'অতসী মামী' নামক প্রথম গল্প লিখে কোন লেখক খ্যাতি অর্জন করেন?
A. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
B. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
C. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
D. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তরঃ
D.
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- আহ্লাদিকে স্বামীর ঘর ছেড়ে চলে যেতে হয় কেন?
- 'খবরটা কী তাই কও'- কার উক্তি?
- মাসি-পিসি' ফিরেছে কৈলেশ'- উক্তিটি করে?
- 'জগু আর সেই জগু নেই'— বলতে জগু চরিত্রেরকোনটিকে বোঝানো হয়েছে?
- 'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি- কেন?
- ‘প্রেম’ শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয়-
- নিজের সহায়সম্পদ না থাকলেও অকালপ্রয়াত বড়ো বোনের মেয়ে মিনাকে সযত্নে আগলে রাখে রাহেলা। অন্যের বাসায় কাজ করে রাহেলা মিনার ভরণপোষণের ব্যবস্থা করে। মিনার নিরাপত্তার কথা ভেবে রাহেলা মিনাকে সঙ্গে নিয়ে অন্যের বাসায় কাজ করতে যায়।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন প্রসঙ্গটি উঠে এসেছে? আলোচনা করো।
- ক্ষ্রুদ্রার্তে 'ইকা' প্রত্যয়যোগে গঠিত?
- 'সেই এখানকার কর্তা, সেই সর্বেসর্বা' 'মাসি-পিসি' গল্পে এ উক্তিটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে-
- মাসির হাতে জগু হলো- বজ্জাত খুনে মাতালনিচের কোনটি সঠিক?
- আহ্লাদিকে দেখে বুড়ো রহমানের চোখ ছলছল করে ওঠে কেন?
- ' জননী', 'চিহ্ন'-এগুলো কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
- সাহস মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। ভয় মানুষকে মৃত্যুর আগেই মৃত্যুপথযাত্রী করে তোলেউদ্দীপকের মূলভাব প্রকাশ পেয়েছে 'মাসি- পিসি' গল্পের কোন চরিত্রে?
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
- নিচের কোনটি আবুল ফজল রচিত উপন্যাস?
- 'সজাগ রইতে হবে রাতটা'।- 'মাসি-পিসি' গল্পে এই উক্তিটি কার?
- শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত 'সারেং বৌ' উপন্যাসের নায়িকা নবিতুন। গ্রামের বধূ নবিতুন যার স্বামী কদম সারেং ও মেয়ে আককিকে নিয়ে তার সংসার। জীবিকার তাগিদে কদম সারেংকে বছরের পর বছর জাহাজে কাটিয়ে দিতে হয়। প্রতি তিন মাস অন্তর সারেং টাকা ও চিঠি পাঠায়। হঠাৎ এই টাকা ও চিঠি আসা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর চারপাশের অশুভ ইঙ্গিত তাকে তখন তাড়া করে বেড়ায়। আছে দারিদ্র্য ও দুর্যোগ। আত্মবিশ্বাস, সাহস, বুদ্ধিমত্তা আর দৃঢ়তা দিয়ে সবকিছু জয় করে সে। স্বামীর প্রতি ভালোবাসা আর সুন্দর জীবনের স্বপ্ন তাকে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা জোগায়। উদ্দীপকের নবিতুনের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন দিকটির সাদৃশ্য লক্ষ করা যায় তার বর্ণনা দাও।
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- তারাপুর গ্রামের মেয়ে রাবেয়া। শ্বশুরবাড়ির নির্যাতন সইতেনা পেরে ফুফু সলিমা বেগমের কাছে পালিয়ে আসে । গ্রামেরমাতব্বর নারীলোভী জয়নালের কুদৃষ্টি পড়ে রাবেয়ার ওপর।কিন্তু সলিমা বেগম জননী সাহসিকা। তিনি দৃঢ়প্রত্যয়ী মা-পাখির মতো আগলে রাখেন অনাথ ভাইঝি রাবেয়াকে। সলিমা বেগম 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন চরিত্রেরপ্রতিনিধিত্ব করছেন?
