’কবর’ কবিতার বৃদ্ধ চাষী তার নাতনিকে বিয়ে দিয়েছিলেন :
A. সৈয়দ বাড়ি
B. রসুলপুর
C. কাজিদের বাড়ি
D. মিয়া বাড়ি
সঠিক উত্তরঃ
C.
কাজিদের বাড়ি
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কবর' নাটকটি কোথায় রচিত হয়?
- সাব -ইনস্পেক্টরের দ্বিতীয় বউ আমার এক রকম আত্মীয়া। একটি তুলসী গাছের কাহিনী গল্পে এ উক্তিটি করেছেন-
- মাভৈঃ! মাভৈঃ এতদিনে বুঝি জাগিল ভারতপ্রাণ,সজীব হইয়া উঠিয়াছে আজ শ্মশান-গোরস্থান।ছিল যারা চির মরণ আহত,উঠিয়াছে জাগি ব্যথা জাগ্রত,'খালেদ' আবার ধরিয়াছে অসি, 'অর্জুন' ছোঁড়ে বাণ। জেগেছে ভারত ধরিয়াছে লাঠি হিন্দু-মুসলমান।………………………………………………………………………………………………প্রভাতে হবে না ভায়ে ভায়ে রণ, চিনিবে শত্রু, চিনিবে স্বজন।"উদ্দীপকের মর্মার্থ যেন 'সাম্যবাদী' কবিতারই মূলসুর" মন্তব্যটি তোমার মতামতসহ ব্যাখ্যা কর।
- ছোটদের বড়দের সকলের, গরীবের নিঃস্বের ফকিরেরআমার দেশ সব মানুষের, সব মানুষের।নেই ভেদাভেদ হেথা চাষা আর চামারে,নেই ভেদাভেদ হেথা কুলি আর কামারে।।হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, দেশমাতা এক সকলের।উদ্দীপকটি 'সাম্যবাদী' কবিতার কোন দিকটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- পদ্মা নদীর মাঝি'র কেন্দ্রীয় চরিত্র কোনটি ?
- কোনটি ইসমাইল হোসেন সিরাজীর রচনা নয়-
- "নমি আমি প্রতিজনে, আদ্বিত্য-চন্ডালপ্রভু, ক্রীতদাস!সিন্ধুমূলে জলবিন্দু, বিশ্বমূলে অণু;সমগ্রে প্রকাশ!নমি কৃষি-তন্তজীবী, স্থপতি, তক্ষক,কর্ম চর্মকার! কতরাজ্য কত রাজ গড়িছ নীরবেহে পূজ্য, হে প্রিয়!একত্বে বরেণ্য তুমি, শরণ্য এককে-আত্মার আত্মীয়।"উদ্দীপকের শেষ পংক্তি দুটি 'ঐকতান' কবিতার মূলসুরকে ধ্বনিত করে তোলে- বিশ্লেষণ করো।
- 'লোক-লোকান্তর' কবিতায় আহত কবির গান পূর্ণতালাভ করে কীভাবে?
- শেষ পর্যন্ত এক কৃষজীবী পরিবারেই বিয়ে হয় ছবি রাণীর। স্বামী ধনপতির একটি উন্নত জাতের গাভি আছে; গাভির একটি ছোট্ট বাছুর আছে। সেই বাছুরকে মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত করে দুই বেলা গাভির সবটুকু দুধ দোহন করে নেয় ধনপতি। বাছুরকে জোরপূর্বক আটকে রেখে স্বামীকে সহায়তা করে ছবি রাণী। গাভি যেন সামান্য দুধও বাছুরের জন্য রাখতে না পারে, সেদিকে কড়া নজর তাদের। ক'দিন আগে ছবি রাণীর কোল জুড়ে আসে নবজাত ফুটফুটে এক শিশু সন্তান। এই শিশু যখন ক্ষুধায় কান্না করে, ছবি রাণী তখন পরিবারের সব কাজ ফেলে পরম মমতায় সন্তানকে মাতৃদুগ্ধদানে তৃপ্ত করে। একদিন তার শিশু সন্তানকে মাতৃদুগ্ধদানে পরিতৃপ্ত করতে গিয়ে সে অনুভব করে, মাতৃদুগ্ধ-বঞ্চিত রেখে কী নির্মম আচরণ করে যাচ্ছে তারা গাভির অসহায় বাছুরের ওপর। তারপর থেকে সে স্বামীকে এই কাজে আর সহায়তা করে না।উদ্দীপকে বিবৃত 'নির্মম আচরণ' অধিকার হরণেরই নামান্তর- উদ্দীপক ও 'বিড়াল' রচনার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- “সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন।হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।" - চরণ ??ুটি কার লেখা?
- কনফুসিয়াস কোথাকার দার্শনিক?
- 'কবর' কবিতায় বৃদ্ধের শ্বশুরবাড়ি-
- 'দেউল' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
- বৈশ্য লেখকের পক্ষেই শূদ্র পাঠকের মনোরঞ্জন করা সঙ্গত।'এ বাক্যটি কোন লেখায় আছে ?
- প্রমথ চৌধুরীর মতে পৃথিবীতে শ্রেণিভেদ নেই কোথায়?
