মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি প্রবর্তন করেন কে?

A. থিওফ্রাস্টাস
B. বেনথাম হুকার
C. লিনিয়াস
D. ল্যামার্ক 
Poster Download
CUUnit-ASet-1জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসবৈজ্ঞানিক নাম - 2.1 (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. লিনিয়াস
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি

দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি (Binomial Nomenclature) হলো জীবজন্তুদের নামকরণের একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি। ক্যারোলাস লিনিয়াস এই পদ্ধতির প্রবর্তক। 🥳

বৈশিষ্ট্য

  • সার্বজনীন: এই পদ্ধতিতে দেওয়া নাম বিশ্বের সর্বত্র একই থাকে। 🌍
  • সুনির্দিষ্ট: একটি জীবের একটি মাত্র দ্বিপদ নাম থাকে। ✅
  • আন্তর্জাতিক নিয়ম: নামকরণের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিয়ম অনুসরণ করা হয়। ⚖️

ক্যারোলাস লিনিয়াস

ক্যারোলাস লিনিয়াস ছিলেন একজন সুয়েডীয় উদ্ভিদবিদ, চিকিৎসক এবং প্রাণীবিদ। তিনিই প্রথম জীবের শ্রেণীবিন্যাস করেন এবং দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি প্রবর্তন করেন। 👨‍🎓

তাকে আধুনিক শ্রেণীবিন্যাসের জনক বলা হয়। 💐

দ্বিপদ নামকরণের নিয়ম

  1. বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন ভাষায় হতে হয়। 📜
  2. নামের প্রথম অংশটি হলো গণ (Genus) এবং দ্বিতীয় অংশটি হলো প্রজাতি (species)। 🐅
  3. গণ নামের প্রথম অক্ষর বড় হাতের (Capital letter) এবং প্রজাতির নামের প্রথম অক্ষর ছোট হাতের (small letter) হয়।
  4. বৈজ্ঞানিক নাম সর্বদা ইটালিক (italic) হরফে লিখতে হয়। যদি হাতে লেখা হয়, তবে গণ ও প্রজাতির নামের নিচে আলাদা করে দাগ দিতে হয়। ✍️

উদাহরণ

সাধারণ নাম বৈজ্ঞানিক নাম
মানুষ Homo sapiens
বাঘ Panthera tigris
ধান Oryza sativa

গুরুত্ব

  • বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ একই জীবকে বিভিন্ন নামে ডাকতে পারে। এই কারণে দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি ব্যবহার করে বিভ্রান্তি এড়ানো যায়। 🤔
  • জীবের সঠিক পরিচয় জানা যায়। 👍
  • গবেষণা ও অধ্যয়নের জন্য সহায়ক। 📚

আশা করি দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি সম্পর্কে আপনারা একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। 😊

```
Option A Explanation:
  • থিওফ্রাস্টাস (Theophrastus):
  • প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ও উদ্ভিদবিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত।
  • তিনি প্রায় 370-287 খ্রিস্টাব্দে জীবনযাপন করেন।
  • উদ্ভিদবিজ্ঞানকে একটি স্বতন্ত্র শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
  • তাঁর মূল কাজ হলো উদ্ভিদের শ্রেণীবিভাগ, গঠন, বৃদ্ধি ও প্রজনন সম্পর্কিত গবেষণা।
  • “বৃক্ষবিদ্যা” (De Historia Plantarum) তাঁর অন্যতম উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।
  • এটি উদ্ভিদ সম্পর্কিত প্রথম ব্যাপক গবেষণাপূর্ণ গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত।
Option B Explanation: ```html
  • বেনথাম হুকার: তিনি একজন ব্রিটিশ উদ্ভিদবিজ্ঞানী, যিনি ১৮৭৩ সালে দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি প্রবর্তন করেন।
  • বেনথাম হুকার তার কাজের মাধ্যমে উদ্ভিদবিজ্ঞানকে আরও সংগঠিত এবং বৈজ্ঞানিক করে তোলেন।
  • তার মূল অবদান হলো উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নামকরণে একটি মানক পদ্ধতি চালু করা, যা আজকের বৈজ্ঞানিক নামকরণ পদ্ধতির ভিত্তি।
```
Option C Explanation:
  • নাম: লিনিয়াস
  • সম্পর্কে: লিনিয়াস হলো একটি সুইডিশ প্রাকৃতিক বিজ্ঞানী এবং উদ্ভিদবিজ্ঞানী, যিনি লিনিয়াসের বর্ণনা পদ্ধতি (নামকরণ ব্যবস্থা) আবিষ্কার করেন।
  • অবদান: তিনি প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য শ্রেণীবদ্ধকরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এবং জীবদের নামকরণে আধুনিক পদ্ধতির ভিত্তি স্থাপন করেন।
  • প্রসিদ্ধি: লিনিয়াসের নামের সাথে যুক্ত হয় জীববিজ্ঞান ও প্রাকৃতিক শ্রেণীবদ্ধকরণের মূল ভিত্তি।
Option D Explanation:
  • নাম: ল্যামার্ক (Lamarck)
  • মূল ধারণা: জৈবিক উন্নয়ন এবং অভিযোজনের জন্য অভ্যাস ও পরিবেশের প্রভাবের উপর ভিত্তি করে জীবের বৈশিষ্ট্য পরিবর্তনের ধারণা।
  • প্রভাব: তিনি মনে করতেন যে জীবের অভ্যাসের কারণে তাদের শরীরের বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত হয় এবং এই পরিবর্তনগুলি পরবর্তী প্রজন্মে প্রভাব ফেলে।
  • বিশেষত্ব: ল্যামার্কের তত্ত্বে জীবের অভ্যাসের পরিবর্তনের ফলে গড় বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত হয় এবং এই পরিবর্তন প্রজন্মের মধ্যে সংক্রমিত হয়।