হাজার হাজার সৈন্য যুদ্ধক্ষেত্রে পুতুলের মত দাঁড়িয়ে থাকে, মোহনলাল ও মীরমর্দান প্রাণপণে যুদ্ধ করেও মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কাছে পরাজিত হয়। ব্রিটিশ সৈন্যরা অনায়াসেই বাংলা দখল করে নেয়। এভাবেই ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার স্বাধীনতার অবসান ঘটে।
"উদ্দীপকের মূলভাব 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? তুলনামূলক আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ’ কাব্যের উৎস কী?
- 'সনেট' কাব্যাঙ্গিক কোনটি?
- ‘হায় তাত! উচিত কী তব এ কাজ?' - মেঘনাদের এইউক্তির মধ্য দিয়ে বিভীষণের কোন কাজটি পছন্দহয়নি?
- 'বিধু' শব্দের অর্থ কী?
- গজানন এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
- কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয়?
- কোনটি মহাকাব্য?
- বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন করেন কে ?
- সনেটের ক’টি অংশ?
- ‘অমিত্রাক্ষর’ ছন্দ বাংলা কোন ছন্দের নবরুপায়ণ?
- বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক কোনটি?
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাক হানাদার বাহিনী বাংলার নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। এতে দখলদার পাক হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল এ দেশীয় দোসর ঘরের শত্রু রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস বাহিনী। যদিও যুদ্ধের নীতিতে নিরস্ত্র মানুষ হত্যা কাপুরুষোচিত।উদ্দীপকে বর্ণিত রাজাকার-আল-বদর বাহিনী এবং কবিতায় বর্ণিত বিভীষণের ভূমিকার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
- হাজার হাজার সৈন্য যুদ্ধক্ষেত্রে পুতুলের মত দাঁড়িয়ে থাকে, মোহনলাল ও মীরমর্দান প্রাণপণে যুদ্ধ করেও মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কাছে পরাজিত হয়। ব্রিটিশ সৈন্যরা অনায়াসেই বাংলা দখল করে নেয়। এভাবেই ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার স্বাধীনতার অবসান ঘটে।"উদ্দীপকের মূলভাব 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মূলভাবের সাথে আংশিক সামঞ্জস্যপূর্ণ"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- সনেটের প্রবর্তক কে?
- সনেটের কটি অংশ?
- মাইকেল মধুসুদন দত্ত রচিত প্রহসন কোনটি
- 'মহামন্ত্র বলে যথা নম্রশিরঃ ফণীমলিনবদন লাজে, উত্তরিলা রথী'— এখানে রথী কে?
- কোন ছন্দটি বিদেশি ছন্দের অনুসৃতি?
- 'স্থাপিলা বিধুরে ........স্থাণুর ললাটে'শূণ্যস্থানে কি বসবে?
- একসময় ঈশা খাঁর সঙ্গে মানসিংহের যুদ্ধ হয়। রণনিপুণ ঈশা খাঁর তরবারির আঘাতে মানসিংহের তরবারি দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। মানসিংহ অসহায় হয়ে পড়েন। ঈশা খাঁ চাইলে এই অবস্থায় মানসিংহকে হত্যা করতে পারতেন। কিন্তু, বীরযোদ্ধা ঈশা খাঁ তা না করে নিজের কোষ থেকে একখানি ভালো, তলোয়ার বের করে মানসিংহকে উপহার দিয়ে পুনরায় যুদ্ধে আহবান জানালেন। মানসিংহ ঈশা খাঁর এই মহানুভবতা, ঔদার্য ও বীরধর্মের আদর্শ দেখে মুগ্ধ হলেন এবং যুদ্ধের পরিবর্তে সন্ধি স্থাপনে এগিয়ে এলেন।'উদ্দীপক ও 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মূলভাবনা এক নয়।'- মন্তব্যটি বিচার করো।