ছক-১ ও ছক-২ এর আলোকে সঠিক রোগ কোনটি?
সঠিক উত্তরঃ
B.
C-Y: কলেরা
Explanation:

Option A Explanation:
- ম্যালেরিয়া জ্বর: এটি একটি সংক্রামক রোগ যা ম্যালেরিয়া প্যারাসাইটের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
- উদ্ভব: এই রোগটি মূলত আক্রান্ত এদেশে থাকা মশার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
- প্রধান লক্ষণসমূহ: জ্বর, শরীরের অসুবিধা, ঠাণ্ডা লাগা, শিরদাঁড়া ব্যথা, মাথাব্যথা এবং শারীরিক দুর্বলতা।
- চিকিৎসা: অ্যান্টিম্যালেরিয়াল ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়।
- প্রতিরোধ: মশার কামড় থেকে রক্ষা, উন্নত স্যানিটেশন, এবং প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবহার।
Option B Explanation:
- কলেরা একটি সংক্রামক রোগ যা সাধারণত পানির মাধ্যমে ছড়ায়।
- মূল কারণ হলো ভ্যারিনিয়া কোলেরি নামক ব্যাকটেরিয়া।
- প্রধান লক্ষণসমূহ:
- অত্যন্ত জলীয় ডায়েরিয়া
- অক্সিজেনের অভাব
- অতি দ্রুত নিস্তেজতা ও ডিহাইড্রেশন
- সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য:
- নির্ভরযোগ্য ও বিশুদ্ধ পানি পান করা
- স্যানিটাইজেশন বজায় রাখা
- নিয়মিত হাত ধোয়া
- চিকিৎসার জন্য:
- উপযুক্ত জলীয় পুনরুদ্ধার (Rehydration therapy)
- অতিরিক্ত এন্টিবায়োটিকের প্রয়োগ প্রয়োজন হয় না সাধারণত
Option C Explanation:
- উপসর্গ: ডেঙ্গু জ্বর সাধারণত উচ্চ তাপমাত্রা, মাথাব্যথা, চোখের পিছনে ব্যথা, শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা এবং ক্ষুদ্র র্যাশের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
- সংক্রমণের মাধ্যম: এটি মূলত এডিস মশার মাধ্যমে সংক্রমিত হয়, যা দিনে সক্রিয় থাকে।
- লক্ষণসমূহ: জ্বরের পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ব্যথা, ক্লান্তি, বমি বমি ভাব, এবং কখনো কখনো রক্তপাত হতে পারে।
- পরীক্ষা ও নির্ণয়: ডেঙ্গু শনাক্তের জন্য ডেঙ্গু এনটিআইজি বা ডেঙ্গু ডি-এনএ পরীক্ষা করা হয়।
- প্রতিরোধ: মশার নির্মূল, মশা নিধন এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষা অবলম্বন করে এর প্রতিরোধ সম্ভব।
Option D Explanation:
- হেপাটাইটিস: এটি লিভার সংক্রমণের জন্য দায়ী একটি ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসজনিত রোগ।
- লক্ষণসমূহ: ক্লান্তি, জ্বর, বমি, বমি বমি ভাব, পাকস্থলীর অসুবিধা, পেটের ডান পাশে ব্যথা, বাদামী রঙের প্রস্রাব এবং গা টকটকে হলুদ হয়ে যাওয়া।
- প্রকারভেদ: মূলত অ-সংক্রামক (হেপাটাইটিস A এবং E) ও সংক্রামক (হেপাটাইটিস B, C, D, এবং G)।
- সংক্রমণের মাধ্যম: আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত বা শরীরের তরল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যেমনঃ সেবনকৃত খাবার বা পানির মাধ্যমে, শারীরিক সংস্পর্শে আসা, বা অনিরাপদ সঙ্গমে।
- প্রতিরোধ ও চিকিৎসা: টিকা, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ, সঠিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপদ যৌনাচার। উন্নত চিকিৎসায় বিশেষ করে ভাইরাসজনিত ক্ষেত্রে অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ব্যবহৃত হয়।