি সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশে ব্যবহৃত হয় না? উত্তর: "ডি ডি টি" ব্যাখ্যা: ডি ডি টি (Dichlorodiphenyltrichloroethane) এক ধরণের কীটনাশক, যা ঐতিহাসিকভাবে বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধি যেমন ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়েছে। তবে, পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে বিশ্বব্যাপী অনেক দেশে এটি নিষিদ্ধ বা ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বাংলাদেশেও ডি ডি টি এর ব্যবহার বর্তমানে বন্ধ বা সীমিত। মূলত, বাংলাদেশের সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে এই কীটনাশকের ব্যবহার বর্তমানে হয় না। পরিবর্তে, অন্যান্য আধুনিক ও নিরাপদ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
Option A Explanation:
  • টিকাদান: এটি একটি প্রতিরক্ষামূলক প্রক্রিয়া যা রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
  • প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন দ্বারা রোগ প্রতিরোধের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • নির্দিষ্ট রোগের সংক্রমণ এড়াতে টিকাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • বাংলাদেশ সহ অনেক দেশে বিভিন্ন রোগের জন্য নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচী চালু রয়েছে।
Option B Explanation:
  • উদ্বুদ্ধকরণ: এটি সাধারণত ব্যবহৃত হয় না সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে। বরং, এটি মানসিক বা আবেগগত প্ররোচনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:
  • এন্টিবডি (Antibody): এটি একটি প্রোটিন যা শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা (immune system) দ্বারা উৎপন্ন হয়।
    • এন্টিবডি মূলত ক্ষতিকর উপাদান যেমন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা টক্সিনের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
    • এটি অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে তাদের নিষ্ক্রিয় করে বা অন্য উপায়ে ধ্বংস করে দেয়।
    • রক্তে এন্টিবডির পরিমাণ বা ধরনের রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:
  • ডি ডি টি (DDT): ডি ডি টি একটি কীটনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল, যা প্রাথমিকভাবে কীটপতঙ্গের মাধ্যমে ছড়ানো সংক্রামক রোগের প্রতিরোধে ব্যবহৃত হত।
  • বিশেষ করে, এটি মালেরিয়া ও ডেঙ্গুজনিত মশার জন্য ব্যবহৃত হত, তবে বর্তমানে এর পরিবেশগত প্রভাব ও স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি থাকায় বিশ্বব্যাপী এর ব্যবহার কমে গেছে বা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
  • বাংলাদেশে এখন ডি ডি টি সাধারণত সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয় না, তবে এটি অন্য দেশের কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে।