'আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে'- কথাটি কে বলেছেন?
A. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
B. কাজী নজরুল ইসলাম
C. লালন সাঁই
D. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
সঠিক উত্তরঃ
B.
কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল মূর্তি' - এই উক্তি কোন লেখকের?
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বা???্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।নিচের কোনটি ??পরের অনুচ্ছেদের সবচেয়ে সঠিক শিরোনাম হতে পারে?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে আত্মনির্ভরশীলতা আসে-
- ‘শোনো একটি মুজিবুরের থেকে লক্ষ মুজিবুরের কণ্ঠ’- এই গানের গীতিকার কে?
- 'যে রাষ্ট্র হাতপাতা আর চাটুকারিতাকে দেয় প্রশ্রয়, সে রাষ্ট্র কিছুতেই আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে পারে না।' উক্তিটি কে করেছেন?
- ইহাই- হউক' তরুণের সাধনা। এই বাক্যটি কোন রচনার শেষবাক্য?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে, কীসের মধ্য দিয়ে সত্যকে পাওয়া যায়?
- যৌবনের গান’ কে লিখেছেন?
- ‘ ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়ে তবেই সত্যকে পাওয়া যায় । ‘ কোন রচনার পাঠ্যাংশ?
- ’খোদা হাত দিয়াছেন বেহেশত ও বেহেশতি চিজ অর্জন করিবার জন্য,’কার কথা?
- যৌবনর গান কী ধরনের সাহিত্য কর্ম ?
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে সত্যকে কিসের মধ্যে পাওয়া যায়?
- খোদা হাত দিয়েচেন বেহেশতি চিজ অর্জন করিয়া লইবার জন্য ্ কার অভব্যক্তি/
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
- অতএব এই অভিশাপ-রথের সারণির স্পষ্ট কথা বলাটাকে কেউ যেন অহংকার বা স্পর্ধা বলে ভুল না করেন।' -উক্তি কোন রচনার?
- ‘আমি কমবক্তার দলে’ কার উক্তি?
- "আমি আছি এই কথা না বলে সবাই বলতে লাগলাম গান্ধীজি আছেন।" 'আ??ার পথ গল্পে এই উক্তি দ্বারা কাজী নজরুল ইসলাম কি বুঝাতে চেয়েছেন?
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বাহ্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।এই অনুচ্ছেদে কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
- "আমার পথ' প্রবন্ধে কোনটিকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয়েছে?
- নীচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম এর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ?
- বার্ধক্য তাহাই- যাহা পুরাতনকে , মিথ্যাকে , মৃত্যুকে আঁকড়িয়া পড়িয়া থাকে উক্তিটি যে প্রবন্ধের অংশ তার লেখক -
- হুতোম প্যাঁচা' কার ছদ্মনাম?
- মৃত্যু-ক্ষুধা' উপন্যাসটি কার লেখা?
- 'মানুষ ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম'- কার বক্তব্য?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে পথপ্রদর্শক কে
- ‘যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না'- উক্তিটি কোন প্রবন্ধের ?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে কীসের মধ্য দিয়ে সত্যকে পাওয়া যায়?
- 'একুশ মানে মাথানত না করা'- কার লেখা?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখক পথে বের হলেন-
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বাহ্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।লোকায়ত জ??বন সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা আছে কাদের?
- অনেক সময় খুব বেশি বিনয়ী দেখাতে গিয়ে নিজের ......... অস্বীকার করে ফেলা হয়।' শূণ্যস্থানের যথার্থ শব্দ কোনটি?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম' উক্তিটি করেছেন-
- ’ওড্’ (Ode) জাতীয় গীতিকবিতা কোনটি?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটিতে কাজী নজরুল ইসলাম কোন সম্ভে দাম্ভিক হওয়ার কথা বলেছেন?
- খোদার দেওয়া এই পৃথিবীর নেয়ামত হইতে যে নিজেকে বঞ্চিত রাখিল, সে যত মোনাজাতই করুক, খোদা হাতা কবূল করিবেন নাঃ্ এ অংশটুকু কার রচনা থেকে উদ্ধত?
- যা তার প্রাপ্তি তাই তার দান। উদ্ধৃতি টি কার?
- 'মানুষ ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম'- উক্তিটি কোন রচনার অন্তর্ভুক্ত?