কুনো ব্যাঙের বৈজ্ঞানিক নাম কি?
CUUnit-Fজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসবৈজ্ঞানিক নাম - 2.1 (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
Bufo melanostictus
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তরে কুনো ব্যাঙের বৈজ্ঞানিক নাম "Bufo melanostictus" উল্লেখ করা হয়েছে। এই নামটি ল্যাটিন ভাষায় দেওয়া হয়েছে, যা বৈজ্ঞানিক নামের জন্য ব্যবহৃত হয়।
**ব্যাখ্যা:**
- **বৈজ্ঞানিক নামের গুরুত্ব:** এটি প্রতিটি জীবের জন্য আলাদা করে নির্ধারিত, যার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী একই প্রজাতিকে চিনতে সুবিধা হয়।
- **Bufo melanostictus:** এই নামটি দুটি অংশে বিভক্ত:
1. **Genus (উৎপত্তি):** Bufo – এটি ব্যাঙের একটি সাধারণ গণ, যার মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির ব্যাঙ অন্তর্ভুক্ত।
2. **Species (প্রজাতি):** melanostictus – এটি নির্দিষ্ট করে দেয় যে, এই ব্যাঙটি কুনো বা সাধারণ ব্যাঙের একটি বিশেষ প্রজাতি।
- **উপকারিতা:** এই বৈজ্ঞানিক নাম ব্যবহার করে গবেষকরা বা প্রজননকারীরা সহজে সেই প্রজাতির ব্যাঙের বিষয়ে আলোচনা করতে পারেন, কারণ সাধারণ নামগুলো বিভিন্ন ভাষায় ভিন্ন হতে পারে।
সুতরাং, কুনো ব্যাঙের বৈজ্ঞানিক নাম হলো **Bufo melanostictus**।
Option A Explanation:
- ব্যাখ্যা: Rana tigrina হল একটি প্রাচীন বৈজ্ঞানিক নাম যা সাধারণত বাংলাদেশ ও ভারতীয় উপমহাদেশে বিভিন্ন প্রজাতির ব্যাঙের জন্য ব্যবহৃত হত।
- অর্থ: এই নামের "Rana" অর্থাৎ ব্যাঙের সাধারণ গণবর্গ এবং "tigrina" অর্থাৎ টিগ্রি বা বনজ প্রাণীর বৈশিষ্ট্য, যা সম্ভবত তার দাগ বা চিহ্নের জন্য ব্যবহার করা হয়।
- বর্তমানে পরিবর্তিত: আধুনিক বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাসে, এই প্রজাতির জন্য বেশ কিছু নতুন নাম ব্যবহৃত হয়। তবে, ইতিহাসে এই নামটি বেশ পরিচিত।
Option B Explanation:
- বৈজ্ঞানিক নাম: Bufo melanostictus
- অর্থ: এই নামটি সাধারণত গাধার বা টোডের প্রজাতির জন্য ব্যবহৃত হয়।
- বৈশিষ্ট্য: এটি একটি টোড প্রজাতি, যা সাধারণত গা dark ছায়াযুক্ত এবং বিভিন্ন পরিবেশে দেখা যায়।
- অবস্থান: এটি এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- বিশেষত্ব: এর শরীরে স্পাইক বা গুঁড়ো স্তর থাকতে পারে, যা এটিকে অন্য প্রজাতি থেকে আলাদা করে।
Option C Explanation:
- নাম: Hylobates indica
- প্রকার: গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বানর
- পরিবার: হাইলোবেটিডি (Hylobatidae)
- অঞ্চল: ভারতীয় উপমহাদেশ, বিশেষ করে ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যপ্রদেশ
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: ছোট থেকে মাঝারি আকারের, লম্বা হাত ও পা, শক্তিশালী লেজহীন শরীর, এবং উচ্চ স্বরলিপি গান গায়
Option D Explanation:
- নাম: Rhacophorus
- পরিবার: Rhacophoridae (অ্যাম্ফিবিয়ান পরিবারের)
- বর্ণনা: Rhacophorus গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে পাওয়া একটি genus, যা সাধারণত "ফ্লাইং ফ্রগ" বা "অভ্যন্তরীণ উড়ন্ত ব্যাঙ" নামে পরিচিত।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই ব্যাঙগুলো তাদের পা-এ থাকা চামড়া বা পাখনা ব্যবহার করে আকাশে উড়তে সক্ষম।
- উপস্থিতি: এশিয়ার বিভিন্ন অংশে, বিশেষ করে ভারতের কিছু অঞ্চলে দেখা যায়।
Option E Explanation:
- নাম: Rana asiatica
- বিবরণ: Rana asiatica একটি প্রজাতির ব্যাঙ, যা এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়া যায়। এটি সাধারণত গ্রীষ্মমন্ডলীয় ও উপদ্রুত অঞ্চলে দেখা যায়।
- অবস্থান: এই প্রজাতিটি মূলত এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন দেশে দেখা যায়, বিশেষ করে ভারতের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশে।
- বৈশিষ্ট্য: Rana asiatica এর শরীরের রঙ সাধারণত গ্রে বা সবুজচে হয়, এবং এর শরীরের গঠন সাধারণ ব্যাঙের মতো।
- গুরুত্ব: এই ব্যাঙের প্রজনন ও বাসস্থান বৈচিত্র্যপূর্ণ, এবং এটি প্রাকৃতিক পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।