কোন প্রাণিটি বাংলাদেশে মহাবিপন্ন?
CUUnit-Fজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনজীববৈচিত্র্য - সংরক্ষণ, বিলুপ্তি ও সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা ও গুরত্ব (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
Panthera tigris
Explanation:

Another Explanation (5):
বাংলাদেশে মহাবিপন্ন প্রাণী: বাঘ 🐅
বৈজ্ঞানিক নাম: Panthera tigris
বাঘ বাংলাদেশের সুন্দরবনের প্রতিনিধিত্বকারী একটি মহাবিপন্ন প্রাণী। সমগ্র বিশ্বে বাঘের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাওয়ায় এটি conservation এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাঘ মহাবিপন্ন হওয়ার কারণসমূহ 📉
- আবাসস্থল ধ্বংস 🏚️: বনভূমি উজাড় হওয়ার কারণে বাঘের বসবাসের স্থান সংকুচিত হয়ে গেছে।
- অবৈধ শিকার 🏹: চামড়া, হাড় এবং অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের জন্য বাঘ শিকার করা হয়।
- খাদ্য সংকট 🍖: বাঘের প্রধান শিকার হরিণ ও অন্যান্য তৃণভোজী প্রাণী কমে যাওয়ায় তাদের খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।
- মানুষ-বাঘ সংঘাত 🤼: লোকালয়ের কাছাকাছি বাঘ চলে আসলে সংঘাতের সৃষ্টি হয়, যার ফলে বাঘের মৃত্যু ঘটে।
সংরক্ষণ প্রচেষ্টা 🐾
- বনে নিরাপত্তা জোরদার 👮: বাঘ শিকার বন্ধ করতে বন এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
- আবাসস্থল পুনরুদ্ধার 🌱: বাঘের বসবাসের উপযোগী পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বনভূমি পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে।
- জনসচেতনতা বৃদ্ধি 📣: বাঘ সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে স্থানীয় জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে।
- পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা 🔬: বাঘের সংখ্যা এবং আচরণবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য নিয়মিত গবেষণা করা হচ্ছে।
বাঘের সংখ্যা (আনুমানিক) 📊
| বছর | সংখ্যা |
|---|---|
| ২০১৫ | ১০৬ |
| ২০১৮ | ১১৪ |
| ২০২৪ (অনুমান) | ১২০+ (আশা করা যায়) 🙏 |
নোট: এই পরিসংখ্যান পরিবর্তনশীল।
বাঘ সম্পর্কে কিছু মজার তথ্য 💡
- বাঘ সাধারণত নিশাচর প্রাণী 🦉।
- একটি বাঘের শরীরের ডোরাকাটা দাগগুলো মানুষের ফিঙ্গারপ্রিন্টের মতো, যা প্রতিটি বাঘের জন্য আলাদা 🐅🦓।
- বাঘ সাঁতার কাটাতে খুব ভালোবাসে 🏊♀️।
আসুন, বাঘকে বাঁচাই। 💚 পৃথিবীকে সুন্দর রাখি। 🌍
#SaveTheTigers #Bangladesh #WildlifeConservation 🐅🇧🇩
আরও জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ বন বিভাগ ওয়েবসাইট
Option A Explanation:
- বর্ণনা: Panthera tigris, বা বাঘ, বিশ্বের বৃহত্তম প্রজাতি বিড়াল, যা মূলত এশিয়া মহাদেশে পাওয়া যায়।
- প্রজনন এলাকা: ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, চীন ও রাশিয়ার কিছু অংশ।
- অবস্থা: অনেক প্রজাতির মধ্যে এই প্রজাতি বিপন্ন বা মহাবিপন্ন বলে গণ্য হয়, কারণ তাদের সংখ্যা ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে।