- জহির রায়হানের উপন্যাস নয়?
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- উত্তরাধিকার' কাব্যের কবি কে?
- "আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে-এই বাংলায়হয়তো মানুষ নয়-হয়তোবা শঙ্খচিল শালিকের বেশে……………………………………………………………আবার আসিব-আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে,জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়।হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে স???্ধ্যার বাতাসে।হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমুলেরডালে।"উদ্দীপকের শেষ চার চরণের সাথে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- ‘সুবচন নির্বাসনে’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- কোন কবি পেশাগত জিবনে ম্যাজিষ্ট্রেট ছিলেন?
- গাছের একটি শসা চুরির অপরাধে দরিদ্র বালক ফজলকে নির্দয়ভাবে প্রহার করেন ধনী গৃহস্থ কোবাদ আলী। বালকটি আর্তনাদ করে বলে আর সে কখনো কিছু চুরি করবে না। ঘটনাটি দেখে মনু মাস্টারের প্রাণ কেঁদে ওঠে। দরিদ্র বালক ক্ষুধার জ্বালায় চুরি করেছে। নগণ্য একটি অপরাধে এমন অমানবিক শান্তি। অথচ অন্যায়ভাবে কত মানুষের জমি দখল করে ধনী হয়েছেন কোবাদ আলী। মন খারাপ হলেও চোরের পক্ষ নিয়ে কথা বলার অবকাশ পান না মনু মাস্টার।উদ্দীপকের ফজল চরিত্রের সাথে 'বিড়াল' রচনার বিড়াল চরিত্রের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো।
- ‘মানবজীবন’, ‘মহৎজীবন’, ‘উন্নতজীবন’- প্রভৃতি গ্রন্থের রচয়িতা-
- কর্ণফুলী উপন্যাসের লেখক কে?
- 'ঐকতান' কবিতায় কবি নিজেকে কোথাকার কবি বলেছেন?
- কবি আহসান হাবীর কত খ্রিষ্টাব্দে একুশে পদকে ভূষিত হন?
- "আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে-এই বাংলায়হয়তো মানুষ নয়-হয়তোবা শঙ্খচিল শালিকের বেশে…………………………………………………………………আবার আসিব-আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে,জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়।হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে।হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমুলেরডালে।"উদ্দীপকে বর্ণিত কবির এই বাংলায় ফিরে আসার যে আকুলতা তার যথার্থ উত্তর বিধৃত হয়েছে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায়- মন্তব্যটির পক্ষে অথবা বিপক্ষে তোমার মতামত উপস্থাপন করো।
- পদ্মা নদীর মাঝি কে ?
- ‘একটি তুলসী গাছের কাহিনীর মূল সুর কী?
- কোন নাটকটি সেলিম আল দীনের?
- 'স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থাণুর ললাটে।'— এখানে'বিধু' শব্দটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- নিচের কোন কবিতাটি জসীমউদ্দীনের লেখা ?
- 'চাষার দুক্ষু' রচনায় লেখিকার প্রত্যাশা কী?
- 'ঐকতান' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ চিত্রকর্মের সংগ্রহ রয়েছে কোন জাদুঘরে?
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায় সন্ধ্যার বাতাসেকে উড়ে যায়?
- বৃক্ষ বৃদ্ধি ছাড়াও আর কীসের ইঙ্গিত বহন করে?
- সকল মহামানবই চেয়েছেন হিংসা-দ্বেষ ও হানাহানিমুক্ত একটি বাসযোগ্য নির্মল পৃথিবী। হিংসা আর স্বার্থপরতার বিষবাষ্পে ছেয়ে গেছে বর্তমান বিশ্ব। ভালোবাসাহীন, স্বার্থান্ধ ও মানবিকতাশূন্য এমন পৃথিবীর কথা মহামানবেরা চিন্তাও করেননি। সর্বত্র বিরাজমান সকল অশুভ শক্তির শিকড়কে উপড়ে ফেলে ভালোবাসা ও মানবিকতার ছায়া ছড়িয়ে দিতে পারলেই বাসযোগ্য একটি নির্মল পৃথিবীর স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব।উদ্দীপকের মহামানবদের চাওয়ার সাথে 'সেই অস্ত্র' কবিতার কবির চাওয়ার সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- "যেভাবে বেড়ে উঠি"- এটা কার লেখা?
- "তরুতলে বসে পান্থ শ্রান্তি করে দূরফল আস্বাদনে পায় আনন্দ প্রচুর।বিদায়ের কালে হাতে ডাল ভেঙে লয়,তবু তবু অকাতর, কিছু নাহি কয়।দুর্লভ মানব জন্ম পেয়েছো যখনতরুর আদর্শ কর জীবনে গ্রহণপরার্থে আপন সুখ দিয়ে বিসর্জনতুমিও হওগো ধন্য তরুর মতন।""জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বিকাশ ও দানের কথা বর্ণিত হলেও উদ্দীপকে শুধুই ত্যাগের মহিমা কীর্তন করা হয়েছে।"- বিশ্লেষণ কর।