লালসালু উপন্যাসের উর্দু অনুবাদক কে?
A. কলিমুল্লাহ
B. ওয়ালীউল্লাহ্
C. আন মারি থিবো
D. আতাউল্লাহ
CoUUnit-Bবাংলা সাহিত্যউপন্যাসঃ লালসালুউপন্যাসঃ লালসালু (Topic Practice)CoU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
কলিমুল্লাহ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ধান দিয়ে কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে লালসালু উপন্যাসের উক্তিটি কে করেছেন?
- পদ্মা নদীতে কুবের মাছ ধরেছিল--
- মাছ ধরার সময় কুবের প্রথম কার সঙ্গে কথা বলেছিল?
- হাসিও না মিয়া বলার পর কে হাসা বন্ধ করে দিল?
- হাস্নাহেনার মিষ্টি-মধুর গন্ধ ছড়ায় কার কন্ঠে?
- লালসালু উপন্যাসের মজিদ মহব্বতনগর গ্রামে প্রথম যে দু’ ব্যক্তির নজরে পড়ে তাদের নাম তাহের ও কাদের। মজিদকে দেখতে পাবার সময় তারা-
- ‘লালসালু' উপন্যাসটি রচনা কাল কোনটি?
- 'ঠগ-পীরের পানি পড়ায় কী কোন কাম হয়?' 'লালসালু' উপন্যাসে এ উক্তি কার ?
- বাংলা উপন্যাস সহিত্যে ‘মজিদ' চরিত্রটি কোন উপন্যাসিকের সৃষ্টি?
- 'মায়া যেন ছলছল করে জেগে ওঠে।' 'লালসালু' উপন্যাসে কথাটি কার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- ’ধান দিয়ে কি হইবে, মানুষের জান যদি না থাকে।’ ‘লালসালু’ উপন্যাসের উক্তিটি কে করেছেন?
- লালসালু উপন্যাসের মজিদ মহব্বতনগর গ্রামে প্রথম যে দু’টি ব্যক্তির নজরে পড়ে তাদের নাম তাহের ও কাদের । মজিদকে দেখতে পাবার সময় তারা-
- 'লালসালু' উপন্যাসে মহব্বতনগর গ্রামে স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন কে?
- ঈশ্বর থাকেন ঐ গ্রামে, ভদ্র পল্লীতে উক্তিটির উপন্যাসের নাম-
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদের শিরোনাম-
- 'শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতই সতর্ক হয়ে ওঠে তার চোখ।' - কার চোখ?
- 'বেওয়া' শব্দের অর্ত কী?
- 'লালসালু' সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহর কোন জাতীয় রচনা?
- সর্বদর্শী অবস্থান থেকে কাহিনি বর্ণনা করা হয়েছে কোন রচনাটিতে?
- হাওয়ায় ক- দিন ধরে একটা কথা ভাসে । কোন কথা-
- হোসেন মিয়ার বাড়ি কোন অঞ্চলে ?
- 'শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতোই সতর্ক হয়ে ওঠে তার চোখ।'______ কার চোখ?
- তুমি কী মনে করো মিয়া? তুমি কী মনে করো তোমার বিবি মিছা বদনাম করে? তুমি হলফ কইরা বলতে পারো তোমার দিলে ময়লা নাই?' উক্তিটি কার?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাসের কোন চরিত্রটি পাওয়া যায়?
- পঁচিশে মার্চের পর সে দাঁড়ি রেখেছে। লোকমুখে শোনা যাচ্ছে মুখে দাঁড়ি আছে, কলমা জানে- এরকম সাচ্চা মুসলমানদের মিলিটারিরা কিছু বঙ্গে না। চড়-থাপ্পড় দিয়ে ছেড়ে দেয়। অনেক হিন্দুও দাঁড়ি রেখেছে। ...এখন অবশ্য মিলিটারিরা চালাক হয়ে গেছে। দাঁড়ি এবং টুপিতে কাজ হচ্ছে না। (হুমায়ূন আহমেদ, জোছনা ও জননীর গল্প) একই গদ্যাংশে হিন্দুদের আচরণ-
- শক্রর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মত সর্তক হয়ে উঠে তার চোখ। এখানে কার চোখের কথা বলা হয়েছে?
- আওয়ালপুর ও মহব্বতনগর গ্রামের মাঝখানে কোন গাছ আছে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা’ একটি -
- "সে বড় দুঃখের কাহিনি। সুখে ঘরকন্না করিতেছিল কপিলা, কী যে শনি ভর করিল তাহার কপালে, শীতের গোড়ায় স্বামীর সঙ্গে কলহ করিয়া সে চলিল বাপের বাড়ি। রাগ করিয়া তাহার স্বামী শ্যামাদাস আবার বিবাহ করিয়াছে, কপিলাকে নেয় না।" (মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, পদ্মানদীর মাঝি) 'শনি' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে-
- পঁচিশে মার্চের পর সে দাঁড়ি রেখেছে। লোকমুখে শোনা যাচ্ছে মুখে দাঁড়ি আছে, কলমা জানে- এরকম সাচ্চা মুসলমানদের মিলিটারিরা কিছু বঙ্গে না। চড়-থাপ্পড় দিয়ে ছেড়ে দেয়। অনেক হিন্দুও দাঁড়ি রেখেছে। ...এখন অবশ্য মিলিটারিরা চালাক হয়ে গেছে। দাঁড়ি এবং টুপিতে কাজ হচ্ছে না। (হুমায়ূন আহমেদ, জোছনা ও জননীর গল্প) উপরের গদ্যাংশে 'চালাক' শব্দটি যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে-
- 'নাফরমানি করিও না'- কথাটি কে বলেছে?
- মিসক্রিয়ান্ট শব্দটি ব্যবহার করেন-
- ' লালসালু ' উপন্যাসের শেষ বাক্য কোনটি ?
- 'মরা মানুষ জিন্দা হয় ক্যামনে?' লালসালু' উপন্যাসে এ কথা কে, কাকে বলেছে ?
- মজিদের মুখে থুথু দিয়েছিলেন কে ?
- "সে বড় দুঃখের কাহিনি। সুখে ঘরকন্না করিতেছিল কপিলা, কী যে শনি ভর করিল তাহার কপালে, শীতের গোড়ায় স্বামীর সঙ্গে কলহ করিয়া সে চলিল বাপের বাড়ি। রাগ করিয়া তাহার স্বামী শ্যামাদাস আবার বিবাহ করিয়াছে, কপিলাকে নেয় না।" (মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, পদ্মানদীর মাঝি) 'শ্যামাদাস' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো-
- লালসালু' উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয় কোন প্রকাশনী থেকে?
- 'মন তার ভারী। রুপালি ঝালরের বিবর্ণ অংশটা কালো করে রেখেছে সে-মন ।'- কোন চরিত্র প্রসঙ্গে উক্তিটি প্রযোজ্য?
- মহব্বতনগরে আগমনের পূর্বে মজিদ কোথায় ছিল?
- "দুনিয়াটা বড় কঠিন পরীক্ষাক্ষেত্র।" 'লালসালু' উপন্যাসে উক্তিটি করেছেন-