‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত-
A. গল্প
B. নাটক
C. উপন্যাস
D. প্রবন্ধ
সঠিক উত্তরঃ
C.
উপন্যাস
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- দিয়ে কল্যাণীয় গহনা পরীক্ষার কারণ- গহনার পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া শম্ভুনাথ সেনের প্রতি অবিশ্বাস গহনা আসল কিনা যাচাই করা নিচের কোনটি সঠিক?
- অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণী-চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
- কারো ঘর ভাঙে ঝড়েকারো সংসার পুড়ে যায় যৌতুকের আগুনে।কেউ করে হায় হায়, বাপ-মা কাঁদেমেয়েকে বিয়ে দিতে হয়-পড়ে যৌতুকের ফাঁদে।করবে না বিয়ে সোনালি নিজেকে করে পণ্যএটা তার পণ সোনালি জীবনের জন্য।"উদ্দীপকে নিহিত সামাজিক কাঠামো এবং 'অপরিচিতা' গল্পের সামাজিক পটভূমি সাদৃশ্যযুক্ত"- তোমার যুক্তিসহ মন্তব্যটি যাচাই করো।
- নিচের কোন সাহিত্যিক বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করেননি?
- “অন্তরে যাদের এত গোলামির ভাব, তারা বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পাবে কী করে?” - কোন লেখকের রচনার অংশ এটি?
- ‘অপরিচিতা' গল্পে গল্প বলায় পটু কে?
- ‘অপরিচিতা' গল্পে কথকের নাম কী?
- ম্রো জনগােষ্ঠি কোন্ জেলায় বসবাস করে?
- 'ঘরেতে এলো না সে তোমনে তার নিত্য আসা যাওয়াপরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর। 'উদ্দীপকে 'অপরিচিতা' গল্পের যে দিকটি প্রকাশিতহয়েছে—
- অপরিচিতা' গল্পে 'জড়িমা' শব্দের অর্থ কী?
- ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ রচিত–
- ’ওঁচা’ শব্দের অর্থ-
- “আমার কন্যার গহনা আমি চুরি করিব এ কথা যারা মনেকরে তাদের হাতে আমি কন্যা দিতে পারি না। ”—উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে শম্ভুনাথ বাবুর-
- বিশ শতকীয় পুরুষতন্ত্রের অমানবিকতার কাহিনী কোনটি?
- 'অপরিচিতা' গল্পের প্রতিপাদ্য— পণ প্রথার বিরুদ্ধাচরণদেশসেবাবর্ণভেদনিচের কোনটি সঠিক?
- নাট্যকার হেনরিক ইবসেন তাঁর 'নোরা' নাটকে পুরুষশাসিত সমাজের সাথে নারী ব্যক্তিত্বের সংঘর্ষতুলে ধরেছেন সুচারুরূপে। এ নাটকে তিনি দেখিয়েছেন ক্ষুদ্র গৃহকোণে অবস্থান করে সংসার | করাই নারীর একমাত্র কর্ম নয়। অন্তত তাঁর' নায়িকা নোরা চায় বৃহত্তর সমাজজীবনের মধ্যে বিকাশ ও প্রতিষ্ঠা।উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে-
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি নিজেকে কার শিষ্য বলে পরিচয় দিয়েছেন?
- অতুলনীয় মাতৃস্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃস্নেহের প্রাবাল্যে মানুষ আপনাকে হারাইয়া আসল শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। নিয়ত মাতৃস্নেহের অন্তরালে অবস্থান করিয়া আত্মশক্তির সন্ধান সে পায় না- দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।"উদ্দীপকের ইতিবাচক মর্মার্থ উপলব্ধির মানসিকতাই 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের পরিবর্তিত জীবনভাবনার উপায় হিসেবে কাজ করেছে।"- মন্তব্যটির সার্থকতা বিচার করো।
- ঘরেতে এলো না সে তো 'মনে তার নিত্য আসা যাওয়া'- পরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর।'উদ্দীপকের ঘরে না আসা ব্যক্তিটি 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?