মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোন বন্যপ্রাণিটি বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত?

A. গোলাপী-শির-হাঁস
B. লেঞ্জা হাঁস
C. বাংলা শকুন
D. পাপিয়া
Poster Download
JUUnit-DSet-3জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনবাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় জীব - পরিচিতি ও সংক্ষিপ্ত বিবরণ (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. গোলাপী-শির-হাঁস
Explanation: গোলাপী-শির-হাঁস বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত প্রাণী। Option B: লেঞ্জা হাঁস ও Option C: বাংলা শকুন বিলুপ্ত নয়; Option D: পাপিয়া বিলুপ্ত নয়। নোট: বিলুপ্তির কারণ পরিবেশগত বিপর্যয় এবং মানুষের কার্যকলাপ।
Another Explanation (5):

বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত হওয়া বন্যপ্রাণী: গোলাপী-শির-হাঁস

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশে কিছু বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেছে বা বিলুপ্তির পর্যায়ে রয়েছে। এর মধ্যে গোলাপী-শির-হাঁস (Pink-headed Duck) অন্যতম। এটি একটি বিশেষ প্রজাতির হাঁস যা এখন আর বাংলাদেশে দেখা যায় না।

গোলাপী-শির-হাঁসের বৈশিষ্ট্য

  • প্রজাতির নাম: গোলাপী-শির-হাঁস 🦆
  • বর্ণনা: এর গলার অংশ গোলাপী রঙের, যা এই হাঁসটিকে আলাদা করে তোলে।
  • আকার: মাঝারি আকারের হাঁস, প্রায় ৫০-৬০ সেমি লম্বা।
  • অবস্থান: প্রধানত বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমার অঞ্চলে দেখা যেত।

বিলুপ্তির কারণসমূহ

কারণ বর্ণনা
অরণ্য ও জলাভূমির ধ্বংস বাড়ির নির্মাণ, কৃষি কাজ ও জলাভূমি দখলের কারণে প্রজাতির বাসস্থান কমে গেছে।
অধিক শিকার শিকার ও অবৈধ বাজারে বিক্রির জন্য এই হাঁসের সংখ্যা কমে গেছে।
প্রাকৃতিক হুমকি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পরিবেশগত পরিবর্তন এই প্রজাতির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উপসংহার

গোলাপী-শির-হাঁসের মতো প্রজাতিগুলি আমাদের পরিবেশের মহত্ত্ব ও জীববৈচিত্র্যের অংশ। এগুলির সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার আমাদের জন্য জরুরি, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই ধরণের অসাধারণ প্রাণীদের দেখার সুযোগ পায়। 🌱🌎🌟

Option A Explanation:

গোলাপী-শির-হাঁস

  • একটি প্রজাতির হাঁস, যা মূলতঃ দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে বাংলাদেশে দেখা যায়।
  • এর বৈশিষ্ট্য হল এর গোলাপী রঙের শির এবং সুন্দর দেহের রঙ।
  • অতীতে এটি বাংলাদেশের জলাভূমি ও পানির আশেপাশের এলাকা গুলিতে দেখা যেত।
  • বর্তমানে, এর সংখ্যা কমে আসার কারণে এটি বিলুপ্তির পথে বলে মনে করা হয়।
  • প্রাকৃতিক পরিবেশের পরিবর্তন, আবাসস্থল ধ্বংস এবং শিকার এর প্রধান কারণ।
Option B Explanation:
  • প্রজাতির নাম: লেঞ্জা হাঁস (Lanja Duck)
  • বর্ণনা: লেঞ্জা হাঁস একটি প্রাচীন ও দুর্লভ প্রজাতির হাঁস, যা মূলত দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়। এটি তার সুন্দর রঙ এবং অনন্য বৈশিষ্ট্য জন্য পরিচিত।
  • অবস্থা: বর্তমানে এই প্রজাতিটি বিপন্ন বা বিলুপ্তির পথে রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। বিভিন্ন কারণের জন্য এর সংখ্যা কমে গেছে, যেমন বনাঞ্চলের ধ্বংস, খাদ্যসংকট এবং আবাসস্থলের পরিবর্তন।
  • আবাস: সাধারণত জলাভূমি, নদী ও পুকুরের আশেপাশে দেখা যায়।
  • প্রভাব: এই হাঁসের বিলুপ্তি প্রাকৃতিক বাসস্থান ও পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, কারণ এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ জলজ ইকোসিস্টেমের।
Option C Explanation:
  • বাংলা শকুন:
    • বাংলাদেশে পূর্বে দেখা যেতো, তবে বর্তমানে এটি বিলুপ্তির পথে রয়েছে।
    • এটি একটি বৃহৎ পাখি, যা শকুন পরিবারের অন্তর্গত।
    • প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি, খাদ্যসংকলন কমে যাওয়া এবং মানবসৃষ্ট কারণে এর সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে।
    • অতীতের তুলনায় এখন খুবই কম দেখা যায় বা দেখা যায় না।
Option D Explanation:
  • পাপিয়া: পাপিয়া হলো একটি ছোট আকারের পাখি যা সাধারণত দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়।
  • এটি মূলত গুল্মজাতীয় বনাঞ্চলে বাস করে এবং এর বৈশিষ্ট্য হলো এর ছোট চোখ, নরম গলা ও সুন্দর রঙিন পালক।
  • দূষণ, বনভূমি ধ্বংস ও শিকার এর প্রাকৃতিক আবাসস্থলে প্রভাব ফেলায় এই পাখির সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।
  • বিশেষ করে মানুষের অবাধ শিকার ও বাসস্থান ধ্বংসের কারণে এর বিলুপ্তির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
  • বর্তমানে, এটি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশে দেখা যায় না এবং এটি বিলুপ্তপ্রায় বলে বিবেচিত।