মহুয়া শহরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করে। তার শহরে কাজ করার বিষয়টি গ্রামের কিছু মানুষ পছন্দ করে না। উপরন্তু তার নামে দুর্নাম রটনা করে। ঈদের ছুটিতে বাড়ি এলে গ্রামের মানুষগুলো মহুয়ার নামে বিচার বসায়। তারা মহুয়াকে জোর করে গ্রাম থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু মহুয়া তাতে প্রতিবাদ করে। অসুস্থ মাকে রেখে সে কিছুতেই কোথাও যাবে না।
'বিলাসী ও মহুয়া পরস্পর বিপরীত চরিত্রের মানুষ।'- মন্তব্যটি যাচাই করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'বাবুরা, আমাকে একটিবার ছেড়ে দাও আমি রুটিগুলোঘরে দিয়ে আসি।'- বিলাসী এ কথা কেন বলেছিল? শিয়াল কুকুরে খেয়ে যাবেরোগা মানুষ সমস্ত রাত খেতে পাবে না মৃত্যুঞ্জয় মরে যাবেনিচের কোনটি সঠিক?
- নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ রাজিব চক্রবর্তীর পুত্র রাতুল চাকুরি নিয়ে শহরে আসে। কিছুদিন পর রাতুল করোনায় আক্রান্ত হয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পাশের বাড়ির নিম্নবর্ণের মেয়ে স্কুল শিক্ষিকা রমা দাস তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ডাক্তার দেখায় এবং সেবাযত্নের জন্য গ্রামের এক দরিদ্র মসিকে নিয়োগ করে। রমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উপযুক্ত সেবা ও 'চিকিৎসা পেয়ে রাতুল সুস্থ হয়ে ওঠে। রমার মার্জিত রুচি, ব্যক্তিত্ব, মানবতাবোধে মুগ্ধ হয়ে জাতভেদ ভুলে যাবার অমতে তাকে বিয়ে করে রাতুল। প্রথাগত সংস্কারের বিপরীতে জয় হয় মনুষ্যত্বের।'বিলাসী' গল্পের বিলাসী চরিত্রের সাথে উদ্দীপকের রমা দাস চরিত্রের বৈসাদৃশ্য আলোচনা কর।
- ভারতের অভিজাত এলাকায় অবস্থিত গ্লোরি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রায় সব ছাত্রছাত্রীই ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের। হঠাৎ একদিন বেশ কয়েকজন অভিভাবক স্কুলে এসে চিৎকার করে বলা শুরু করল যে তাদের জাত চলে গেছে, কারণ স্কুলের রান্নার মাসি নিম্ন সম্প্রদায়ের। তার হাতের রান্না খেয়ে তাদের সন্তানদের পাশাপাশি, তাদেরও মহাপাপ হয়েছে। তাই তাদের দাবি অবিলম্বে রান্নার মাসিকে চাকরিচ্যুত করতে হবে। কিন্তু স্কুলের প্রধান শিক্ষক অভিভাবকদের পক্ষ না নিয়ে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করলেন সকল সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে ভালোবাসাই প্রকৃত ধর্ম।উদ্দীপকের অভিভাবকদের ভাবনার মধ্য দিয়ে 'বিলাসী' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?- আলোচনা করো।
- নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ রাজিব চক্রবর্তীর পুত্র রাতুল চাকুরি নিয়ে শহরে আসে। কিছুদিন পর রাতুল করোনায় আক্রান্ত হয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পাশের বাড়ির নিম্নবর্ণের মেয়ে স্কুল শিক্ষিকা রমা দাস তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ডাক্তার দেখায় এবং সেবাযত্নের জন্য গ্রামের এক দরিদ্র মসিকে নিয়োগ করে। রমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উপযুক্ত সেবা ও 'চিকিৎসা পেয়ে রাতুল সুস্থ হয়ে ওঠে। রমার মার্জিত রুচি, ব্যক্তিত্ব, মানবতাবোধে মুগ্ধ হয়ে জাতভেদ ভুলে যাবার অমতে তাকে বিয়ে করে রাতুল। প্রথাগত সংস্কারের বিপরীতে জয় হয় মনুষ্যত্বের।"উদ্দীপকটিতে 'বিলাসী' গল্পে সমাজবাস্তবতার আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে"- উত্তরের পক্ষে তোমার যুক্তি দেখাও।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'পথের দাবী' কোন ধরনের রচনা ?
