“কোনো বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে” - এটি নিউটনের..
CUUnit-Bপদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রনিউটনিয়ান বলবিদ্যাবলের ধারণা, প্রকারভেদ ও নিউটনের গতিসূত্র (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
২য় সূত্র
Explanation:

Another Explanation (5):
নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্র 🚀
নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্রটি কোনো বস্তুর উপর প্রযুক্ত বল এবং তার ভরবেগের পরিবর্তনের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সূত্র, যা বলবিদ্যা অধ্যয়নে ব্যবহৃত হয়।
সূত্রের মূল বক্তব্য 🎯
সূত্রটি অনুসারে:
"কোনো বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে।"
ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ 🧐
এই সূত্রটিকে ভালোভাবে বুঝতে হলে, এর প্রতিটি অংশ আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন:
- ভরবেগ (Momentum): ভরবেগ হলো কোনো বস্তুর ভর (mass) এবং বেগের (velocity) গুণফল। একে সাধারণত p দ্বারা প্রকাশ করা হয়। গাণিতিকভাবে, p = mv। 🏃♀️
- ভরবেগের পরিবর্তনের হার: সময়ের সাথে ভরবেগের পরিবর্তনের হার বলতে বোঝায় প্রতি একক সময়ে ভরবেগের কতটা পরিবর্তন হচ্ছে। ⏰
- প্রযুক্ত বল (Applied Force): কোনো বস্তুর উপর যে বাহ্যিক শক্তি প্রয়োগ করা হয়, তাকে প্রযুক্ত বল বলে। একে সাধারণত F দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 💪
- সমানুপাতিক (Proportional): ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। অর্থাৎ, বল বাড়লে ভরবেগের পরিবর্তনের হারও বাড়বে এবং বল কমলে ভরবেগের পরিবর্তনের হারও কমবে। ⚖️
গাণিতিক রূপ ➕➖➗✖️
নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রটিকে গাণিতিকভাবে প্রকাশ করা যায়:
F = dp/dt
এখানে,
- F হলো প্রযুক্ত বল (Force)।
- p হলো ভরবেগ (Momentum)।
- t হলো সময় (Time)।
- dp/dt হলো সময়ের সাথে ভরবেগের পরিবর্তনের হার।
যদি ভর (m) ধ্রুবক থাকে, তবে সূত্রটি আরও সরল হয়:
F = ma
এখানে,
- a হলো ত্বরণ (acceleration)। 🚗
সূত্রের প্রয়োগ ক্ষেত্র 🌍
নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রের প্রয়োগ অনেক বিস্তৃত। এর মধ্যে কয়েকটি নিচে উল্লেখ করা হলো:
| ক্ষেত্র | উদাহরণ |
|---|---|
| ক্রিকেট খেলা 🏏 | ব্যাট দিয়ে বল মারা হলে বলের বেগের পরিবর্তন ঘটে, যা নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়। |
| রকেট উৎক্ষেপণ 🚀 | রকেটের ইঞ্জিনে গ্যাস নির্গমনের ফলে রকেট উপরের দিকে চলে, এখানেও ভরবেগের পরিবর্তন কাজ করে। |
| গাড়ির গতি 🏎️ | গাড়িতে এক্সেলারেটর চাপলে গাড়ির ত্বরণ বাড়ে, যা সরাসরি বলের সাথে সম্পর্কিত। |
গুরুত্বপূর্ণ বি??য়াবলী 🤔
- এই সূত্রটি শুধুমাত্র জড় কাঠামোতে (inertial frame of reference) প্রযোজ্য।
- বলের দিক এবং ভরবেগের পরিবর্তনের দিক একই হতে হবে।
- এটি একটি ভেক্টর রাশি, তাই এর মান এবং দিক উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ।
সারসংক্ষেপ 📝
নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্র বলবিদ্যা এবং পদার্থবিজ্ঞানের একটি ভিত্তি স্বরূপ। এটি বস্তুর গতি এবং বলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে আমাদের চারপাশের জগৎকে বুঝতে সাহায্য করে। 👍