মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

নিচের কোনটি হরমোন? 

A. ট্রিপসিনোজেন
B. অ্যামাইলেজ 
C. গ্লুকাগন
D. লাইপেজ
Poster Download
RUUnit-CSet-1জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রবর্জ্য ও নিষ্কাশনহরমোনাল ক্রিয়া (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. গ্লুকাগন
Explanation:

Another Explanation (5):

গ্লুকাগন: একটি হরমোন 🧪

গ্লুকাগন হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন যা আমাদের শরীরে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এটি অগ্ন্যাশয়ের আলফা কোষ থেকে নিঃসৃত হয়। ইনসুলিনের বিপরীতভাবে, গ্লুকাগন রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা বাড়াতে কাজ করে।

গ্লুকাগনের কার্যাবলী ⚙️

  • গ্লাইকোজেনোলাইসিস: লিভারে সঞ্চিত গ্লাইকোজেনকে গ্লুকোজে রূপান্তরিত করে রক্তের শর্করার মাত্রা বাড়ায়।
  • গ্লুকোনিওজেনেসিস: অ্যামিনো অ্যাসিড এবং গ্লিসারল থেকে লিভারে গ্লুকোজ তৈরি করে।
  • ইনসুলিন নিঃসরণে প্রভাব: উচ্চ মাত্রার গ্লুকোজ ইনসুলিন নিঃসরণে বাধা দেয়।

গ্লুকাগন এবং ইনসুলিনের মধ্যে সম্পর্ক ⚖️

বৈশিষ্ট্য গ্লুকাগন ইনসুলিন
উৎস অগ্ন্যাশয়ের আলফা কোষ অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ
রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ায় ⬆️ কমায় ⬇️
প্রধান কাজ গ্লাইকোজেনোলাইসিস ও গ্লুকোনিওজেনেসিস কোষে গ্লুকোজের গ্রহণ যোগ্যতা বৃদ্ধি

গ্লুকাগনের অভাব বা আধিক্যের ফলাফল ⚠️

  • গ্লুকাগনের অভাব: হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে শর্করার নিম্ন মাত্রা) হতে পারে, যা দুর্বলতা, মাথা ঘোরা এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। 🤕
  • গ্লুকাগনের আধিক্য: হাইপারগ্লাইসেমিয়া (রক্তে শর্করার উচ্চ মাত্রা) হতে পারে, যা ডায়াবেটিস মেলিটাসের কারণ হতে পারে। 🍩

সুতরাং, গ্লুকাগন একটি অত্যাবশ্যকীয় হরমোন যা শরীরের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 👍

Option A Explanation: ট্রিপসিনোজেনের ব্যাখ্যা

ট্রিপসিনোজেনের ব্যাখ্যা

  • প্রকার: এটি একটি প্রো-অ্যাজিম বা অপ্রচলিত এনজাইম, যা পাচক গ্রন্থি দ্বারা নিঃসৃত হয়।
  • ফাংশন: এটি ট্রিপসিনে রূপান্তরিত হয়ে পাচক এনজাইম ট্রিপসিন তৈরি করে, যা খাদ্য হজমে সহায়ক।
  • অবস্থান: এটি প্রধানত অগ্ন্যাশয়ে (প্যানক্রিয়াস) নিঃসৃত হয়।
  • গঠন: এটি একটি প্রোটিন অ্যাজিম যেটি প্রোটিন ভাঙতে সাহায্য করে।
  • সংশ্লিষ্টতা: এটি হরমোন নয়, বরং একটি এনজাইম বা অ্যাজিম। তবে, এর উৎপত্তি অগ্ন্যাশয় থেকে হয় যা হরমোন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
Option B Explanation:

অ্যামাইলেজের ব্যাখ্যা

  • অ্যামাইলেজ হলো একটি এনজাইম যা মূলত কার্বোহাইড্রেটের মধ্যে থাকা স্টার্চ বা গ্লাইকোজেনের ভাঙন ঘটায়।
  • এটি মূলত লালা, পানির অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এবং অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসরণ হয়।
  • অ্যামাইলেজ স্টার্চকে সাধারণত ডাইসেকারাইড বা মলেকুলার ক্ষুদ্র অংশে ভেঙে দেয়, যেমন মালটোজ বা ডেক্সট্রিন।
  • এটি সাধারণত ডাইজেস্টিভ ট্র্যাক্টে কাজ করে, যেখানে খাদ্য থেকে শোষণের জন্য পুষ্টির উপাদান তৈরি হয়।
  • অ্যামাইলেজের সাহায্যে কার্বোহাইড্রেটের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় এবং শরীরের জন্য সহজে শোষণযোগ্য হয়।
Option C Explanation:
  • নাম: গ্লুকাগন
  • প্রকার: হরমোন
  • উৎপত্তি স্থান: অগ্ন্যাশয়ের α-কোষ থেকে নিঃসৃত
  • মূল কাজ: রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করা, গ্লুকোজের সংরক্ষণ এবং মুক্তি নিয়ন্ত্রণ করে
  • পরিপাক ব্যবস্থায় ভূমিকা: খাদ্য পরিপাকের সময় রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমে গেলে গ্লুকাগন নিঃসরণ হয় যাতে গ্লুকোজের পরিমাণ পুনরুদ্ধার করা যায়
Option D Explanation:
  • লাইপেজ (Lipase): এটি একটি এনজাইম যা চর্বি বা লিপিড ভাঙ্গার জন্য দায়ী।
  • মূল কাজ: এটি ট্রাইগ্লিসারাইড, ফ্যাটি অ্যাসিড এবং গ্লিসারলকে হাইড্রোলাইজ করে মুক্ত করে।
  • অ্যাপ্লিকেশন: খাদ্যপ্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয় এবং শারীরিক চর্বি পচানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • প্রাকৃতিক উৎস: পেটে, অগ্ন্যাশয়ে এবং অন্যান্য শারীরিক তরলে পাওয়া যায়।