- নার্গিস বিদেশে গৃহকর্মীর কাজ করে। বিদেশে কাজকরার বিষয়টি তার এলাকার মানুষ পছন্দ করে না। তিনবছর পর নার্গিস বাড়ি ফিরে এলে গ্রামবাসী তার নামেবিচার বসায় এবং তাকে গ্রামছাড়া করার সিদ্ধান্ত নেয়।নার্গিস প্রতিবাদী কণ্ঠে বলে ‘অসুস্থ মাকে রেখে কিছুতেইআমি কোথাও যাব না ।' উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পের যে বিষয়ের সাদৃশ্যরয়েছে—নারীর প্রতি নির্যাতনকুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজগ্রামীণ বিচারব্যবস্থানিচের কোনটি সঠিক?
- 'লালসালু' উপন্যাসে কোন অঞ্চলের জীবনের চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে?
- ব্রাহ্মণ বংশের শিক্ষিত ছেলে বিশ্বনাথ ভালোবেসে বিয়ে করে গ্রামের বেদে সম্প্রদায়ের শিক্ষিত মেয়ে সানন্দাকে। রাশভারী বাবা হরিকান্ত তাতে রাজি না হয়ে বিশ্বনাথকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করে। বিশ্বনাথ ও সানন্দা আত্মনির্ভরশীল হয়ে এখন সুখে আছে।উদ্দীপকের বিশ্বনাথ চরিত্রের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
- বিলাসী’ গল্পের ন্যাড়া চরিত্রে কোন লেখকের জীবনের ছায়াপাত ঘটেছে?
- 'বিলাসী' গল্পে মৃত্যুঞ্জয় প্রসঙ্গে 'সুনাম' কথাটি দ্বারাকী প্রকাশ পেয়েছে?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাস কত সালে প্রকাশিত হয়?
- ‘বিজয়া’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- 'সবাই করে-এতে দোষ কী?' উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- ‘পথের দাবী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি-
- বিশ্বনাথ একজন সাপুড়ে। তার স্ত্রী কল্পনাও সাপুড়ে। সাপ খেলা দেখিয়ে তাবিজ বিক্রি করে তাদের সংসার চলে। কিন্তু কল্পনা এখন আর সাপুড়ে পেশা পছন্দ করে না। সে বিশ্বনাথকে সাপুড়ে পেশা ছেড়ে অন্য কিছু করতে বলে। কারণ, 'প্রথমত, সাপের কামড়ে স্বামীর মৃত্যুর আশঙ্কা, দ্বিতীয়ত, শিকড়-বাকড় বিক্রির মাধ্যমে টাকা অর্জন করা লোক ঠকানোর নামান্তর। কিন্তু বিশ্বনাথ তা আমলে নেয় না। সে বলে, আমরা লোক ঠকাই না; লোকদের খেলা দেখিয়ে আনন্দের বিনিময়ে উপার্জন করি।উদ্দীপকে বিশ্বনাথ ও 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের ক্ষেত্রে যে দিকটি ফুটে উঠেছে, তার সামাজিক মূল্য নিরূপণ করো।
- মৃত্যুঞ্জয়ের বংশ পরিচয় কি?
- “অতিকায় হস্তি ললাপ পাইয়াছে কিন্তু তেলাপােকা টিকিয়া আছে”---কোন গল্পে এই উক্তি আছে?
- 'বিলাসী’ গল্পে উনিশ শতকের যে সমাজ-সংস্কারকের কথা আছে তাঁর নাম-
- কোন কাজটি মৃত্যুঞ্জয়ের বড় অপরাধ ছিল?
- বিলাসী গল্পে " ফাস্ট ক্লাস" বলতে কোন শ্রেনীকে বুঝানো হয়েছে ?
- 'গ্রামের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয়ের ছিল এমনি সুনাম'-ব্যাখ্যা করো।
- বিলাসিতার সঙ্গে কোন ভূত কৃষকদের কাঁধে চেপে বসেছে বলে বেগম রোকেয়া মনে করেছিলেন?
- হুমরাবেদের মেয়ে মহুয়ার প্রেমে পড়ে জমিদারপুত্র নদের চাঁদ। জমিদার বিষয়টি জানতে পেরে রাতের আঁধারে হুমরাবেদের দলকে গ্রামছাড়া করে। নীচু জাত বেদের মেয়ের সাথে তাঁর পুত্র নদের চাঁদের প্রেম তিনি মেনে নিতে পারেননি। কিন্তু নদের চাঁদ মহুয়াকে পাওয়ার আশায় বাবা-মাকে ছেড়ে যায়। হুমরাবেদে নদের চাঁদকে হত্যার জন্য মহুয়ার হাতে বিষলক্ষার ছুরি তুলে দেয়।"উদ্দীপকটি যেন 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয় বিলাসীর অমর প্রেমের উপাখ্যান।" মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- কত বঙ্গাব্দে নূরলদীনের ডাকে বাংলার মানুষ জেগে উঠেছিলেন?
