"মাগো, ভাবনা কেন?
আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে
তোমার তবু শত্রু এলে অস্ত্র হাতে লড়তে জানি
ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি।"
এভাবেই এই দেশকে ভালোবেসে এদেশের প্রতিবাদী মানুষ ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়েছেন।
উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- দেশের সেবা কর'- এখানে 'দেশের' শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- মিছিলটা তখন মেডিকেলের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের কাছাকাছি এসে গেছে। তিনজন আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম। রাহাত স্লোগান দিচ্ছিলো। আর তপুর হাতে ছিলো একটা মস্ত প্ল্যাকার্ড। তার ওপর লালকালিতে লেখা ছিলো, রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌঁছুতে অকস্মাৎ আমাদের সামনের লোকগুলো চিৎকার করে পালাতে লাগলো চারপাশে। ব্যাপারটা কী বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার।উদ্দীপকের সাথে পাঠ্যবইয়ের 'বায়ান্নর দিনগুলো' শীর্ষক আত্মজীবনীমূলক রচনার পটভূমিগত অভিন্নতা রয়েছে। মন্তব্যটি যাচাই কর।
- শেখ মুজিবুর রহমানের 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থে বর্ণিত ঘটনাবলি কত সাল পর্যন্ত বিস্তৃত ?
- 'এভাবে মৃত্যুবরণ করে কী লাভ হবে?' 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় উক্তিটি কার?
- 'এভাবে মৃত্যু বরণ করে কী লাভ হবে?' –'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় উক্তিটি কার?
- ১৯৭১ সাল, জুন-জুলাই মাসে প্রচণ্ড বর্ষা হচ্ছে। বৃষ্টিরপানিতে রাস্তা-ঘাট ডুবে গেছে। এই বর্ষায় রাস্তার মধ্যে খাদবুঝতে না পেরে পাকিস্তানি বাহিনীর একটি জিপ উলটে যায়।উদ্দীপকের প্রাকৃতিক অবস্থাকে 'রেইনকোট' গল্পেকী নামে উপস্থাপন করা হয়েছে?
- “একদিন মরতেই হবে, অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যদি মরতে পারি, সে মরাতেও শান্তি আছে ।” কার রচনায় এ উক্তি রয়েছে? ?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় পুরিসিসে ভুগছিলেন কে?
- একবার মরে ভুলে গেছে আজমৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ, বাংলাদেশ, এ পৃথিবীঅবাক তাকিয়ে রয়;জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখারতবু মাথা নোয়াবার নয়।উদ্দীপকে প্রতিফলিত মনোভাব 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাঝেও দেখা যায়- মূল্যায়ন করো।
- ভিক্টোরিয়া পার্কের বর্তমান নাম কী?
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'জুলিও কুরি' পদকে ভূষিত হন কোন সনে?
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ রচনাটি কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- বর্ণবাদী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণেরজন্য আমৃত্যু লড়াই করেছেন। দীর্ঘ ২৭ বছর কারাবরণকরেও শোষক-স্বৈরশাসকের সঙ্গে আপস করেননি Iউদ্দীপকটি তোমার পঠিত কোন রচনার সাথে মিলরয়েছে?
- “আওয়ামী লীগের কোনো কর্মীই বোধ হয় আর বাইরেনাই।”— উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে আওয়ামী লীগ কর্মীদের-
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী বিপ্লবী নেতা। তিনি সে দেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি ১৯৪৩ সালে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগ দেন। পরে তিনি সশস্ত্র সংগঠনের নেতা হিসেবে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার তাঁকে গ্রেফতার করেন এবং অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন। নেলসন ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাবাস করেন। তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সারা জীবন লড়াই করেছেন।"উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবেশ্বর সার্বিক চিত্র ফুটে উঠেছে।"- মন্তব্যটির সত্যতা পরীক্ষা কর।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কীসের ভিত্তিতে সমগ্র জাতিকে অভিনব লক্ষ্যে একত্র করেন?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো'তে কারা অভ্যন্তরে বঙ্গবন্ধুর অনশনকরার কারণ—
- 'যে হিমালয়ে বাস করিতেন , সেই হিমালয়ের তিনি যেন মিতা। ' বাক্যটি -
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় লেখক কোন ভাষারীতি অবলম্বন করেছেন?
- মালিক পক্ষের নিপীড়ন আর শোষণ-বঞ্চনা বন্ধের দাবিতে'হাওলাদার কটন মিল'-এর শ্রমিকগণ আমরণ অনশন-ধর্মঘট শুরু করে। তাদের কথা— অত্যাচার ও শোষণেরঅবসান না হলে আমৃত্যু অনশন চালিয়ে যাবে ।উদ্দীপকের মালিকপক্ষের সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো'রচনার কীসে মিল রয়েছে?