বন্ধুদের সাথে বাজি ধরে খ্যাতি লাভ করেছিলেন কোন লেখক?
A. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
B. মানিক বন্দোপাধ্যায়
C. বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়
D. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
সঠিক উত্তরঃ
B.
মানিক বন্দোপাধ্যায়
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'বজ্জাত হোক, খুনে হোক, জামাই তো।'— 'মাসি-পিসি'গল্পের পিসির এই উক্তির মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে-
- 'মাসি-পিসি' গল্পে কোন রোগটি মহামারির অন্তর্ভুক্ত?
- কোনটির লিঙ্গান্তর হয় না?
- সাঁওতাল পরগনায় জন্মগ্রহণ করেন—
- মাসি-পিসি' গল্পের একটি অন্যতম দিক কী?
- মিনার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা রানু তাকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। সে তার স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য কৃষিজমিতে উৎপন্ন ফসল বিক্রি করে যা আয় করে তাতে মিনার লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারে না। তাই অন্যের বাড়িতে ধান ভানা, মাড়াই দেওয়া ও গৃহপরিচারিকার কাজ করে মিনার লেখাপড়া ও সংসারের খরচ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বাধা হয়ে দাঁড়াল মিনার বয়স। ষ???ড়শী মিনাকে গ্রাম্য মোড়লের কুদৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য সে তাকে বিয়ে দিলো। কিন্তু অর্থলোভী ও স্বার্থান্ধ পরিবারে মিনার ঠাঁই হলো না। সে মায়ের কাছে চলে এলো। শুরু হলো মা-মেয়ের নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াই। উদ্দীপকের সমাজচিত্রের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের সমাজচিত্রের সাদৃশ্য কতটুকু? আলোচনা করো।
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
- 'অতসী মামী' নামক প্রথম গল্প লিখে কোন লেখক খ্যাতি অর্জন করেন?
- সাফিয়ার বাবা একজন দরিদ্র দিনমজুর। অনেক ধার-দেনা করে তিনি মেয়েকে বিয়ে দেন। ভাগ্যের নির্মমতায় বিয়ের পরেই সাফিয়ার জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। পাঁচ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে সাফিয়াকে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। অসহায় সাফিয়ার পরিবার শ্বশুরবাড়িতে সাফিয়া মিলেমিশে থাকতে না পারার দরুন তাকে উলটা ভর্ৎসনা করে। মনের কষ্টে সাফিয়া সব কিছু ছেড়ে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেয়।"মাসি-পিসি' গল্পের 'মাসি-পিসি'র মতো অভিভাবক থাকলে উদ্দীপকের সাফিয়ার পরিণতি এমন হতো না।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- আল্লাদি একটা শব্দ করে, অস্ফুট আর্তনাদ মতো- কেন?
- শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত 'সারেং বৌ' উপন্যাসের নায়িকা নবিতুন। গ্রামের বধূ নবিতুন যার স্বামী কদম সারেং ও মেয়ে আককিকে নিয়ে তার সংসার। জীবিকার তাগিদে কদম সারেংকে বছরের পর বছর জাহাজে কাটিয়ে দিতে হয়। প্রতি তিন মাস অন্তর সারেং টাকা ও চিঠি পাঠায়। হঠাৎ এই টাকা ও চিঠি আসা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর চারপাশের অশুভ ইঙ্গিত তাকে তখন তাড়া করে বেড়ায়। আছে দারিদ্র্য ও দুর্যোগ। আত্মবিশ্বাস, সাহস, বুদ্ধিমত্তা আর দৃঢ়তা দিয়ে সবকিছু জয় করে সে। স্বামীর প্রতি ভালোবাসা আর সুন্দর জীবনের স্বপ্ন তাকে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা জোগায়। উদ্দীপকের নবিতুনের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন দিকটির সাদৃশ্য লক্ষ করা যায় তার বর্ণনা দাও।
- "নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে"- কার, কেন?
