'দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে'? বিনা' শব্দটি-
A. অনুসর্গ
B. অব্যয়
C. সর্বনাম
D. উপসর্গ
সঠিক উত্তরঃ
A.
অনুসর্গ
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- আহ্লাদিকে জণ্ডর কাছে পাঠাতে মাসি-পিসি কেন চায়নি?
- 'রেডিওগ্রাম'-এর বাংলা প্রতিশব্দ কী?
- এইখানে তোর বুজির কবর পরীর মতন মেয়ে, বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে।এত আদরের বুজিরে যে তাহারা ভালোবাসিত না মোটে,হাতেতে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।উদ্দীপকে বুজির সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির অবস্থার তুলনা করো।
- বকুল যখন স্বামীহারা হয় তখন তার মেয়ে পারুলের বয়স দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। লোকের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে বকুল। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছেধ করে মায়ের কাছে ফিরে আসে পারুল। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য মেয়ে পারুল হয় বকুলের অবলম্বন। মায়ের জীবন-সংগ্রাম দেখে বড় হওয়া পারুল মায়ের চেয়ে সাহসী এবং আত্মমর্যাদাশীল। বাড়ির পাশে শাক-সবজি চাষ করে, ঘরে হাস-মুরগি পালন করে, ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে মা ও মেয়ে। যে কোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জীবন বলি রাখার দৃঢ় প্রত্যয় বকুল ও পারুলের চাল চলনে।উদ্দীপকের পারুলের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বৈপরীত্য দেখাও।
- ১৯৭১ সাল। পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচারে দিশেহারা, পর্যুদস্ত দেশ। মাঠ-ঘাট পেরিয়ে মিলিটারি-রাজাকারের চোখ এড়িয়ে ভারতের আশ্রয় শিবিরের উদ্দেশ্যে ছুটে চলার প্রাণান্ত চেষ্টা বৃদ্ধা আদুরির। হঠাৎ খেতের মধ্যে গুলিবিদ্ধ মায়ের লাশের পাশে কান্নারত এক শিশুকে দেখে থমকে যায় আদুরি। নিঃস্ব কোলে তুলে নেয় অসহায় শিশুটিকে। আবারও ছুটতে থাকে আদুরি। শিশুটিকে যে বাঁচাতেই হবে-ভাবতে ভাবতে সুদৃঢ় হয় বৃদ্ধার পদক্ষেপ।'ভাবতে ভাবতে সুদৃঢ় হয় বৃদ্ধার পদক্ষেপ।'-এ উক্তিটি দ্বারা 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসির চারিত্রিক দৃঢ়তা ব্যাখ্যা করো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?
- মাসি-পিসি' গল্পটি 'পূর্বাশা' পত্রিকায় কত বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়?
- ‘দুজনে মিলে কাজ করছে যেন একজন করছে।' -- উক্তিটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে মাসি-পিসির-
- 'মাসি-পিসি' গল্পে চৌকিদার কানাইয়ের সাথে কয়জন পেয়াদা এসেছিল?
- দীপ শিখা গার্মেন্টসের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয় গার্মেন্টস কর্মী দম্পতি জলিল ও রাবেয়া। তাদের একমাত্র মেয়ে জোবাইদা অনাথ হয়ে আশ্রয় নেয় বৃদ্ধ নানা-নানির সংসারে। গরিব নানা-নানি তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে তাকে বিয়ে দেয় পাশের গ্রামের আকিবের সাথে। কিন্তু সুখের মুখ দেখা হলো না জোবাইদার। আকিব তাকে মারধর করে এবং সারাদিন কিছু না' খেতে দিয়ে ঘরে আটকে রাখে। স্বামীর এই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সে আবার ফিরে আসে নানা-নানির কাছে। নানা-নানি এতে ভীষণ কষ্ট পায় তবু পরম যত্নে আগলে রাখে অসহায় জোবাইদাকে।"উদ্দীপকের নানা-নানির অবস্থা 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি ও পিসির মতোই হৃদয় বিদারক।”- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- ভূতপূর্ব' কোন সমাসের উদাহরণ?
- 'ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়,'- এখানে 'পাষাণ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- নিচের কোনটি আবুল ফজল রচিত উপন্যাস?
- "নিজেকে তার ছ্যাচড়া,নোংরা নর্দমার মত লাগে" -কে বলছে?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাক নাম কী?
- কার জন্য নুরুলহুদাকে এক্সট্রা তটস্থ থাকতে হয়?
- মাসি-পিসির পেশা কী ছিল?
- সীমা শৈশবে মা-বাবাকে হারিয়ে চাচার-আশ্রয়ে ছিল। সেখানে থাকাকালীন তার বাল্যবিবাহ হয়। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার তেমন সহযোগিতা না পেলেও দমেনি সীমা। টিউশনি করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। সীমা এখন মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।"উদ্দীপকের সীমা এবং 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদি উভয়েই নির্যাতিত নারী সমাজের প্রতিনিধি।"- বিশ্লেষণ করো।
- দুর্ভিক্ষের মর্মস্পর্শী আভাসিত হয়েছে কোন গল্পে? ?