কেঁচোর বৈজ্ঞানিক নাম কি?
JUUnit-DSet-3জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসবৈজ্ঞানিক নাম - 2.1 (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
Metaphire posthuma
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: কেঁচোর বৈজ্ঞানিক নাম Metaphire posthuma। এটি কেঁচোর শ্রেণিবিন্যাস বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অপশন বিশ্লেষণ: A. Metaphire posthuma: সঠিক, এটি কেঁচোর বৈজ্ঞানিক নাম। B. Pediculus humamus: ভুল, এটি উকুনের নাম। C. Musca domestica: ভুল, এটি গৃহমক্ষিকার নাম। D. Asterina gibbosa: ভুল, এটি একটি তারকা মাছ। নোট: বৈজ্ঞানিক নাম জীবজগতের শ্রেণিবিন্যাসে প্রজাতিকে সঠিকভাবে সনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
Another Explanation (5):
কেঁচোর বৈজ্ঞানিক নাম: একটি একাডেমিক আলোচনা 🐛
কেঁচো Annelida পর্বের Oligochaeta শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। পৃথিবীতে কেঁচোর অনেক প্রজাতি রয়েছে এবং এদের একেক অঞ্চলের পরিবেশের সাথে অভিযোজনের কারণে ভিন্নতা দেখা যায়। আমাদের আলোচ্য বিষয় হলো কেঁচোর বৈজ্ঞানিক নাম এবং এর শ্রেণীবিন্যাস।
Metaphire posthuma: পরিচিতি
Metaphire posthuma হলো বহুল পরিচিত একটি কেঁচোর প্রজাতি। এটি মূলত ভারতীয় উপমহাদেশে পাওয়া যায়। এই প্রজাতিটি কৃষিকাজে এবং জৈব সার তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
শ্রেণীবিন্যাস 🧬
| স্তর | শ্রেণী |
|---|---|
| জগৎ (Kingdom) | Animalia 🐾 |
| পর্ব (Phylum) | Annelida 🪱 |
| শ্রেণী (Class) | Oligochaeta 🌧️ |
| বর্গ (Order) | Haplotaxida |
| পরিবার (Family) | Megascolecidae |
| গণ (Genus) | Metaphire |
| প্রজাতি (Species) | M. posthuma |
বৈশিষ্ট্য 📝
- নলাকার দেহ 📏
- খণ্ডায়িত গঠন ➗
- ত্বকের মাধ্যমে শ্বাসকার্য 🌬️
- উভলিঙ্গ (Hermaphrodite) 🚻
- মাটিতে গর্ত করে বাস করে 🕳️
গুরুত্ব ♻️
- মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে 🌱
- জৈব সার তৈরিতে সাহায্য করে 💩
- মাটির pH এর মাত্রা ঠিক রাখে 🧪
- মাটির বায়ু চলাচল বাড়ায় 💨
অন্যান্য প্রজাতি 🌍
Metaphire posthuma ছাড়াও আরো অনেক প্রজাতির কেঁচো রয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য হলো:
- Eisenia fetida
- Lumbricus terrestris
- Perionyx excavatus
উপসংহার: কেঁচো পরিবেশের বন্ধু 💖। তাই এদের সম্পর্কে জানা এবং এদের সংরক্ষণে আমাদের এগিয়ে আসা উচিত।
Option A Explanation:
- প্রজাতি: Metaphire posthuma
- বর্গের নাম: Megascolecidae (অ্যাসিলোমেনটিসের পরিবারের অন্তর্গত)
- প্রকার: অ্যানেলিডা (Annelida)
- প্রজাতির বৈশিষ্ট্য: এটি একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা সাধারণত মাটির মধ্যে বাস করে এবং মৃত উদ্ভিদ ও অণুজীবের অবশিষ্টাংশ খেয়ে জীবনযাপন করে।
- অ্যাসিলোমেনটির বৈশিষ্ট্য: অ্যাসিলোমেনটিস হল এক ধরনের লেজের বাইরে অঙ্গবিন্যাসবিহীন, লম্বাটে, এবং অ্যানেলিড প্রজাতির প্রাণী, যাদের দেহে সঞ্চালনব্যবস্থা (circulatory system) উন্মুক্ত, ও সাধারণত মৃত্তিকাতে পাওয়া যায়।
Option B Explanation:
- নাম: Pediculus humamus
- প্রকার: লেজের কীটপতঙ্গ (Lice)
- বর্ণনা: এটি একটি ছোট, অঙ্গপ্রত্যঙ্গবিশিষ্ট পরজীবী প্রাণী যা সাধারণত মানুষের ত্বকে বসবাস করে।
- উৎপত্তি: সারা বিশ্বে পাওয়া যায়, বিশেষ ??রে আদর্শতঃ মানুষে লেজের কীটপতঙ্গ হিসেবে পরিচিত।
- অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য: এর শরীরটি সরু ও ছোট, প্রায় 2-3 মিলিমিটার লম্বা।
- উপকারিতা ও ক্ষতি: লেজের কীটপতঙ্গের আক্রমণে ত্বকের সংক্রমণ হতে পারে, যা অতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
Option C Explanation: ```html
- নাম: Musca domestica
- অর্থ: সাধারণত ডাস্টার বা ঘরোয়া মাছি হিসেবে পরিচিত
- প্রকার: পরজীবি নয়, স্বাভাবিকভাবে একধরনের জীবাণু বা পরিবেশের অংশ
- প্রভাব: বিভিন্ন রোগের বাহক হিসেবে কাজ করতে পারে, যেমন ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড ইত্যাদি সংক্রমিত করতে পারে
- অঙ্গসংস্থান: সাধারণত গড়ে ওঠে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য ও আবাসস্থলে
- প্রজনন: মানুষের বাড়ি, বাজার, কাঁচা খাবার, ময়লার কাছাকাছি স্থানে প্রজনন করে
Option D Explanation:
- নাম: Asterina gibbosa
- প্রকার: সামুদ্রিক অর্গানিজম (সামুদ্রিক উভচর)
- বর্ণনা: Asterina gibbosa একটি স্টারফিশের প্রজাতি, যা সাধারণত সামুদ্রিক পরিবেশে পাওয়া যায়। এটি ছোট আকারের এবং তার শরীরের গঠন স্টার শেপের মতো।
- অবস্থান: সাধারণত উপকূলীয় সমুদ্রে দেখা যায়, বিশেষ করে শিলাগুলির উপর বসবাস করে।
- জীববৈচিত্র্য: এই প্রজাতিটি বিভিন্ন ধরণের সামুদ্রিক পরিবেশে বিস্তৃত, এবং এর রঙ ও আকারে কিছু পার্থক্য দেখা যায়।