- কারণ: আবাসস্থল ধ্বংস, শিকার, অবৈধ ট্রাফিক ও মানব-প্রভাবিত অন্যান্য কারণে এই প্রজাতির সংখ্যা কমে আসছে।
- সংরক্ষণ ব্যবস্থা: বিভিন্ন দেশে বাঘ সংরক্ষণ ও পুনঃপ্রজননের জন্য নানা ধরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
Option B Explanation:
- ব্যাখ্যা: Kachuga sylhetensis হল একটি প্রজাতি, যা সাধারণত বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে পাওয়া যায়। এটি একটি প্রজাতির কচ্ছপ, যা জলাভূমি ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলগুলিতে বাস করে।
- প্রজাতির বৈশিষ্ট্য: এটি একটি মাঝারি আকারের কচ্ছপ, যার গায়ে সাধারণত ধূসর বা বাদামী রঙের শেল থাকে। এর পা ও গলা থেকে কিছুটা স্বর্ণালী রঙের ঝিলিক দেখা যায়।
- প্রাকৃতিক পরিবেশ: এই প্রজাতিটি মূলত নদী, খাল ও জলাভূমি অঞ্চলে বাস করে, যেখানে জল ও উঁচু ভূমির সংমিশ্রণে জীবনযাপন করে।
- সংরক্ষণের অবস্থা: এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের কিছু অঞ্চলে সীমিত সংখ্যায় পাওয়া যায় এবং এর প্রকৃতি ও বাসস্থানের ক্ষতি হওয়ায় এটি বিপন্ন বা মহাবিপন্ন বলে বিবেচিত হতে পারে।
Option C Explanation:
- নাম: Nandus nandus
- প্রকার: মাছ
- পরিবার: Nandidae (Nandus মাছের পরিবার)
- প্রজনন স্থান: দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নদী ও জলাশয়
- অবস্থান: এশিয়া মহাদেশের নির্দিষ্ট অঞ্চলে পাওয়া যায়
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: ছোট আকারের, শান্তিপূর্ণ মাছ, জলজ পরিবেশে বাস করে
- অকল্পিত বা অপ্রচলিত: এই মাছটি সাধারণত এশিয়ার বিভিন্ন অংশে দেখা যায় তবে এটি একটি আদর্শ এন্ডেমিক প্রাণী নয়।
Option D Explanation:
- প্রজাতির নাম: Corvus slendens
- বিবরণ: সাধারণত এটি একটি কবুতর প্রজাতি যা বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়, তবে বাংলাদেশে এর উপস্থিতি খুবই কম বা বিপন্ন বলে ধরা হয়।
- অবস্থান: প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশের কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় দেখা যায়, তবে পরিবেশগত পরিবর্তন ও শিকার এর সংখ্যাকে কমিয়ে দিয়েছে।
- প্রজনন ও জীবনচক্র: এই পাখিটির জীবনচক্র সাধারণত শান্তিপূর্ণ এবং প্রাকৃতিক পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
- সংরক্ষণের অবস্থা: আন্তর্জাতিক প্রাকৃতিক সংরক্ষণ সংস্থার তালিকায় এটি বিপন্ন বা খুবই বিপন্ন অবস্থায় থাকতে পারে।
Option E Explanation:
- নাম: Rhodonessa caryophyllacea
- অর্থ: রঙিন বা লালচে পাখি (Commonly known as the Pink-headed Duck)
- প্রজাতি: পানির পাখি (Waterfowl)
- অবস্থান: প্রাথমিকত এশিয়া, বিশেষ করে বাংলাদেশে দেখা যায়
- অবস্থা: মহাবিপন্ন (Critically Endangered)
- অভাবের কারণ: হ্রাসপ্রাপ্ত বাসস্থান, শিকার, জলপ্রদূষণ
- বৈশিষ্ট্য: গোলাপি রঙের মাথা ও গলা, ছোট আকারের পাখি
- বর্তমান অবস্থা: ধারণা করা হয় যে এই প্রজাতিটি এখন বিলুপ্ত বা খুবই বিরল