গীতগোবিন্দ' রচিত হয় কোন আমলে?
A. পাল আমল
B. মুঘল আমল
C. গুপ্ত আমল
D. সেন আমল
সঠিক উত্তরঃ
D.
সেন আমল
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: 'গীতগোবিন্দ' একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা সেন আমলে রচিত হয়েছিল। অপশন বিশ্লেষণ: A. পাল আমল: ভুল, 'গীতগোবিন্দ' পাল আমলে রচিত হয়নি। B. মুঘল আমল: ভুল, এটি মুঘল আমলে রচিত হয়নি। C. গুপ্ত আমল: ভুল, 'গীতগোবিন্দ' গুপ্ত আমলে রচিত হয়নি। D. সেন আমল: সঠিক, 'গীতগোবিন্দ' সেন আমলে রচিত। নোট: 'গীতগোবিন্দ' কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
Related Questions (Any University/Year)
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত জীবনীকাব্য?
- আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে। কার উক্তি?
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
- আমার পথ প্রবন্ধে পথ প্রদর্শক কে?
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বা???্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।নিচের কোনটি ??পরের অনুচ্ছেদের সবচেয়ে সঠিক শিরোনাম হতে পারে?
- 'বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল মূর্তি' - এই উক্তি কোন লেখকের?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখক পথে বের হলেন-
- ইহাই- হউক' তরুণের সাধনা। এই বাক্যটি কোন রচনার শেষবাক্য?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে কীসের মধ্য দিয়ে সত্যকে পাওয়া যায়?
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে কবি নজরুল 'জগত্তারিণী পদক প্রদান করে?
- আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলামের মতে কীভাবে আত্মনির্ভরতা আসে?
- আমার পথ' প্রবন্ধে লেখক নিজেকে কী হিসেবে অভিহিত করেছে?
- 'ভুলের মধ্য দিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়।' আমার পথ গল্পে উল্লিখিত উক্তিটি দ্বারা লেখক কি বুঝাতে চেয়েছেন?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধের বক্তব্য অনুসারে আত্মকে চেনার সহজ স্বীকারোক্তি হলো-
- \______ মিথ্যা বিনয়ের চেয়ে অনেক বেশি ভালো\- বাক্যটি কোন গদ্যে বলা হয়েছে?
- হুতোম প্যাঁচা' কার ছদ্মনাম?
- নীচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম এর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ?
- যৌবনের গান' প্রবন্ধে 'তিমিরকুগুলা বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘অন্তরে যাদের এত গোলামির ভাব, তারা বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পাবে কী করে?’ - কার রচনার অংশ?
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামে??কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- "কিন্তু আমরা তার কথা বুঝলাম না।" -"আমার পথ" প্রবন্ধে কার কথা বলা হয়েছে?
- ‘আমি কমবক্তার দলে’ কার উক্তি?
- নজরুলের মতে গান্ধীজি শিখিয়েছিলেন-
- নিজেকে চিনলে মানুষের মনে আপনা-আপনি এত বড় একটা জোর আসে যে, সে আপন … আর কাউকে কুর্নিশ করে না।' শূন্যস্থানের যথার্থ শব্দ কোনটি?
- 'একুশ মানে মাথানত না করা'- কার লেখা?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে সত্যকে কিসের মধ্যে পাওয়া যায়?
- বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে মিথ্যাকে মৃত্যুক আকড়িয়া পড়িয়া থাকে। উক্তিটি যে প্রবন্ধের অংশ তার লেখক
- "আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে" - উক্তিটি কার?
- খোদা হাত দিয়েচেন বেহেশতি চিজ অর্জন করিয়া লইবার জন্য ্ কার অভব্যক্তি/
- কাজী নজরুল ইসলাম কোনটিকে নমস্কার জানিয়েছেন?
- কবি নজরুল ইসলাম সত্যকে সালাম-নমস্কার জানাচ্ছেন কারণ সত্য কবিকে - i. সঠিক পথ দেখাবে ii. মাথা উঁচু করে রাখবেiii. অহংকারী করবেনিচের কোনটি সঠিক?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
- কোনো কিছু ভুল জেনেও তাকে সত্য বলে চালিয়ে দেবার প্রবণতা বা জেদকে কাজী নজরুল ইসলাম কী হিসেবে দেখেছেন?
- যৌবনের গান রচনাটি প্রকৃতপক্ষে একটি-
- ‘ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়।'- উক্তিটি কার ও কোন রচনার?
- 'যার ভিতরে _______, সেই বাইরে ভয় পায়।' শূন্যস্থানে বসবে -
- “খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশু আনমনে.....” গানটি কার লেখা?
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বাহ্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।এই অনুচ্ছেদে কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
- অতএব এই অভিশাপ-রথের সারণির স্পষ্ট কথা বলাটাকে কেউ যেন অহংকার বা স্পর্ধা বলে ভুল না করেন।' -উক্তি কোন রচনার?