মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

মানবদেহের রক্তে সােডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে কোন হরমােন?

A. অ্যালডােস্টেরন
B. অ্যানজিওটেনসিন
C.  এপিনেফ্রিন
D. প্যারাথরমােন
Poster Download
RUUnit-CSet-3জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রবর্জ্য ও নিষ্কাশনহরমোনাল ক্রিয়া (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. অ্যালডােস্টেরন
Explanation:

এড্রেনাল কটেক্স থেকে ক্ষরিত এলডোস্টেরন হরমোন সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

Another Explanation (5):

মানবদেহে রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে অ্যালডোস্টেরনের ভূমিকা ⚕️

অ্যালডোস্টেরন একটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন যা মানবদেহে রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে প্রধান ভূমিকা পালন করে। এটি অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়।

অ্যালডোস্টেরনের কার্যাবলী ⚙️

  • সোডিয়ামের পুনঃশোষণ: অ্যালডোস্টেরন বৃক্কনালিকা থেকে সোডিয়ামের পুনঃশোষণ বাড়ায়। এর ফলে রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ⬆️
  • পটাশিয়ামের নিঃসরণ: এটি বৃক্কনালিকা থেকে পটাশিয়ামের নিঃসরণকে উৎসাহিত করে, যা রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ⬇️
  • পানির ভারসাম্য রক্ষা: সোডিয়ামের মাত্রা বেড়ে গেলে, এটি শরীরে পানির ধারণক্ষমতা বাড়ায়, যা রক্তের চাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 💧

অ্যালডোস্টেরনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী বিষয়সমূহ 🎛️

  1. রেনিন-অ্যাঞ্জিওটেনসিন-অ্যালডোস্টেরন সিস্টেম (RAAS): রক্তচাপ কমে গেলে বা সোডিয়ামের মাত্রা কমে গেলে এই সিস্টেম সক্রিয় হয় এবং অ্যালডোস্টেরনের উৎপাদন বাড়ায়।
  2. পটাশিয়ামের মাত্রা: রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেড়ে গেলে অ্যালডোস্টেরনের নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়।
  3. অ্যাড্রিনোকোর্টিকোট্রপিক হরমোন (ACTH): ACTH অ্যাড্রিনাল গ্রন্থিকে অ্যালডোস্টেরন উৎপাদনে উদ্দীপিত করতে পারে, যদিও এর প্রভাব কম।

অ্যালডোস্টেরনের অভাবজনিত সমস্যা ⚠️

অ্যালডোস্টেরনের অভাব হলে শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে:

  • হাইপোনেট্রেমিয়া: রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা কমে যাওয়া। 📉
  • হাইপারক্যালেমিয়া: রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেড়ে যাওয়া। 📈
  • ডিহাইড্রেশন: শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেওয়া। 🏜️
  • নিম্ন রক্তচাপ: রক্তচাপ কমে যাওয়া। 📉

অ্যালডোস্টেরনের আধিক্যজনিত সমস্যা ❗

অ্যালডোস্টেরনের আধিক্য হলে শরীরে যে সমস্যাগুলো দেখা যায়:

  • হাইপারনেট্রেমিয়া: রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা বেড়ে যাওয়া। 📈
  • হাইপোক্যালেমিয়া: রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা কমে যাওয়া। 📉
  • উচ্চ রক্তচাপ: রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া। Hypertension ⬆️
  • ইডিমা: শরীরে পানি জমা। 💧

অ্যালডোস্টেরন এবং স্বাস্থ্য 🩺

অ্যালডোস্টেরনের সঠিক মাত্রা বজায় রাখা সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি। এর মাত্রাতিরিক্ত বা কম নিঃসরণ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং ডাক্তারের পরামর্শ এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

