রাজবন্দির জবানবন্দি' প্রবন্ধগ্রন্থটি কার লেখা?
A. কাজী নজরুল ইসলাম
B. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
C. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
D. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তরঃ
A.
কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: 'রাজবন্দির জবানবন্দি' প্রবন্ধগ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা। এটি তাঁর রাজনৈতিক চিন্তা ও সংগ্রামের প্রকাশ। অপশন বিশ্লেষণ: A. কাজী নজরুল ইসলাম: সঠিক, এটি তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ। B. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: ভুল, 'রাজবন্দির জবানবন্দি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা নয়। C. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর: ভুল, এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের লেখা নয়। D. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: ভুল, এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা নয়। নোট: 'রাজবন্দির জবানবন্দি' কাজী নজরুল ইসলামের একটি রাজনৈতিক প্রবন্ধ যা তাঁর সংগ্রামী মনোভাব প্রকাশ করে।
Related Questions (Any University/Year)
- গীতগোবিন্দ' রচিত হয় কোন আমলে?
- কাজী নজরুল ইসলাম 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' দিয়ে কত দিন কারাগারে অনশন করেন?
- আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে। কার উক্তি?
- 'যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।' বাক্যটি কোন রচনা থেকে সংকলিত হয়েছে?
- 'যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।'- কথাটি কোন রচনা থেকে নেওয়া হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে, কী আমাদের নিষ্ক্রিয় করে তোলে?
- ‘আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- আমার পথ' প্রবন্ধের উপজীব্য হলো-
- কাজী নজরুল ইসলাম কোনটিকে নমস্কার জানিয়েছেন?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে সত্যকে কিসের মধ্যে পাওয়া যায়?
- তরুনদের প্রানের ধর্মকে নজরুল কী নাম দিয়েছেন?
- ‘অন্তরে যাদের এত গোলামির ভাব, তারা বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পাবে কী করে?’ - কার রচনার অংশ?
- 'বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে ,মৃত্যুকে আকড়াইয়া পড়িয়া থাকে' - উক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন রচনার অংশবিশেষ?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে পথপ্রদর্শক কে
- নিচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত উপন্যাস?
- "কিন্তু আমরা তার কথা বুঝলাম না।" -"আমার পথ" প্রবন্ধে কার কথা বলা হয়েছে?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: যার ভিত্তি পচে গেছে, তাকে একদম উপড়ে ফেলে নতুন করে ভিত্তি না গাঁথলে তার উপর ইমারত যতবার খাড়া করা যাবে, ততবারই তা পড়ে যাবে। দেশের যারা শত্রু, দেশের যা-কিছু মিথ্যা, ভণ্ডামি, মেকি তা সব দূর করতে প্রয়োজন হবে আগুনের সম্মার্জনা! আমার এমন গুরু নেই, যার খাতিরে সে আগুন-সত্যকে অস্বীকার করে কারুর মিথ্যা বা ভণ্ডামিকে প্রশ্রয় দেবে। আমি সে-দাসত্ব হতে সম্পূর্ণ মুক্ত। আমি কোনো দিনই কারুর বাণীকে বেদবাক্য বলে মেনে নেব না, যদি তার সত্যতা প্রাণে তার সাড়া না দেয়। না বুঝে বোঝার ভণ্ডামি করে পাঁচ জনের শ্রদ্ধা আর প্রশংসা পাবার লোভ আমি কোনো দিনই করব না। (ক) উপরের অংশটুকু কার লেখা? কোন রচনার অংশবিশেষ? (খ) 'আগুনের সম্মার্জনা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে? (গ) ইমারত পড়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে কেন? (ঘ) লেখক কোন দাসত্বের কথা বলেছেন? (ঙ) এখানে ভণ্ডামি বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'যার ভিতরে _______, সেই বাইরে ভয় পায়।' শূন্যস্থানে বসবে -
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বাহ্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।লোকায়ত জ??বন সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা আছে কাদের?
- কাজী নজরুল ইসলামের নাটক -
- আমি কবি-বনের পাখির মতো স্বভাব আমার গান করার।'- বাক্যটি কোন রচনার অন্তর্ভুক্ত?
- "আমার পথ' প্রবন্ধে কোনটিকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয়েছে?
- 'অন্তরে যাদের এত গোলামির ভান, তারা বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পারে কী করে?'- কথাটি কে লিখেছেন?
- "আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে" - উক্তিটি কার?
- মৃত্যু-ক্ষুধা' উপন্যাসটি কার লেখা?
- কবি নজরুল ইসলাম সত্যকে সালাম-নমস্কার জানাচ্ছেন কারণ সত্য কবিকে - i. সঠিক পথ দেখাবে ii. মাথা উঁচু করে রাখবেiii. অহংকারী করবেনিচের কোনটি সঠিক?
- যৌবনের গান’ কে লিখেছেন?
- সবচেয়ে বড় দাসত্ব কোনটি?
- নিজেকে চিনলে মানুষের মনে আপনা-আপনি এত বড় একটা জোর আসে যে, সে আপন … আর কাউকে কুর্নিশ করে না।' শূন্যস্থানের যথার্থ শব্দ কোনটি?
- 'যে রাষ্ট্র হাতপাতা আর চাটুকারিতাকে দেয় প্রশ্রয়, সে রাষ্ট্র কিছুতেই আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে পারে না।' উক্তিটি কে করেছেন?
- নজরুলের মতে, ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে_____পাওয়া যায়।
- "অন্ন বস্ত্রের প্রাচুর্যের চেয়ে মুক্তি বড়"-এটি মানুষের কিসের পরিচায়ক?
- আপনার সত্তাকে পথপ্রদর্শক কাণ্ডারি বলে জানা—
- 'নবি তাকে একখানা কুড়াল কিনে দিয়ে বলেছিলেন, এটি দিয়ে তুমি বন থেকে কাঠ সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা রোজগার কর গে।"- এই প্রসঙ্গ দ্বারা আবুল ফজল কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- কাজী নজরুল ইসলামের অভিনীত চলচ্চিত্র কোনটি?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখক পথে বের হলেন-
- আজ ---- কোটা পার হইয়াও দেখি, ও-সকল বিষয়ের ধারণা --- একরকমই আছে
- বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে মিথ্যাকে মৃত্যুক আকড়িয়া পড়িয়া থাকে। উক্তিটি যে প্রবন্ধের অংশ তার লেখক
- \______ মিথ্যা বিনয়ের চেয়ে অনেক বেশি ভালো\- বাক্যটি কোন গদ্যে বলা হয়েছে?