'আমার পথ' প্রবন্ধের বক্তব্য অনুসারে আত্মকে চেনার সহজ স্বীকারোক্তি হলো-
A. আপনার সত্যকে আপনার গুরু বলে জানা
B. মিথ্যা বিনয় না দেখানো
C. নিজের ভুল শুধরে নেওয়া
D. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তরঃ
D.
উপরের সবকয়টি
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘শোনো একটি মুজিবুরের থেকে লক্ষ মুজিবুরের কণ্ঠ’- এই গানের গীতিকার কে?
- 'যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।' বাক্যটি কোন রচনা থেকে সংকলিত হয়েছে?
- 'যৌবনের গান ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম 'তরুণের সাধনা' বলতে বুঝিয়েছেন -
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে কীসের মধ্য দিয়ে সত্যকে পাওয়া যায়?
- ‘অন্তরে যাদের এত গোলামির ভাব, তারা বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পাবে কী করে?’ - কার রচনার অংশ?
- আমার পথ' প্রবন্ধটিতে কীভাবে আত্মনির্ভরতার কথা বলা হয়েছে?
- হুতোম প্যাঁচা' কার ছদ্মনাম?
- ‘ ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়ে তবেই সত্যকে পাওয়া যায় । ‘ কোন রচনার পাঠ্যাংশ?
- 'আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে'- কথাটি কে বলেছেন?
- "আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে"- উদ্ধৃতিটি কোন রচনার অন্তর্গত?
- 'একুশ মানে মাথানত না করা'- কার লেখা?
- ফুলমনি ও করুণার বিবরণ উপন্যাসটি কার লেখা?
- খোদা হাত দিয়েচেন বেহেশতি চিজ অর্জন করিয়া লইবার জন্য ্ কার অভব্যক্তি/
- যৌবনের গান' প্রবন্ধে 'তিমিরকুগুলা বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ’ওড্’ (Ode) জাতীয় গীতিকবিতা কোনটি?
- আপনার সত্যকে পথপ্রদর্শক কাণ্ডারি বলে জানা–
- 'নবি তাকে একখানা কুড়াল কিনে দিয়ে বলেছিলেন, এটি দিয়ে তুমি বন থেকে কাঠ সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা রোজগার কর গে।"- এই প্রসঙ্গ দ্বারা আবুল ফজল কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: যার ভিত্তি পচে গেছে, তাকে একদম উপড়ে ফেলে নতুন করে ভিত্তি না গাঁথলে তার উপর ইমারত যতবার খাড়া করা যাবে, ততবারই তা পড়ে যাবে। দেশের যারা শত্রু, দেশের যা-কিছু মিথ্যা, ভণ্ডামি, মেকি তা সব দূর করতে প্রয়োজন হবে আগুনের সম্মার্জনা! আমার এমন গুরু নেই, যার খাতিরে সে আগুন-সত্যকে অস্বীকার করে কারুর মিথ্যা বা ভণ্ডামিকে প্রশ্রয় দেবে। আমি সে-দাসত্ব হতে সম্পূর্ণ মুক্ত। আমি কোনো দিনই কারুর বাণীকে বেদবাক্য বলে মেনে নেব না, যদি তার সত্যতা প্রাণে তার সাড়া না দেয়। না বুঝে বোঝার ভণ্ডামি করে পাঁচ জনের শ্রদ্ধা আর প্রশংসা পাবার লোভ আমি কোনো দিনই করব না। (ক) উপরের অংশটুকু কার লেখা? কোন রচনার অংশবিশেষ? (খ) 'আগুনের সম্মার্জনা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে? (গ) ইমারত পড়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে কেন? (ঘ) লেখক কোন দাসত্বের কথা বলেছেন? (ঙ) এখানে ভণ্ডামি বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'ইহার গতি সহজ, দীপ্তি নির্মল, সৌন্দর্যের শুচিতা অপূর্ব' – বাক্যাংশটি কোন রচনার অন্তর্গত?
- আজ ---- কোটা পার হইয়াও দেখি, ও-সকল বিষয়ের ধারণা --- একরকমই আছে
- 'বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে ,মৃত্যুকে আকড়াইয়া পড়িয়া থাকে' - উক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন রচনার অংশবিশেষ?
- আমার পথ প্রবন্ধে পথ প্রদর্শক কে?
- সবগুলো গ্রন্থই কাজী নজরুল ইসলামের- এমন গুচ্ছ নয় কোনটি?
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
- 'মানুষ ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম'- কার বক্তব্য?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে আত্মনির্ভরশীলতা আসে-
- আমাদের পৃথিবী আমরা আমাদের মনের মতো গড়িয়া লইব। বাক্যটির রচয়িতা কে?
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বাহ্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।লোকায়ত জ??বন সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা আছে কাদের?
- 'বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল মূর্তি' - এই উক্তি কোন লেখকের?
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামে??কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- আমার পথ' প্রবন্ধের উপজীব্য হলো-
- আমার পথ' প্রবন্ধে লেখক নিজেকে কী হিসেবে অভিহিত করেছে?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম' উক্তিটি করেছেন-
- "আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে" - উক্তিটি কার?
- যা তার প্রাপ্তি তাই তার দান। উদ্ধৃতি টি কার?
- অনেক সময় খুব বেশি বিনয়ী দেখাতে গিয়ে নিজের ......... অস্বীকার করে ফেলা হয়।' শূণ্যস্থানের যথার্থ শব্দ কোনটি?
- "আমার পথ' প্রবন্ধে কোনটিকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয়েছে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
- 'কুর্নিশ' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে কোন গল্পে?