দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি প্রথম প্রবর্তন করেন-
CVASUজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসবৈজ্ঞানিক নাম - 2.1 (Topic Practice)CVASU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
Carolus Linnaus
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি: ক্যারোলাস লিনিয়াস 🌿
দ্বিপদ নামকরণ (Binomial Nomenclature) হলো জীব classification এর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। এটি প্রথম প্রবর্তন করেন সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস (Carolus Linnaeus)। তাঁর হাত ধরেই জীবজগৎকে একটি সুনির্দিষ্ট নামকরণের অধীনে আনা সম্ভব হয়। 👨🏫
দ্বিপদ নামকরণের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- দুটি অংশ: প্রতিটি জীবের বিজ্ঞানসম্মত নামে দুটি অংশ থাকে।
- গণ ও প্রজাতি: নামের প্রথম অংশটি হলো গণ (Genus) এবং দ্বিতীয় অংশটি প্রজাতি (Species)।
- ভাষা: সাধারণত ল্যাটিন ভাষা ব্যবহার করা হয়।
- লেখার নিয়ম: গণ নামের প্রথম অক্ষর বড় হাতের (Capitalized) এবং প্রজাতি নামের প্রথম অক্ষর ছোট হাতের (lowercase) হয়।
- ইটালিক বা আন্ডারলাইন: লেখার সময় ইটালিক (Italic) ফন্ট ব্যবহার করা হয়, অথবা নামের নিচে আলাদা করে আন্ডারলাইন করতে হয়।
ক্যারোলাস লিনিয়াস সম্পর্কে কিছু তথ্য:
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| পুরো নাম | Carolus Linnaeus (Carl von Linné) |
| জন্ম | ২৩ মে, ১৭০৭ |
| মৃত্যু | ১০ জানুয়ারি, ১৭৭৮ |
| জাতীয়তা | সুইডিশ 🇸🇪 |
| গুরুত্বপূর্ণ অবদান | দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি, শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যা |
উদাহরণ:
মানুষের বিজ্ঞানসম্মত নাম Homo sapiens। এখানে Homo হলো গণ এবং sapiens হলো প্রজাতি। 🐒
ধানের বিজ্ঞানসম্মত নাম Oryza sativa। 🌾
সিংহের বিজ্ঞানসম্মত নাম Panthera leo। 🦁
ব্যাঙের বিজ্ঞানসম্মত নাম Rana tigrina। 🐸
দ্বিপদ নামকরণের গুরুত্ব:
- সারাবিশ্বে একটি নির্দিষ্ট নামে জীবকে চেনা যায়। 🌍
- নামের ভিন্নতা দূর করে বিভ্রান্তি কমায়। 🤔
- জীবের পারস্পরিক সম্পর্ক জানতে সাহায্য করে। 🤝
- শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যাকে সহজ করে তোলে। 🤓
ক্যারোলাস লিনিয়াসের এই অবদান জীববিজ্ঞানের গবেষণাকে আরও সুসংহত করেছে। 👍
```Option A Explanation:
- নাম: থিওফ্রাস্টাস (Theophrastus)
- জন্ম: প্রায় ৩৭০ খ্রিষ্টপূর্ব
- মৃত্যু: প্রায় ২৮০ খ্রিষ্টপূর্ব
- পেশা: প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক ও botany এর পিতা
- প্রসিদ্ধ কাজ: উদ্ভিদবিজ্ঞান ও দর্শন সম্পর্কিত প্রথম মৌলিক গ্রন্থ রচনা করেন
- প্রভাব: উদ্ভিদবিজ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাসের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন
Option B Explanation:
- নাম: Gasper Bauhin
- জন্ম ও মৃত্যু: 1560 – 1624
- পেশা: প্রাচীন বোটানিস্ট ও জীববিজ্ঞানী
- অবদান: তিনি উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণে প্রথম দ্বিপদ নামের পদ্ধতি প্রবর্তন করেন।
- প্রভাব: তাঁর এই পদ্ধতি জীববিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনে এবং পরবর্তী গবেষকদের জন্য একটি মানদণ্ড স্থাপন করে।
Option C Explanation:
- নাম: Carolus Linnaeus
- জন্ম: 1707 সালে সুইডেনে
- প্রসিদ্ধতা: জীববিজ্ঞান ও প্রজাতির শ্রেণীবিভাগের জন্য
- অবদান: দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি প্রথম প্রবর্তন করেন
- বিশেষ উল্লেখ: এই পদ্ধতিতে জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশে বিভক্ত হয়— genus ও species
- প্রভাব: আধুনিক বৈজ্ঞানিক নামকরণ পদ্ধতির ভিত্তি স্থাপন করেন
Option D Explanation:
- নাম: রবার্ট ব্রাউন (Robert Brown)
- প্রসঙ্গ: তিনি 1831 সালে প্রাকৃতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি মহামূল্যবান আবিষ্কার করেন।
- অবদান: ব্রাউন সূক্ষ্ম কণাগুলির চলাচল পর্যবেক্ষণে তার ব্যক্তিগত গবেষণার সময় তিনি কোষের ভিতরে ছোট ছোট দানাদার মতো কাঠামো লক্ষ্য করেন।
- প্রভাব: তার এই পর্যবেক্ষণ কোষের ভিতরে অস্থিরতা বা "ব্রাউন চলাচল" নামে পরিচিত হয়।
- উপসংহার: এই পর্যবেক্ষণ কোষের ভিতরে জীবন্ত কোষের অস্তিত্বের ধারণাকে শক্তিশালী করে, যদিও তিনি সরাসরি "কোষ" শব্দটি ব্যবহার করেননি।