কেঁচোর বায়োলজিক্যাল নাম কোনটি?
MEDICALজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসবৈজ্ঞানিক নাম - 2.1 (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
Metaphire posthuma
Explanation: কেঁচোর বায়োলজিক্যাল নাম Metaphire posthuma। অপশন বিশ্লেষণ: A. Hirudo medicinalis - ভুল, এটি জোঁকের নাম; B. Metaphire posthuma - সঠিক উত্তর; C. Enterobius Vermicularis - ভুল, এটি পরজীবী কৃমির নাম; D. Aurelia Vermicularis - ভুল, এটি জেলিফিশের নাম। নোট: Metaphire posthuma হলো ভারতীয় কেঁচোর বৈজ্ঞানিক নাম।
Another Explanation (5):
কেঁচোর বায়োলজিক্যাল নাম কি?
কেঁচো বা কম্পোস্ট কেঁচো (Earthworm) এর বৈজ্ঞানিক নাম হলো Metaphire posthuma। এটি বিভিন্ন ধরনের কেঁচো পরিবারের মধ্যে অন্যতম একটি প্রজাতি।
বায়োলজিক্যাল নামের বিস্তারিত বিশ্লেষণ:
- Genus (জাত): Metaphire
- Species (প্রজাতি): posthuma
বৈজ্ঞানিক নামের গুরুত্ব:
বৈজ্ঞানিক নাম ব্যবহার করার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞানীরা একে অপরের সাথে সহজে যোগাযোগ করতে পারেন। এটি অভিন্ন নামের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাষাভাষী ব্যক্তিদের মধ্যে বিভ্রান্তি কমে যায়।
তালিকা: কেঁচোর বৈজ্ঞানিক নামের বৈশিষ্ট্য
- অন্তর্বর্তীভাবে বৈজ্ঞানিক নাম পরিবর্তন হতে পারে, তবে Metaphire posthuma বর্তমানে স্বীকৃত।
- এই নামটি Linnaeus এর নামের অধীনে নিবন্ধিত।
- এটি তত্ত্বাবধান করে কেঁচো সংক্রান্ত গবেষণায়।
সারাংশ:
| বিষয় | বর্ণনা |
|---|---|
| বৈজ্ঞানিক নাম | Metaphire posthuma |
| প্রজাতি | Earthworm (কেঁচো) |
| পরিবার | Megascolecidae (বিশেষত) |
উপসংহার
সুতরাং, কেঁচোর বৈজ্ঞানিক নাম Metaphire posthuma। এটি জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাণী। 🌱🌍🐛
Option A Explanation:
Hirudo medicinalis (Leech)
- শিখাকোষের উপস্থিতি: হিরুডো মেডিসিনালিস বা লিচের শরীরে শিখাকোষ থাকে।
- শিখাকোষের কাজ: এই শিখাকোষ লিচের শরীরের উপর বা উপরে থাকে এবং শিকার বা রক্ত শোষণে সহায়তা করে।
- অবস্থান: এটি মূলত লিচের মুখের চারপাশে বা শরীরের অন্য অংশে দেখা যায়।
- প্রকার: এটি একধরনের পরজীবী প্রাণী, যা প্রধানত রক্ত শোষণ করে জীবনধারণ করে।
Option B Explanation:
- প্রজাতি: Metaphire posthuma
- বর্গের নাম: Megascolecidae (অ্যাসিলোমেনটিসের পরিবারের অন্তর্গত)
- প্রকার: অ্যানেলিডা (Annelida)
- প্রজাতির বৈশিষ্ট্য: এটি একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা সাধারণত মাটির মধ্যে বাস করে এবং মৃত উদ্ভিদ ও অণুজীবের অবশিষ্টাংশ খেয়ে জীবনযাপন করে।
- অ্যাসিলোমেনটির বৈশিষ্ট্য: অ্যাসিলোমেনটিস হল এক ধরনের লেজের বাইরে অঙ্গবিন্যাসবিহীন, লম্বাটে, এবং অ্যানেলিড প্রজাতির প্রাণী, যাদের দেহে সঞ্চালনব্যবস্থা (circulatory system) উন্মুক্ত, ও সাধারণত মৃত্তিকাতে পাওয়া যায়।
Option C Explanation:
- নাম: Enterobius Vermicularis
- প্রকার: পরজীবী পরিপাকতন্ত্রের নরম্যালি সংক্রামক পরজীবী (পাইরনেমিডি পরিবারের পরজীবী)
- বিবরণ: এটি একটি ছোট আকারের পরিপাকতন্ত্রের পরজীবী, যা মূলত মানব অন্ত্রের উপরের অংশে বসবাস করে এবং অতি সাধারণত পেটের যত্নে সমস্যা সৃষ্টি করে।
- প্রধান লক্ষণ: অজান্তে খুশকি বা অন্ত্রের অস্বস্তি, প্রায়শই রাতে খোসাপড়া ও চুলকানি দেখা যায়।
- আবাসস্থান: মানব পায়ুপথে, বিশেষ করে অ্যানাসের আশেপাশে।
- সংক্রমণের উপায়: সংক্রামক থেকে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জিনিসপত্র বা সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে।
- চিকিৎসা: সাধারণত অ্যান্টিহেলমিনথিক ওষুধ দিয়ে এড়ানো যায়।
Option D Explanation:
- অবস্থান: এটি একটি প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- প্রজাতি: এই নামটি সাধারণত জেলি ফিস বা অরেঞ্জিয়ার মতো সামুদ্রিক প্রাণীর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- উৎপত্তি: ল্যাটিন ভাষায় তৈরি, যা বৈজ্ঞানিক নামের জন্য সাধারণত ব্যবহৃত হয়।
- ব্যবহার: এই নামটি বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাসের জন্য ব্যবহার হয়, বিশেষ করে জেলি ফিশের ক্ষেত্রে।
- নোট: "Vermicularis" শব্দটি সাধারণত "অণ্ডকোষ বা কেঁচো" সম্পর্কিত কোনও প্রাণীর সঙ্গে সংযুক্ত হয় না; এটি এখানে একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর নাম হতে পারে।