কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
A. 1308
B. 1506
C. 1306
D. 1405
সঠিক উত্তরঃ
C.
1306
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা ১৩০৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। এই তথ্যটি তাঁর জীবনীতে সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. 1308: ভুল, তিনি ১৩০৬ সালে জন্মগ্রহণ করেছেন। B. 1506: ভুল, এটি সঠিক নয়। C. 1306: সঠিক, তিনি ১৩০৬ সালে জন্মগ্রহণ করেছেন। D. 1405: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৩০৬ সালে, যা বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদানের সূচনা করে।
Related Questions (Any University/Year)
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বাহ্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।লোকায়ত জ??বন সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা আছে কাদের?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে, কীসের মধ্য দিয়ে সত্যকে পাওয়া যায়?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে সত্যকে কিসের মধ্যে পাওয়া যায়?
- “যে রাষ্ট্র হাতপাতা আর চাটুকারিতাকে দেয় প্রশ্রয়, সে রাষ্ট্র কিছুতেই আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে পারেনা।”- উক্তিটি কার?
- কোনো কিছু ভুল জেনেও তাকে সত্য বলে চালিয়ে দেবার প্রবণতা বা জেদকে কাজী নজরুল ইসলাম কী হিসেবে দেখেছেন?
- 'ভুলের মধ্য দিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়।' আমার পথ গল্পে উল্লিখিত উক্তিটি দ্বারা লেখক কি বুঝাতে চেয়েছেন?
- ‘আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে কবি নজরুল 'জগত্তারিণী পদক প্রদান করে?
- আমি কবি-বনের পাখির মতো স্বভাব আমার গান করার।'- বাক্যটি কোন রচনার অন্তর্ভুক্ত?
- ’খোদা হাত দিয়াছেন বেহেশত ও বেহেশতি চিজ অর্জন করিবার জন্য,’কার কথা?
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বাহ্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।এই অনুচ্ছেদে কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে আত্মনির্ভরশীলতা আসে-
- আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে। কার উক্তি?
- মৃত্যু-ক্ষুধা' উপন্যাসটি কার লেখা?
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধে কোনটি যৌবনের মাতৃরূপ ?
- ফুলমনি ও করুণার বিবরণ উপন্যাসটি কার লেখা?
- কাজী নজরুল ইসলামের নাটক -
- অতএব এই অভিশাপ-রথের সারণির স্পষ্ট কথা বলাটাকে কেউ যেন অহংকার বা স্পর্ধা বলে ভুল না করেন।' -উক্তি কোন রচনার?
- "কিন্তু আমরা তার কথা বুঝলাম না।" -"আমার পথ" প্রবন্ধে কার কথা বলা হয়েছে?
- আমাদের পৃথিবী আমরা আমাদের মনের মতো করিয়া গড়িয়া লিইব. এর লেখক
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বা???্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।নিচের কোনটি ??পরের অনুচ্ছেদের সবচেয়ে সঠিক শিরোনাম হতে পারে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
- কবি নজরুল ইসলাম সত্যকে সালাম-নমস্কার জানাচ্ছেন কারণ সত্য কবিকে - i. সঠিক পথ দেখাবে ii. মাথা উঁচু করে রাখবেiii. অহংকারী করবেনিচের কোনটি সঠিক?
- আপনার সত্যকে পথপ্রদর্শক কাণ্ডারি বলে জানা–
- 'ইহার গতি সহজ, দীপ্তি নির্মল, সৌন্দর্যের শুচিতা অপূর্ব' – বাক্যাংশটি কোন রচনার অন্তর্গত?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখক পথে বের হলেন-
- সবচেয়ে বড় দাসত্ব কোনটি?
- যৌবনের গান' প্রবন্ধে 'তিমিরকুগুলা বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- খোদার দেওয়া এই পৃথিবীর নেয়ামত হইতে যে নিজেকে বঞ্চিত রাখিল, সে যত মোনাজাতই করুক, খোদা হাতা কবূল করিবেন নাঃ্ এ অংশটুকু কার রচনা থেকে উদ্ধত?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে কীসের মধ্য দিয়ে সত্যকে পাওয়া যায়?
- "আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে"- উদ্ধৃতিটি কোন রচনার অন্তর্গত?
- বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে মিথ্যাকে মৃত্যুক আকড়িয়া পড়িয়া থাকে। উক্তিটি যে প্রবন্ধের অংশ তার লেখক
- 'যৌবনের গান ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম 'তরুণের সাধনা' বলতে বুঝিয়েছেন -
- আমার পথ' প্রবন্ধটিতে কীভাবে আত্মনির্ভরতার কথা বলা হয়েছে?
- নজরুলের মতে গান্ধীজি শিখিয়েছিলেন-
- রাজবন্দির জবানবন্দি' প্রবন্ধগ্রন্থটি কার লেখা?
- আমার পথ' প্রবন্ধে কী আমাদের মিচির করে ফেললো?
- 'বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল মূর্তি' - এই উক্তি কোন লেখকের?
- বার্ধক্য তাহাই- যাহা পুরাতনকে , মিথ্যাকে , মৃত্যুকে আঁকড়িয়া পড়িয়া থাকে উক্তিটি যে প্রবন্ধের অংশ তার লেখক -
- 'একুশ মানে মাথানত না করা'- কার লেখা?