মেঘনাদের মরে যেতে ইচ্ছে করে কেন ?
A.
পিতার আচরণে
B.
বিনা অস্ত্রে যুদ্ধ করায়
C.
লক্ষ্মণের কথা শুনে
D.
বিভীষণের কথা শুনে
সঠিক উত্তরঃ
D.
বিভীষণের কথা শুনে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'চন্ডালে বসাও আনি ___ আলয়ে' শূন্যস্থানে কোন শব্দ বসবে?
- 'একেই কি বলে সভ্যতা' মাইকেল মধুসুদন দত্ত রচিত-
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল যাদের বিশ্বাসঘাতকতায় তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান সেনাপতি মীরজাফর। প্রধান সেনাপতি হয়েও তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। শুধু মীরজাফরই নয় রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ, উমিচাঁদ, জগৎশেঠও যুদ্ধে চরম অসহযোগিতা করেছে। কিন্তু মোহনলাল ও মীরমর্দান বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে নি। দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন এবং জীবন দিয়েছেন। পক্ষান্তরে মীরজাফর এবং তার দোসররা বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এবং বাঙালি জাতিকে প্রায় ২০০ বছর ইংরেজদের গোলামি করতে বাধ্য করেছে।"উদ্দীপকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার আংশিক রূপায়ণ মাত্র"- তোমার মতামতসহ উক্তিটি বিচার করো।
- 'স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থাণুর ললাটে' কথাটি বুঝিয়ে দাও।
- 'সনেট' কাব্যরীতির মূল প্রবর্তক কে?
- "পরদোষে কে চাহে মজিতে?" -উক্তিটি কার?
- 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কাব্যাংশে 'লক্ষি' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে-
- বাংলায় সনেটের প্রবর্তক কে?
- কোন বিশেষ ছন্দরীতিকে ভেঙ্গে মধুসূদন অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তন করেন?
- কোনটি মধুসূদন দত্তের রচনা?
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের মায়ের নাম কী?
- চতুর্দশপদী কবিতাবলীর রচয়িতা কে?
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষাকরার জন্য মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয় লতিফ। দেশকে স্বাধীনকরে তবেই ঘরে ফিরবে এই প্রত্যয় নিয়ে যুদ্ধ করে যায়লতিফ। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ, বাংলাদেশ যখন স্বাধীনতারদ্বারপ্রান্তে ঠিক সে সময় উজিরপুরের পাকিস্তানি ক্যাম্পে,অপারেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল লতিফরা। তথ্যটি রাজাকারনিজামুদ্দীন হানাদার বাহিনীকে জানিয়ে দিলে পাকিস্তানিবাহিনীর অতর্কিত হামলায় লতিফরা শহিদ হয় ।উদ্দীপকের নিজামুদ্দীন 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ'কবিতাংশের কোন চরিত্রের প্রতিরূপ?
- বিভীষণের মায়ের নাম কী?
- জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব ও জাতিসত্তার সংহতির গুরুত্ব অভিব্যক্ত হয়েছে কোন কবিতায়?
- সাদ্দাম হোসেন ইরাকের লৌহমানব ছিলেন। ইরাককে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন। তিনি ন্যাটো বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করতে দ্বিধা করেননি। যদিও যুদ্ধে হেরেছেন। তারপরও সামনের দিকে এগিয়ে গেছেন। তাঁর যুদ্ধ নিয়ে মতভেদ থাকলেও তিনি পৃথিবীর মানুষকে দেখিয়ে দিয়ে গিয়েছেন মাতৃভূমি রক্ষার জন্য শত্রুর সঙ্গে কোনো আপোস নয়।'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার সাথে উদ্দীপকের কোন দিক্ সাদৃশ্য রয়েছে তা আলোচনা কর।
- একসময় ঈশা খাঁর ??ঙ্গে মানসিংহের যুদ্ধ হয়। রণনিপুণ ঈশা খাঁর তরবারির আঘাতে মানসিংহের তরবারি দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। মানসিংহ অসহায় হয়ে পড়েন। ঈশা খাঁ চাইলে এই অবস্থায় মানসিংহকে হত্যা করতে পারতেন। কিন্তু, বীরযোদ্ধা ঈশা খাঁ তা না করে নিজের কোষ থেকে একখানি ভালো, তলোয়ার বের করে মানসিংহকে উপহার দিয়ে পুনরায় যুদ্ধে আহবান জানালেন। মানসিংহ ঈশা খাঁর এই মহানুভবতা, ঔদার্য ও বীরধর্মের আদর্শ দেখে মুগ্ধ হলেন এবং যুদ্ধের পরিবর্তে সন্ধি স্থাপনে এগিয়ে এলেন।উদ্দীপকের ঈশা খাঁ ও 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার লক্ষ্মণের আদর্শগত বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- বাংলা সনেটের প্রবর্তক ----
- বিশ্বাষঘতকতা ও দেশদ্রোহিতার বিরুদ্ধে ঘৃনা প্রকাশিত হয়েছে কোন কবিতায়?
- ‘নিজ কর্ম-দোষে, হায়, মজাইলা এ কনক-লঙ্কা’-এই কর্ম-দোষ হলো-