- শহরে জরুরি কাজে এসেছে প্রীতিময় চাকমা। সকালথেকে ঘোরাঘুরি করে ক্ষুধার্ত হয়ে খাবার চাইলে হোটেলমালিক বলল, 'আদিবাসীদের জন্য দুই নম্বর বাসন আমার‘হোটেলে রাখি না।'প্রীতিময় চাকমার সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রেরমিল রয়েছে ?
- বিলাসী' গল্পে 'মালো' শব্দের সুনির্দিষ্ট অর্থ কী?
- 'বিলাসী' গল্পটি কার জবানীতে বিবৃত?
- "বিলাসী” গল্পে কাকে গালিগালাজ করে দেশ উদ্ধারেরকথা বলা হয়েছে?
- মৃত্যুঞ্জয়ের কত বিঘার বাগান ছিল?
- বলিলাম, 'পৌঁছে দিতে হবে না, শুধু আলোটা দাও।'উক্তিটিতে ন্যাড়ার কোন মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
- "বিষহরির দোহাই বুঝি বা আর খাটে না ।"---- এটি বোঝা গেল কখন?
- শরৎচন্দ্রের 'মহেশ' গল্পে গফুরের প্রিয় গরুটির নাম মহেশ। দরিদ্র গফুর নিরীহ পশুটিকে ঠিকমতো খাবারের জোগান দিতে পারে না। ফসল নষ্ট করার জন্য তাকে জমিদারের শাস্তিও পেতে হয়েছে। একদিন তৃষ্ণার্ত মহেশ পানির জন্য গফুরের মেয়ে আমিনার মাটির পাত্র ভেঙে ফেলে। রাগান্বিত গফুর লাঙলের ফলা দিয়ে মাথায় আঘাত করলে মহেশ মারা যায়। গোহত্যার প্রায়শ্চিত্ত করতে গফুর রাতের আঁধারে মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।উদ্দীপকের 'গোহত্যা' এবং গল্পের 'অন্নপাপ' একই সূত্রে গাঁথা"-তোমার মতামত' আলোচনা করো।
- শরৎচন্দ্রের 'বিলাসী' গল্পে হুমায়নের বাপের নাম কী লেখা হয়েছিল?
- পার্বতী সাপুড়ের মেয়ে, সাপ ধরা, শিকড়-তাবিজ বিক্রি করা তাদের পারিবারিক পেশা। পার্বতীর রূপ-গুণে মুগ্ধ হয়ে জমিদার পুত্র চন্দ্রসিং তাকে বিয়ে করে, তাদের সংসার বেশ সুখের হয়। কিন্তু সমাজ চন্দ্রসিংকে মেনে নেয়নি, পার্বতীকেও সাপুড়ে সমাজ জাতিচ্যুত করে। উভয়ে সমাজ ছেড়ে দূরবর্তী সোনাপুর গ্রামে নতুন জীবন শুরু করে।পার্বতী ও বিলাসী চরিত্রের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।
- 'ওরে বাপরে! আমি একলা থাকতে পারব না।'-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- মৃত্যুঞ্জয়ের ছিল এক জ্ঞাতি________________।
- ভূদেব বাবু হলেন-
- আলেয়া খাতুন রাতের বেলা এক হাতে লণ্ঠন আর অন্য হাতে রশি নিয়ে মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাড়ির সালেহা বেগমকে এসে বললেন, 'আম্মা আমার আর বাঁচার এতটুকু ইচ্ছা নেই। যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম সেই যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল তখন আমি বাঁচতে চাই না। আমিও মরতে চাই।' সালেহা বেগম বললেন, 'দেখো বউমা, এমন কথা বলো না। তোমার শ্বশুরের সাথে ত্রিশ বছর ধরে সংসার করো করেছি। তিনি মারা যাওয়ার পরে আজও এই ঘর, এই সংসারকে আঁকড়ে পড়ে আছি। কোনোদিন এই সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তাও করি নাই। তিনি যেদিন মারা গেলেন, বুকে পাথর বেঁধে সারাটি রাত তার পাশেই বসেছিলাম। যাও বাড়ি যাও। সব ঠিক হয়ে যাবে।' পাশেই বসে থাকা সালেহা বেগমের ছোটো সন্তান সোহাগ আলেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসা করে, 'ভাবী তোমার হাতে লণ্ঠন কেন?' আলেয়া খাতুন চট করে উত্তর দেয়- 'যদি সাপে কামড়ায়।'উদ্দীপকের আলেয়া খাতুনের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? আলোচনা করো।
- কে কবি নন?
- 'বিলাসী' গল্পে 'বাঙালির বিষ' কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?