- 'যাবজ্জীবন' কোন সমাস?
- দীপ শিখা গার্মেন্টসের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয় গার্মেন্টস কর্মী দম্পতি জলিল ও রাবেয়া। তাদের একমাত্র মেয়ে জোবাইদা অনাথ হয়ে আশ্রয় নেয় বৃদ্ধ নানা-নানির সংসারে। গরিব নানা-নানি তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে তাকে বিয়ে দেয় পাশের গ্রামের আকিবের সাথে। কিন্তু সুখের মুখ দেখা হলো না জোবাইদার। আকিব তাকে মারধর করে এবং সারাদিন কিছু না' খেতে দিয়ে ঘরে আটকে রাখে। স্বামীর এই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সে আবার ফিরে আসে নানা-নানির কাছে। নানা-নানি এতে ভীষণ কষ্ট পায় তবু পরম যত্নে আগলে রাখে অসহায় জোবাইদাকে।"উদ্দীপকের নানা-নানির অবস্থা 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি ও পিসির মতোই হৃদয় বিদারক।”- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
- বিধবা শেফালীর সংসারে পনেরো বছরের একটি মেয়ে ছাড়া আর কেউ নেই। নিজের ও মেয়ের ভরণপোষণের দায়িত্ব শেফালীকেই নিতে হয়। স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য জমিটুকুর দেখাশোনাও সে করে। পাড়ার বখাটেরা প্রায়ই তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে। শেফালী গ্রামের মোড়লের কাছে বিচার দাবি করলেও সে ন্যায়বিচার পায়নি। রক্ষকের নামে ভক্ষকদের কারণে শেফালীর মতো নারীদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।'রক্ষকের নামে ভক্ষকদের কারণে শেফালীর মতো নারীদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।'- মন্তব্যটি 'মাসি-পিসি' গল্পের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- সালমার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা অসহায় হয়ে পড়ে। একদিকে অর্থকষ্ট,অন্যদিকে ষোলো বছর বয়সী সালমার সামাজিক নিরাপত্তা, সব মিলিয়ে সালমার মা দিশেহারা হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় সালমার বিধবা খালা তাদের বাড়িতে এসে সালমার দেখাশুনার ভার নেয়। সালমার মা-খালা অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে নিজেদের খাওয়া পরা চালায়। এভাবেই তারা জীবনের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার চেষ্টা করে।উদ্দীপকের উপার্জনের পথ 'মাসি-পিসি' গল্পে মাসি-পিসির উপার্জনের পথ থেকে ভিন্নতর কেন?
- 'নিজেকে তার ছ্যাচড়া, নোংরা, নর্দমার মতোলাগে।'- কার সম্পর্কে বলা হয়েছে?
- কারণে-অকারণে বউকে প্রহার করা তাহেরের অভ্যাস।নির্যাতন সইতে না পেরে তার বউ অবশেষে আত্মহত্যা করে।তাহের পুনরায় বিয়ে করে এবং আবারও স্ত্রীর ওপর অত্যাচারশুরু করে। উদ্দীপকের তাহের 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন চরিত্রেরসাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনায় দুজন দার্শনিকের ভাবনার প্রতিফলন আছে?
- উপাচার্য' শব্দটি কোন সমাসসাধিত?
- স্বামীর মৃত্যুর পর প্রতিকূল পরিবেশে টিকতে না পেরেরোকেয়া ভাগলপুরে মেয়েদের স্কুল ও বৃদ্ধাশ্রমপ্রতিষ্ঠা করে নিজেকে শিক্ষা বিস্তার ও সমাজসেবারকাজে ব্যস্ত রাখেন । 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি উদ্দীপকেররোকেয়ার সাথে কীসে তুলনীয়?