- মাসি-পিসি গল্পে চৌকিদার কে?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে কার মাথায় ফেটিবাঁধা বাবরি চুল ছিল?
- বকুল যখন স্বামীহারা হয় তখন তার মেয়ে পারুলের বয়স দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। লোকের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে বকুল। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছেধ করে মায়ের কাছে ফিরে আসে পারুল। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য মেয়ে পারুল হয় বকুলের অবলম্বন। মায়ের জীবন-সংগ্রাম দেখে বড় হওয়া পারুল মায়ের চেয়ে সাহসী এবং আত্মমর্যাদাশীল। বাড়ির পাশে শাক-সবজি চাষ করে, ঘরে হাস-মুরগি পালন করে, ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে মা ও মেয়ে। যে কোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জীবন বলি রাখার দৃঢ় প্রত্যয় বকুল ও পারুলের চাল চলনে।উদ্দীপকের পারুলের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বৈপরীত্য দেখাও।
- ‘'জেলে নয় গেলাম কৈলেশ, কিন্তু মেয়া যদিসোয়ামির কাছে না যেতে চায় খুন হবার ভয়ে ?”উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে মাসি-পিসি চরিত্রের-
- মাসি-পিসির মধ্যে ঐকান্তিক ভাব থাকার কারণ কী?
- “নুনের অভাব” = আলুনি, এটি
- স্বামী পরিত্যক্তা হতদরিদ্র জয়গুন সূর্য-দীঘল বাড়িতেএকা বসবাস করে ৷উদ্দীপকের জয়গুন 'মাসি-পিসি' গল্পে কারপ্রতিনিধিত্ব করছে?
- 'সব বিরোধ সব পার্থক্য উড়ে গিয়ে দুজনের হয়ে গেল একমন, একপ্রাণ'- ব্যাখ্যা করো।
- 'সত্য বই মিথ্যা বলবো না' -এখানে 'বই' ?
- 'ও মাসি ও পিসি , রাখো রাখো । খপর আছে শুনে যাও" - উক্তিটি কার লেখা থেকে নেওয়া ?
- ‘প্রাগৌতিহসিক’ গল্পটি কার রচনা?
- 'মাসি-পিসি' গল্পের চরিত্র কোনগুলো?
- ট্রেনে উঠেই বুড়ো লোকটাকে দেখলাম। সে আমারদিকে তাকালো করুণ দৃষ্টিতে। জানি না, আমারমতো তার একটা ছেলে ছিল কি না।উদ্দীপকের বুড়ো লোকটার সাথে 'মাসি-পিসি'গল্পের কোন চরিত্রটি সমতা সৃষ্টি করে?
- মাসি ও পিসি কেন কাছারি যেতে রাজি হয়নি?
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ?
- "নিজেকে তার ছ্যাচড়া,নোংরা নর্দমার মত লাগে" -কে বলছে?
- সীমা শৈশবে মা-বাবাকে হারিয়ে চাচার-আশ্রয়ে ছিল। সেখানে থাকাকালীন তার বাল্যবিবাহ হয়। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার তেমন সহযোগিতা না পেলেও দমেনি সীমা। টিউশনি করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। সীমা এখন মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।"উদ্দীপকের সীমা এবং 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদি উভয়েই নির্যাতিত নারী সমাজের প্রতিনিধি।"- বিশ্লেষণ করো।
- 'মাসি-পিসি' গল্পে আহ্লাদীর মুখে কে দেখতে পায় নিজ মেয়ের মুখের ছাপ?
- নিচের কোন লেখক মার্কসবাদী লেখক হিসেবে পরিচিত?
- 'নিজের সবটুকু সম্বল বিক্রি করে ধুলু মিয়া মেয়ের বিয়ে দিলেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়িটা তার জন্য সুখের হলো না। এমন অত্যাচারের শিকার হয়েছে যে শ্বশুরবাড়ির নাম শুনলেই আঁতকে ওঠে।'উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মূল উপজীব্য হলো-
- মাসি-পিসির পেশা কী ছিল?