অ্যালডোস্টেরন সম্পর্কিত তথ্য সারণী 📊

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
উৎপাদনস্থল অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি 🏭
প্রধান কাজ সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ ⚖️
নিয়ন্ত্রণকারী সিস্টেম রেনিন-অ্যাঞ্জিওটেনসিন-অ্যালডোস্টেরন সিস্টেম (RAAS) 🔄
অভাবের ফল হাইপোনেট্রেমিয়া, হাইপারক্যালেমিয়া 📉📈
আধিক্যের ফল হাইপারনেট্রেমিয়া, হাইপোক্যালেমিয়া 📈📉

সুস্থ থ??কুন! 😊

Option A Explanation:
  • অ্যালডােস্টেরন: এটি একটি স্টেরয়েড হরমোণ যা মূলত অ্যাড্রিনাল কর্টেক্স থেকে নিঃসরণ হয়।
  • মূল কাজ: রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, বিশেষ করে কিডনির মাধ্যমে সোডিয়ামের শোষণ বৃদ্ধি করে।
  • প্রভাব: রক্তচাপ বাড়াতে সহায়ক, কারণ সোডিয়াম বেশি থাকলে জল ধরে রাখে এবং রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়।
  • সংশ্লিষ্টতা: এই হরমোণটি রেনিন-অ্যাঞ্জিওটেনসিন-অ্যালডোস্টেরোন সিস্টেমের অংশ, যেখানে এটি রক্তের সোডিয়াম ও পটাশিয়াম সমতা রক্ষা করে।
Option B Explanation:
  • অ্যানজিওটেনসিন: এটি একটি হরমোন যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে অ্যানজিওটেনসিনের মূল কাজ হল অ্যালডোস্টেরোন নিঃসরণ বৃদ্ধি করা।
  • অ্যালডোস্টেরোন হরমোনটি কিডনিতে সক্রিয় হয়ে সোডিয়াম এবং পানির শোষণ বৃদ্ধি করে, ফলে রক্তের সোডিয়াম মাত্রা বাড়ে।
  • অ্যানজিওটেনসিন রক্তচাপ বাড়াতে সাহায্য করে এবং শরীরের তরল সমতুল্য বজায় রাখতে সহায়ক।
  • সাধারণত রক্তচাপ কমে গেলে বা শরীরে সোডিয়ামের পরিমাণ কমে গেলে অ্যানজিওটেনসিনের কার্যক্রম বৃদ্ধি পায়।
Option C Explanation:
  • এপিনেফ্রিন (Epinephrine): এটি একটি হরমোন এবং নিউরোএপিনেফ্রিন হিসেবে পরিচিত, যা অদ্ভুতভাবে অ্যাড্রেনাল মেডুলা থেকে নিঃসৃত হয়।
  • মূলত নির্বাচিত স্নায়ু সংকেতের মাধ্যমে নিঃসরণ হয় এবং শরীরের "ফাইট বা ফ্লাইট" প্রতিক্রিয়া উদ্দীপিত করে।
  • এপিনেফ্রিনের কার্যাবলী অন্তর্ভুক্ত:
    • হৃদপিণ্ডের গতি বাড়ানো
    • শ্বাসপ্রশ্বাসের হার বৃদ্ধি
    • রক্তচাপ বৃদ্ধিতে সহায়তা
    • শরীরের শক্তি ও সতর্কতা বৃদ্ধি
  • এটি আঘাত, চাপ বা উদ্বেগের সময় শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে নিঃসরণ হয়।
Option D Explanation:

প্যারাথরমােন (Parathyroid hormone) এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিম্নরূপ:

  • উৎপত্তিস্থল: প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়।
  • মূল কাজ: রক্তে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
  • প্রভাব: কিডনি, হাড়, এবং অন্ত্রের মাধ্যমে ক্যালসিয়াম স্তর বৃদ্ধি করে।
  • প্রধান ভূমিকা: হাড় থেকে ক্যালসিয়াম মুক্ত করে রক্তে প্রবাহিত করে, ফলে হাড়ের শক্তি বজায় থাকে এবং রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিক থাকে।
  • উল্লেখযোগ্য: এর অস্বাভাবিক নিঃসরণ হাড়ের দুর্বলতা বা ক্যালসিয়াম স্বল্পতার কারণ হতে পারে।