কোনটি নিউট্রোফিলের কাজ?
RUUnit-CSet-3জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্ররক্ত ও সঞ্চালনরক্তকণিকা (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
জীবাণু ধ্বংস করা
Explanation:

Another Explanation (5):
নিউট্রোফিলের কার্যাবলী: জীবাণু ধ্বংস এবং আরও অনেক কিছু 🦠🔬
নিউট্রোফিল হলো মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি শ্বেত রক্ত কণিকার (white blood cell) একটি প্রকার, যা মূলত জীবাণু ধ্বংসের জন্য পরিচিত। নিচে এর কার্যাবলী বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
নিউট্রোফিলের প্রধান কাজ:
- জীবাণু ভক্ষণ (Phagocytosis): নিউট্রোফিল ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক এবং অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণুগুলোকে গিলে ফেলে ধ্বংস করে। 😋
- রাসায়নিক সংকেত প্রেরণ: আক্রান্ত স্থানে নিউট্রোফিল বিভিন্ন রাসায়নিক সংকেত (যেমন: সাইটোকাইন) পাঠায়, যা অন্যান্য রোগ প্রতিরোধক কোষকে আকৃষ্ট করে এবং প্রদাহ সৃষ্টি করে। 📣
- বিষাক্ত পদার্থ নিঃসরণ: নিউট্রোফিল জীবাণু ধ্বংসের জন্য বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ যেমন - reactive oxygen species (ROS) এবং এনজাইম নিঃসরণ করে। ☠️
- NETs (Neutrophil Extracellular Traps) তৈরি: নিউট্রোফিল তাদের ডিএনএ (DNA) এবং অন্যান্য প্রোটিন দিয়ে তৈরি জাল (নেট) নিঃসরণ করে জীবাণু ধরে ফেলে এবং ধ্বংস করে।🕸️
অন্যান্য কার্যাবলী:
- ক্ষত নিরাময়: নিউট্রোফিল মৃত কোষ এবং ধ্বংসাবশেষ অপসারণ করে ক্ষত নিরাময়ে সাহায্য করে। 🩹
- প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ: যদিও প্রদাহ সৃষ্টিতে এর ভূমিকা আছে, নিউট্রোফিল প্রদাহ নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। 👍
- টিউমার দমন: কিছু ক্ষেত্রে, নিউট্রোফিল টিউমার কোষ ধ্বংস করতে পারে। 🦸♀️
কার্যাবলীর সংক্ষিপ্ত তালিকা:
| কাজ | বর্ণনা | ইমোজি |
|---|---|---|
| জীবাণু ভক্ষণ | ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জীবাণু ধ্বংস | 😋 |
| রাসায়নিক সংকেত প্রেরণ | অন্যান্য রোগ প্রতিরোধক কোষকে আকৃষ্ট করা | 📣 |
| বিষাক্ত পদার্থ নিঃসরণ | জীবাণু ধ্বংসের জন্?? বিষাক্ত পদার্থ নির্গত করা | ☠️ |
| NETs তৈরি | ডিএনএ জাল দিয়ে জীবাণু ধরা | 🕸️ |
| ক্ষত নিরাময় | মৃত কোষ অপসারণ করে ক্ষত সারাতে সাহায্য করা | 🩹 |
এগুলো নিউট্রোফিলের প্রধান কাজ। এটি রোগ প্রতিরোধে একটি অপরিহার্য কোষ। 💪
আরও জানতে বিভিন্ন মেডিকেল জার্নাল এবং বিজ্ঞান বিষয়ক ওয়েবসাইট দেখুন। 📚
Option A Explanation:
- ফ্যাগোসাইটিক ম্যাক্রোফেজ একটি ধরণের শ্বেত রক্তকণিকা যা শরীরের প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে।
- এটি বিভিন্ন ধরনের জীবাণু যেমন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, প্যাথোজেনিক ধ্বংস করতে সক্ষম।
- ফ্যাগোসাইটিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, ম্যাক্রোফেজ জীবাণুগুলিকে কোষের ভিতরে শোষণ করে।
- এরপর, এই জীবাণুগুলির উপাদানগুলো ভেঙে ফেলে এবং শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় করে।
- এভাবে জীবাণু ধ্বংস করার মাধ্যমে শরীরের সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
Option B Explanation:
হেপারিন উৎপন্ন করা
- হেপারিন হলো একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি-কোagul্যান্ট যা রক্তের জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে।
- এটি মূলত হেপাটাইটিস সেল থেকে নিঃসরণ হয়, বিশেষ করে মৌখিক নেফ্রোন বা লিভার থেকে।
- নিউট্রোফিলের মধ্যে কিছু হেপারিন উৎপাদন করে যা রক্তের জমাট বাঁধা রোধে সহায়ক।
- এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিউট্রোফিল রক্তের ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে উপস্থিত হয়ে ক্ষত নিরাময়ে সহায়তা করে।
Option C Explanation:
- অ্যান্টিবডি তৈরি করা: নিউট্রোফিলের মূল কাজ নয়।
- অ্যান্টিবডি তৈরি হয় লিম্ফোসাইট বা বর্ণালী কোষ দ্বারা, বিশেষ করে প্লাজমা কোষ।
- নিউট্রোফিলের কাজ হলো জীবাণু বা অণুজীবের উপর আক্রমণ ও ধ্বংস করা, যেমন ফাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
- অতএব, নিউট্রোফিলের প্রধান কাজ অ্যান্টিবডি তৈরি করা নয়।
Option D Explanation:
হিস্টামিন তৈরি করার প্রক্রিয়া
- হিস্টামিন হলো একটি রাসায়নিক পদার্থ যা শরীরের প্রতিরক্ষা প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এটি মূলত টিস্যু ম্যাক্রোফেজ, প্যারাসাইটসের আক্রমণে এবং অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ায় নিঃসৃত হয়।
- হিস্টামিনের মুক্তির ফলে রক্তনালীর প্রাচীর চিকন হয়ে যায়, যার কারণে অ্যানাফিল্যাক্সিস বা অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এটি শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তপ্রবাহ বাড়িয়ে দেয়, ফলে এলার্জি বা প্রদাহের লক্ষণ দেখা যায়।