- দশম শ্রেণির ছাত্রী আসমা এক দরিদ্র পিতার সন্তান। গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি গওহর মণ্ডল জোরপূর্বক আসমাকে পুত্রবধু বানাতে চায়। হুমকি দেয় তুলে নিয়ে যাওয়ার। এই, পরিস্থিতিতে আসমার বান্ধবীরা পাশে এসে দাঁড়ায়। মন্ডলের বখাটে ছেলের হাতে পড়ে মেধাবী ছাত্রী আসমার লেখাপড়া ধ্বংস হোক তারা চায় না। বান্ধবীরা বিষয়টি স্থায়ীয় সাংবাদিক ও কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে জানায়। তারা দলবেধে স্কুলে যায় এবং পালা করে আসমার বাড়ি পাহারা দেয়। এতে দমে যায় গওহর মণ্ডল। জয় হয় সম্মিলিত প্রতিরোধের।"জয় হয় সম্মিলিত প্রতিরোধের'- এ কথা 'মাসি-পিসি' 'গল্পের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- সীমা শৈশবে মা-বাবাকে হারিয়ে চাচার-আশ্রয়ে ছিল। সেখানে থাকাকালীন তার বাল্যবিবাহ হয়। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার তেমন সহযোগিতা না পেলেও দমেনি সীমা। টিউশনি করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। সীমা এখন মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।উদ্দীপকের চাচা ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি চরিত্রের তুলনামূলক আলোচনা করো।
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- শৈশবে বাবা-মাকে হারিয়ে এক চাচার আশ্রয়ে থাকা আসমার জীবনে ঘটে যায় বাল্যবিবাহ। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার সহযোগিতা না পেলেও দমে যায়নি সে। টিউশন করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় লাভ করে ভালো ফল। আসমা এখন মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্রী।"উদ্দীপকের আসমা এবং 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদি উভয়েই নির্যাতিত নারী সমাজের প্রতিনিধি।"- আলোচনা করো।
- 'মাসি-পিসি' গল্পের চরিত্র কোনগুলো?
- "শুনি রাজা কহে, “বাপু, জান তো হে, করেছি বাগানখানাপেলে দুই বিঘে প্রস্থে ও দীঘে সমান হইবে টানা ওটাদিতে হবে।" উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে চৌকিদার কানাইয়ের সাথে কয়জন পেয়াদা এসেছিল?
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ?
- মাসি-পিসি' গল্পের বৈচিত্র্যময় দিক হলো-দুর্ভিক্ষের মর্মস্পশী স্মৃতিপ্রকৃতির প্রতি নিবিড়তামানবিক জীবনসংগ্রামনিচের কোনটি সঠিক?
- নাসির সাহেব তাঁর যাবতীয় সম্পদ বন্ধক রেখে একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দেন। টাকার লোভে জামাই মেয়েটির উপর অমানবিক নির্যাতন চালায়।উদ্দীপকের মেয়েটি ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির উক্ত দিকটির মূলে রয়েছে-পুরুষতান্ত্রিকতাসামাজিক অনাচারপ্রথানিচের কোনটি সঠিক?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ নামক উপন্যাসের উপজীব্য-
- ‘প্রেম’ শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয়-
- মাসি -পিসি গল্পে চৌকিদারের নাম কি ছিল
- 'মাসি-পিসি' গল্পে 'জগু আর সেই জগু নেই'—কথাটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে?
- দুর্ভিক্ষের মর্মস্পর্শী আভাসিত হয়েছে কোন গল্পে? ?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'মাসি-পিসি' গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- শৈশবে বাবা-মাকে হারিয়ে এক চাচার আশ্রয়ে থাকা আসমার জীবনে ঘটে যায় বাল্যবিবাহ। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার সহযোগিতা না পেলেও দমে যায়নি সে। টিউশন করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় লাভ করে ভালো ফল। আসমা এখন মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্রী।উদ্দীপকের চাচা ও ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি চরিত্রের তুলনামূলক চিত্র উপস্থাপন করো।