‘অমিত্রাক্ষর’ ছন্দের বৈশিষ্ট্য হলো–
A. অন্ত্যমিল আছে
B. অন্ত্যমিল নেই
C. চরণের প্রথমে মিল থাকে
D. বিশ মাত্রার পর্ব থাকে
সঠিক উত্তরঃ
B.
অন্ত্যমিল নেই
Explanation: ‘অমিত্রাক্ষর ছন্দ’ হলো অন্ত্যমিলনহীন এবং যতির বাধাধরা নিয়ম লঙ্ঘনকারী ছন্দবিশেষ। এর ইংরেজি পরিভাষা Blank verse। অমিত্রাক্ষরে ভাবের প্রবহমানতা নেই এবং ১৪ মাত্রার চরণ থাকে এবং চরণ শেষে অন্ত্যমিল থাকে না।
Related Questions (Any University/Year)
- 'উত্তরিলা কাতরে রাবণি'- কাকে রাবণি বলা হয়েছে?
- " Captive Lady " রচনা করেন-
- লক্ষ্মণের মায়ের নাম কী?
- মধুসুদন কোন ছন্দ প্রথাকে ভেঙে নতুন রকমের ছন্দ গড়লেন?
- মাইকেল মধূসুদন দত্ত কোন কলেজের ছাত্র ছিলেন?
- নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন শকুন নেমে আসে এই সোনার বাংলায়;নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন আমাদের দেশ ছেয়ে যায় দালালেরই আলখাল্লায়;নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়।উদ্দীপকের চতুর্থ পঙক্তির সাথে 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার সম্পর্ক নির্ণয় কর।
- ‘পরদোষে কে চাহে মজিতে? উক্তিটি কার?
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল যাদের বিশ্বাসঘাতকতায় তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান সেনাপতি মীরজাফর। প্রধান সেনাপতি হয়েও তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। শুধু মীরজাফরই নয় রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ, উমিচাঁদ, জগৎশেঠও যুদ্ধে চরম অসহযোগিতা করেছে। কিন্তু মোহনলাল ও মীরমর্দান বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে নি। দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন এবং জীবন দিয়েছেন। পক্ষান্তরে মীরজাফর এবং তার দোসররা বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এবং বাঙালি জাতিকে প্রায় ২০০ বছর ইংরেজদের গোলামি করতে বাধ্য করেছে।"উদ্দীপকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার আংশিক রূপায়ণ মাত্র"- তোমার মতামতসহ উক্তিটি বিচার করো।
- নিচের কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্যগ্রন্থ নয়?
- শমন-ভবন কী?
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বঙ্গভাষা’ কবিতাটিতে মূলত কী ভাব প্রকাশ পেয়েছে?
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ কোন ধরনের কাব্য?
- 'মহামন্ত্র বলে যথা নম্রশিরঃ ফণীমলিনবদন লাজে, উত্তরিলা রথী'— এখানে রথী কে?
- বাংলা সনেটের প্রবর্তক ----
- মধুসূদন দত্ত রচিত ‘বীরাঙ্গনা’-
- একসময় ঈশা খাঁর ??ঙ্গে মানসিংহের যুদ্ধ হয়। রণনিপুণ ঈশা খাঁর তরবারির আঘাতে মানসিংহের তরবারি দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। মানসিংহ অসহায় হয়ে পড়েন। ঈশা খাঁ চাইলে এই অবস্থায় মানসিংহকে হত্যা করতে পারতেন। কিন্তু, বীরযোদ্ধা ঈশা খাঁ তা না করে নিজের কোষ থেকে একখানি ভালো, তলোয়ার বের করে মানসিংহকে উপহার দিয়ে পুনরায় যুদ্ধে আহবান জানালেন। মানসিংহ ঈশা খাঁর এই মহানুভবতা, ঔদার্য ও বীরধর্মের আদর্শ দেখে মুগ্ধ হলেন এবং যুদ্ধের পরিবর্তে সন্ধি স্থাপনে এগিয়ে এলেন।উদ্দীপকের ঈশা খাঁ ও 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার লক্ষ্মণের আদর্শগত বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- 'নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ' 'স্বজন' বলতে 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ'কবিতায় বোঝানো হয়েছে-
- জীবনযাপনের সমস্ত সুবিধা নিশ্চিত থাকার পরও কেবলঅসৎসঙ্গের কারণে নেশা ও সন্ত্রাসের পথ বেছে নেয়ইকবাল ।উদ্দীপকের ইকবাল 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ'কবিতার কোন চরিত্রের সাথে তুলনীয়?
- 'মেঘনাদবধ কাব্য'টি সর্বমোট কতটি সর্গে বিন্যস্ত?
- গুণবান পরজন অপেক্ষা নির্গুণ স্বজন শ্রেয় কেন?