কে ধানের গন্ধের মতো অস্ফুট?
A. লক্ষ্মীপেঁচা
B. শালিক
C. শঙ্খচিল
D. ভ্রমর
সঠিক উত্তরঃ
A.
লক্ষ্মীপেঁচা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'কড়িকাঠ' কোথায় থাকে?
- কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জ্ঞানের দীনতা দূরীকরণে কী ধরনের গ্রন্থ পড়তেন?
- ’বিশ্বমানবের মনের সঙ্গে নিত্য নতুন সম্বদ্ধ পাতানােই হচ্ছে কবি মনের নিত্য নৈমিত্তিক ধর্ম। 'বাক্যটি কোন রচনার ?
- আপেল রঙের মেয়ে-
- ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় কবি কোথায় ঈশ্বরকে খুঁজেতে বলেছেন?
- কবি জীবনানন্দ দাশ শঙ্খমালার রূপকল্পে কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- ‘রক্তে আমার অনাদি অস্থি’ কবিতায় কয়টি নদীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে?
- সমস্ত নদীর অশ্রু অবশেষে কোথায় মেশে ?
- ধনী পরিবারের সন্তান মোহসীন চৌধুরী। রাজনীতিতেএসেছেন অনেক দিন। জনকল্যাণমূলক কাজও করেছেন।কিন্তু প্রান্তিকজনের সাথে তেমনভাবে তিনি মিশতে পারেননি।গণমানুষের নেতা হতে না পেরে তার আক্ষেপের শেষ নেই।উদ্দীপকের মোহসীন চৌধুরীর মর্মবেদনা নিচের কোনচরণে প্রকাশিত ৷
- 'জান্তা' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে কোন রচনায়?
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।'বৃক্ষের মতো জাদুঘরও আমাদেরকে সার্থকতার গান শোনায়।'- তোমার মতামত ব্যাখ্যা কর।
- 'শিরে দিয়ে বাঁকা তাজঢেকে রাখে টাক'- উক্তিটির মর্মার্থ লেখ
- সব লোকে কয় লালন কী জাত সংসারে?লালন কয়, জাতের কী রূপ, দেখলাম না এ নজরে।কেউ মালা কেউ তসবি গলায়, তাইতো কী জাত ভিন্ন বলায়,যাওয়ার কিংবা আসার বেলায়, জাতের চিহ্ন রয় কার রে।উদ্দীপকে বর্ণিত 'মালা' ও 'তসবি' 'সাম্যবাদী' কবিতার কোন বিষয়গুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়? আলোচনা করো।
- কাজী মোতাহের হোসেনের প্রবন্ধ সংকলন কোনটি?
- ফরিদপুর জেলার ঘরে ঘরে তৈরি হচ্ছে নকশিকাঁথা। কাঁথা সেলাই করে অনেকেই সচ্ছলতার মুখ দেখেছে। নারীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে স্ব-উদ্যোগে নকশিকাঁথার দোকান পরিচালনা করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। শহরের অলিগলিতে আজ চোখে পড়ে অসংখ্য হস্তশিল্পের দোকান। দোকানের পণ্যগুলো দেশের বাজার ছাড়িয়ে বিদেশের বাজারেও স্থান করে নিচ্ছে। তাই এখন এ জেলার স্লোগান হচ্ছে। "ফরিদপুরের নকশিকাঁথা, বাংলাদেশের গর্বগাথা"।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সঙ্গে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের বিষয়বস্তুর বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- বৈশাখী উৎসব আমাদের প্রাণের উৎসব। সব পেশা, শ্রেণি ও ধর্মের মানুষ এ উৎসব পালন করে। ঐদিন আপামর বাঙালি তাদের ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও ভেদাভেদ ভুলে একই মাঠে নেচে গেয়ে নতুন বছরকে ধারণ করে। বৈশাখী মেলা, পান্তা-ইলিশ, একতারা, নাগরদোলা, পুতুল নাচ ইত্যাদি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে পুরো জাতি তাদের হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে স্মরণ করে। এ দিনে বাঙালি জাতি সাম্প্রদায়িক চেতনা ভুলে একাকার হয়ে যায়।'এ দিনে বাঙালি জাতি সাম্প্রদায়িক চেতনা ভুলে একাকার হয়ে যায়'-উক্তিটির আলোকে 'সাম্যবাদী' কবিতার মূলভাব আলোচনা করো।
- মার্জার শব্দের অর্থ কী?
- কোন পঙক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের 'সাম্যবাদী' কবিতার অন্তর্গত ?
- কমলাকান্তের কল্পনায় কে বিড়ালত্ত্ব প্রাপ্ত হয়?
- আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের এমএ ক্লাসের ছাত্র। সমাজের কল্যাণ করতে সে পছন্দ করে। একবার তার এলাকায় ব্যাপক বন্যা দেখা দেয়। গ্রামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। খাদ্য আর চিকিৎসার অভাবে সাধারণ মানুষ নানা রকম দুর্ভোগে পড়ে। সাধারণ মানুষের কষ্টে আজিজের প্রাণ কেঁদে উঠে। মানুষের এমন পরিণতি সে মেনে নিতে পারেনি। তাই সে বন্ধুদের নিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়।উদ্দীপকটির ভাবের সাথে 'বিড়াল' রচনার আংশিক দিক প্রতিফলিত হয়েছে। আলোচনা কর।